কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে এক গম্বুজ বিশিষ্ট প্রাচীন শেখ মাহমুদ শাহ্ মসজিদ (Sheikh Mahmud Shah Mosque) রয়েছে। শাহ মাহমুদ মসজিদের চারকোণে চারটি আট কোণাকৃতির বুরুজ, পূর্ব দিকের দেয়ালে ৩টি দরজা, পশ্চিম দেয়ালে পোড়ামাটির চিত্রফলক নির্মিত তিনটি মেহরাব রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ সম্পর্কে
কিশোরগঞ্জ পৌঁছে জায়গাীয় পরিবহণে পাকুন্দিয়া উপজেলা হয়ে এগারসিন্ধুর গ্রামে রয়েছে শেখ মাহমুদ শাহ্ মসজিদে যেতে পারবেন। মসজিদের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট। মসজিদটির মূল নাম শাহ্ মাহমুদ মসজিদ হলেও ইউনেস্কো মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে শাহ্ মোহাম্মদ মসজিদ নামে লিপিবদ্ধ করে।
ঢাকার গুলিজায়গা/গোলাপবাগ থেকে অনন্যা, যাতায়াত নন-এসি বাসে পাকুন্দিয়া হয়ে কিশোরগঞ্জ যাওয়া যায়। কোথায় থাকবেনকিশোরগঞ্জ জেলার ষ্টেশন রোডে হোটেল রিভারভিউ, হোটেল উজানভাটি, হোটেল গাংচিল, ক্যাসেল সালাম আবাসিক ও হোটেল মোবারক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাছাড়া রেলপথে, কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, এগারসিন্ধু গোধূলি ও এগারসিন্ধু প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনে কিশোরগঞ্জ পৌঁছাতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে কিশোরগঞ্জ পৌঁছানো যায়। মসজিদের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশ সুলতানী আমলের চিত্রফলকে অলংকৃত। মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত বর্গাকৃতি এই মসজিদ আড়াই ফুট দেয়ালে ঘেরা উঁচু প্ল্যাটফর্মের উপর স্থাপিত।
অতীতে মসজিদের চার কোণায় চারটি মূল্যবান প্রস্তর ফলক ছিল যা দুর্বৃত্তরা চুরি করে নিয়ে গিয়েছে। কথিত আছে, শাহ্ মাহমুদ ও শেখ সাদি দুইজন ব্যবসায়ী ভাই ছিলেন। মসজিদের প্রবেশ পথে কুটির ধাঁচে নির্মিত একটা দর্শনীয় দো-চালা ঘর রয়েছে, যা “বালাখানা” হিসেবে পরিচিত।
১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে এগারসিন্ধুরের তৎকালীন প্রখ্যাত ব্যবসায়ী শাহ্ মাহমুদ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। শাহ্ মাহমুদ মসজিদটি নির্মানের ২০ বছর আগে শেখ সাদি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তাছাড়া এই মসজিদ থেকে ১ কিলোমিটার দূরে শেখ সাদি জামে মসজিদ রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার দর্শনীয় জায়গাকিশোরগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে নিকলি হাওর, অষ্টগ্রাম হাওর, কবি চন্দ্রাবতী মন্দির, নরসুন্দা লেকসিটি, দিল্লির আখড়া, সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, পাগলা মসজিদ, ইটনা হাওর, শোলাকিয়া জামে মসজিদ, ইটনা শাহী মসজিদ, সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ী, জঙ্গলবাড়ি দুর্গ, এগারসিন্দুর দুর্গ, গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি, কুতুব শাহ্ মসজিদ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে কিশোরগঞ্জ পৌঁছানো যায়।
ঢাকার গুলিজায়গা/গোলাপবাগ থেকে অনন্যা, যাতায়াত নন-এসি বাসে পাকুন্দিয়া হয়ে কিশোরগঞ্জ যাওয়া যায়।
তাছাড়া রেলপথে, কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, এগারসিন্ধু গোধূলি ও এগারসিন্ধু প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনে কিশোরগঞ্জ পৌঁছাতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জ পৌঁছে জায়গাীয় পরিবহণে পাকুন্দিয়া উপজেলা হয়ে এগারসিন্ধুর গ্রামে রয়েছে শেখ মাহমুদ শাহ্ মসজিদে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কিশোরগঞ্জ জেলার ষ্টেশন রোডে হোটেল রিভারভিউ, হোটেল উজানভাটি, হোটেল গাংচিল, ক্যাসেল সালাম আবাসিক ও হোটেল মোবারক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে কিশোরগঞ্জ পৌঁছানো যায়। ঢাকার গুলিজায়গা/গোলাপবাগ থেকে অনন্যা, যাতায়াত নন-এসি বাসে পাকুন্দিয়া হয়ে কিশোরগঞ্জ যাওয়া যায়। তাছাড়া রেলপথে, কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, এগারসিন্ধু গোধূলি ও এগারসিন্ধু প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনে কিশোরগঞ্জ পৌঁছাতে পারবেন। কিশোরগঞ্জ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কিশোরগঞ্জ জেলার ষ্টেশন রোডে হোটেল রিভারভিউ, হোটেল উজানভাটি, হোটেল গাংচিল, ক্যাসেল সালাম আবাসিক ও হোটেল মোবারক প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে এক গম্বুজ বিশিষ্ট প্রাচীন শেখ মাহমুদ শাহ্ মসজিদ (Sheikh Mahmud Shah Mosque) রয়েছে। শাহ মাহমুদ মসজিদের চারকোণে চারটি আট কোণাকৃতির বুরুজ, পূর্ব দিকের দেয়ালে ৩টি দরজা, পশ্চিম দেয়ালে পোড়ামাটির চিত্রফলক নির্মিত তিনটি মেহরাব রয়েছে। কিশোরগঞ্জ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
