নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বদিকে রয়েছে প্রাচীন এক জল দুর্গের নাম সোনাকান্দা দুর্গ (Sonakanda Fort)। কিন্তু মুসলমানের তাবুতে রাত কাটানোর কারণে তার জাত গেছে এই অভিযোগ এনে স্বর্ণময়ীকে আর ফেরত নেয়া হয়নি।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সোনাকান্দা দুর্গ সম্পর্কে
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গুলিজায়গা থেকে বাসে নারায়ণগঞ্জ পৌঁছানো যায়। মোঘল আমলে নির্মিত এই কেল্লাকে ঘিরে বিচিত্র ধরনের কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। তাছাড়া পশ্চিম দেওয়ালের মধ্যবর্তী জায়গাে দুর্গের মূল বেদী রয়েছে।
দুর্গটিতে একটা বিশাল কামান প্ল্যাটফর্ম ও উত্তরমুখী প্রবেশ তোরণ আছে। কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার দর্শনীয় জায়গাগুলো দেখে সন্ধ্যার মধ্যে পূনরায় ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জ শহরের হোটেল মেহরান, হোটেল সোনালি, হোটেল নারায়ণগঞ্জ, হোটেল সুগন্ধা, হোটেল সুরমা ও হোটেল রুপায়ন ইত্যাদিকে বেছে নিতে পারেন।
কোথায় খাবেননারায়নগঞ্জ শহরে রেলগেট অঞ্চলয় বেশ কিছু খাবারের হোটেল আছে। ধারণা করা হয়, ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন বাংলা সুবেদার মীর জুমলা বাংলার গুরত্বপূর্ণ শহর গুলোতে জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে রক্ষার উদ্যেশ্যে ঢাকার কাছাকাছি যে তিনটি জল দুর্গ নির্মাণ করেন তাদের মধ্যে সোনাকান্দা কেল্লা অন্যতম। বাংলার বার ভূঁইয়ার অন্যতম বীর ঈশা খাঁ তৎকালীন সময়ে এই দুর্গ ব্যবহার করতেন।
মনে করা হয়, তাঁর নামানুসারে দুর্গের নামকরন করা হয়েছে সোনার কান্দা বা সোনাকান্দা দূর্গ। প্রাচীরের মধ্যে গোলা নিক্ষেপের জন্য রয়েছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র। বিশাল আয়তনের আত্নরক্ষাকারী প্রাচীর ও পশ্চিম দিকে জলদস্যুর আক্রমণ থেকে রক্ষাকারী উঁচু মঞ্চ দুর্গের দুইটি উল্লেখযোগ্য অংশ।
এরপর থেকে স্বর্ণময়ী ঈশা খাঁর তাবুতে থাকতেন। কথিত আছে, রাজা কেদার রায়ের মেয়ে স্বর্ণময়ী লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নান করাকালীন সময়ে একদল ডাকাত তাকে অপহরণ করলে ঈশা খাঁ তাকে উদ্ধার করে কেদার রায়ের কাছে ফেরত পাঠাতে চান। নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নং লঞ্চ ঘাট থেকে নৌকা দিয়ে বন্দর উপজেলার ঘাটে নেমে রিকশায় সোনাকান্দা দুর্গে যেতে পারবেন।
প্রায় ২ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত চতুষ্কোণ আকৃতির দুর্গের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশ ১৫.৭০ মিটার ও ১৯.৩৫ মিটার ব্যাস বিশিষ্ট, যার চারপাশে ৬.০৯ মিটার পুরুত্ব বিশিষ্ট উঁচু সুরক্ষা প্রাচীর রয়েছে। এখন এই দুর্গটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর অধিদপ্তরের অধীনে একটা সংরক্ষিত নিদর্শন। নারায়ণগঞ্জ শহরে মনির রেস্তোরা, নিরিবিলি রেস্তোরাঁ, শাহী রেস্তোরাঁ, নিউ ঘরোয়া, খাবার ঘর ও নানা বিরিয়ানি হাউজের মতো জায়গাীয়ভাবে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গানারায়ণগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে পানাম নগর, সোনারগাঁও জাদুঘর, জিন্দা পার্ক, মুড়াপারা জমিদার বাড়ী, মায়াদ্বীপ, বাংলার তাজমহল ও গোয়ালদি মসজিদ উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গুলিজায়গা থেকে বাসে নারায়ণগঞ্জ পৌঁছানো যায়।
নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নং লঞ্চ ঘাট থেকে নৌকা দিয়ে বন্দর উপজেলার ঘাটে নেমে রিকশায় সোনাকান্দা দুর্গে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার দর্শনীয় জায়গাগুলো দেখে সন্ধ্যার মধ্যে পূনরায় ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জ শহরের হোটেল মেহরান, হোটেল সোনালি, হোটেল নারায়ণগঞ্জ, হোটেল সুগন্ধা, হোটেল সুরমা ও হোটেল রুপায়ন ইত্যাদিকে বেছে নিতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
নারায়নগঞ্জ শহরে রেলগেট অঞ্চলয় বেশ কিছু খাবারের হোটেল আছে। নারায়ণগঞ্জ শহরে মনির রেস্তোরা, নিরিবিলি রেস্তোরাঁ, শাহী রেস্তোরাঁ, নিউ ঘরোয়া, খাবার ঘর ও নানা বিরিয়ানি হাউজের মতো জায়গাীয়ভাবে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সোনাকান্দা দুর্গ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গুলিজায়গা থেকে বাসে নারায়ণগঞ্জ পৌঁছানো যায়। নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নং লঞ্চ ঘাট থেকে নৌকা দিয়ে বন্দর উপজেলার ঘাটে নেমে রিকশায় সোনাকান্দা দুর্গে যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার দর্শনীয় জায়গাগুলো দেখে সন্ধ্যার মধ্যে পূনরায় ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে নারায়ণগঞ্জ শহরের হোটেল মেহরান, হোটেল সোনালি, হোটেল নারায়ণগঞ্জ, হোটেল সুগন্ধা, হোটেল সুরমা ও হোটেল রুপায়ন ইত্যাদিকে বেছে নিতে পারেন।
সোনাকান্দা দুর্গ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বদিকে রয়েছে প্রাচীন এক জল দুর্গের নাম সোনাকান্দা দুর্গ (Sonakanda Fort)। কিন্তু মুসলমানের তাবুতে রাত কাটানোর কারণে তার জাত গেছে এই অভিযোগ এনে স্বর্ণময়ীকে আর ফেরত নেয়া হয়নি। কীভাবে যাবেনঢাকার গুলিজায়গা থেকে বাসে নারায়ণগঞ্জ পৌঁছানো যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

