দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের সমাধিস্থল (চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বা রণ সমাধিক্ষেত্র) চট্রগ্রামের মেহেদীবাগ গোল পাহাড় অঞ্চলর বাদশা মিয়া রোডে রয়েছে। সেখানে ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের ইতিহাস ও মানচিত্র জায়গা পেয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি সম্পর্কে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের আক্রমণে নিহত মিত্রবাহিনীর সৈনিকদের এখানে সমাহিত করা হয়। প্রতি বছর ১১ নভেম্বর কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর হাইকমিশনার এবং প্রতিনিধিগণ চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সমাধিক্ষেত্রটি কমনওয়েলথ গ্রেইভস কমিশন রক্ষণাবেক্ষণ করে।
আর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে থাকতে গেলে এক রাতের জন্য গুনতে হবে ১৮০০০ টাকা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে প্রবেশের সময়চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি সপ্তাহে ৭ দিনই ভ্রমণকারীদের জন্য খোলা থাকে।
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কোথায় খাবেন
যদি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখতে চান যদিও পৌঁছাতে পারবেন হোটেল জামান-এ। শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৮০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪০৫-১৩৯৮ টাকা।
একটু যাচাই করে আপনার সুবিধামত হোটেল ম্যানেজ করার সুযোগ পাবেন নিশ্চিন্তে। উপরে উল্লেখিত আবাসিক হোটেল এছাড়াও চট্রগ্রামের নানা অঞ্চলতে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। সমাধিস্থল অঞ্চলয় বসা নিষেধ, দেখে চলে আসুন।
হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। পরামর্শসমাধিস্থলের পবিত্রতা রক্ষা ও সম্মান প্রদর্শন করুন। এছাড়া বৃষ্টির সময় এবং যেদিন সেমিট্রিতে ঔষুধ প্রদান করা হয় সেদিন ওয়ার সেমিট্রিতে ভেতরে যেতে দেয়া হয় না।
সমাধিস্থলের আয়তন প্রায় ৭ একর এবং এখানে ৭৫৫ জন সৈনিকের সমাধি রয়েছে। ওয়ার সিমেট্রিতে রয়েছে প্রায় ৪০ প্রজাতির বৃক্ষরাজি ও শতাধিক দেশি-বিদেশি ফুলের গাছ। ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ও চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে জিইসি মোড় (জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি) এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে নিজাম রোড হয়ে সহজেই চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে পৌঁছাতে পারবেন। বেদির পরই রয়েছে একটা ছোট্ট প্রার্থনা ঘর। হোটেল নাবা ইন হোটেলের রুম ভাড়া ৩০০০ থেকে শুরু।
সমাধিস্থলের ভিতরে খাওয়া-দাওয়া, ধূমপান এবং দাঁড়িয়ে গল্প করবেন না। হোটেল অবকাশ রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে ছড়িয়ে আছে বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডি, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। পাহাড়ের ভাঁজে রয়েছে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রির সাজানো গোছানো শান্ত আবহ আপনার মনে শোকের আবহ তৈরী করবে। প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়।
হোটেল সিলমুন প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল এশিয়ান এসআর রুম ভাড়া ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
রাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামাউন্ট রুম ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
আর মেজবানি খাবারের জন্য পৌঁছাতে পারবেন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোরায়। চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রির (Chittagong War Cemetery) প্রধান ফটক পাড় হলেই সমাধিস্থলের মাঝখানে একটা ক্রুশ চিহ্নিত বেদি দেখা যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে বেশকিছু এয়ারলাইন্স সরাসরি চট্টগ্রামগামী ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।
কীভাবে যাবেন
ওয়ার সিমেন্ট্রি দেখতে হলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। আরও পড়ুনডিসি পার্ক চট্টগ্রামগানার্স ট্রেনিং এরিয়া – চট্টগ্রাম
কীভাবে যাবেন?
ওয়ার সিমেন্ট্রি দেখতে হলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে।
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে জিইসি মোড় (জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি) এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে নিজাম রোড হয়ে সহজেই চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে পৌঁছাতে পারবেন।
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৮০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪০৫-১৩৯৮ টাকা।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন?
রাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। হোটেল সিলমুন প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামাউন্ট রুম ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল নাবা ইন হোটেলের রুম ভাড়া ৩০০০ থেকে শুরু। উপরে উল্লেখিত আবাসিক হোটেল এছাড়াও চট্রগ্রামের নানা অঞ্চলতে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে থাকতে গেলে এক রাতের জন্য গুনতে হবে ১৮০০০ টাকা। হোটেল অবকাশ রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। হোটেল এশিয়ান এসআর রুম ভাড়া ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা। একটু যাচাই করে আপনার সুবিধামত হোটেল ম্যানেজ করার সুযোগ পাবেন নিশ্চিন্তে।
কোথায় খাবেন?
যদি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখতে চান যদিও পৌঁছাতে পারবেন হোটেল জামান-এ। সমাধিস্থলের ভিতরে খাওয়া-দাওয়া, ধূমপান এবং দাঁড়িয়ে গল্প করবেন না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। পরামর্শ সমাধিস্থলের পবিত্রতা রক্ষা ও সম্মান প্রদর্শন করুন। সমাধিস্থল অঞ্চলয় বসা নিষেধ, দেখে চলে আসুন। আর মেজবানি খাবারের জন্য পৌঁছাতে পারবেন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোরায়। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে ছড়িয়ে আছে বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডি, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আরও পড়ুনডিসি পার্ক চট্টগ্রামগানার্স ট্রেনিং এরিয়া – চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি কীভাবে যাবেন?
ওয়ার সিমেন্ট্রি দেখতে হলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে জিইসি মোড় (জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি) এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে নিজাম রোড হয়ে সহজেই চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিতে পৌঁছাতে পারবেন। ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। হোটেল সিলমুন প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন
চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের সমাধিস্থল (চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বা রণ সমাধিক্ষেত্র) চট্রগ্রামের মেহেদীবাগ গোল পাহাড় অঞ্চলর বাদশা মিয়া রোডে রয়েছে। সেখানে ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের ইতিহাস ও মানচিত্র জায়গা পেয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের আক্রমণে নিহত মিত্রবাহিনীর সৈনিকদের এখানে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
