ঢাকা হতে দিনে গিয়ে দিনে ঘুরে আসা যায় এমন জায়গাের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবদি (Sabdi) একটা আকর্ষণীয় ভ্রমণ জায়গা। পুরো গ্রাম বাহারি ফুলের রঙে রঙিন হয়ে উঠে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

ফুলের গ্রাম সাবদি সম্পর্কে
এছাড়া সাবদি বাজারের সুরভি হোটেলে নানা পদের ভর্তা ভাজি পাওয়া যায়। একদিনের ট্যুর প্ল্যানসকাল ১০টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ অবজায়গা করার চেষ্টা করুন।
কীভাবে যাবেন
সাবদি যাওয়ার জন্য প্রথমে গুলিজায়গাের বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইট কিংবা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সামনে থেকে উৎসব, শীতল, বন্ধন বা বিআরটিসির এসি/নন-এসি বাসে নারায়ণগঞ্জের চাষারা অথবা বন্দরের ২ নাম্বার ঘাটের কাছে চলে আসুন। এছাড়া যদি নিজস্ব পরিবহণ বা প্রাইভেট কারে চড়ে সাবদি যেতে চান যদিও কাঁচপুর ব্রিজ অতিক্রম করে মদনপুর হয়ে বন্দর সদর রোড ধরে ৮ কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই সাবদি গ্রামে পৌঁছে যাবেন। সতর্কতাসৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে যেন ফুল চাষীদের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
ফুল চাষকে ঘিরে চলে গ্রামের চাষীদের ব্যস্ততা। সুপরিচিত মাওরা হোটেলে গরু ভুনা আর কচু শাক দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন। দিগন্তজোড়া ফুলের রাজ্য থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্যের অসাধারণ সৌন্দর্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে।
কোথায় খাবেন
সাবদি গ্রামে প্রতি শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক খাবার বৌয়া (এক ধরনের ভাত) পাওয়া যায়। খাওয়া দাওয়া সেরে বিকেল বেলা কাটিয়ে দিতে পারেন নদী পাড়ের প্রকৃতির দৃশ্য দেখতে দেখতে। দুপুর বেলা সুপরিচিত মাওরা হোটেলের গরু ভুনা ও কচু শাক দিয়ে ভাত খেতে পারেন।
এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে গোলাপ, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবেরা, কসমস, ডেইজি জিপসি, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা ইত্যাদি নানা ধরনের ফুলের চাষ করা হয়। এরপর আপনার সর্বশেষ অবজায়গা থেকে দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে নদী পাড়ে চলে আসুন। নদী পার হয়ে নিজের ইচ্ছে মতো একে একে সাবদি গ্রামের সকল দর্শনীয় জায়গাগুলো ঘুরে দেখে ফেলুন।
চাইলে নদীতে নেমে শরীর জুড়িয়ে নিয়ার পাশাপাশি নৌকায় চড়ে চারপাশ ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। আর অবশ্যই বোস কেবিনের কাটলেট খেতে ভুলবেন না। আর অবশ্যই বোস কেবিনের কাটলেট খেতে ভুলবেন না।
আপনার ব্যবহৃত বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে আবহের ক্ষতি করবেন না। ফুলের গ্রাম সাবদি-তে সময় কাটানোর জন্য আরও আছে প্রেমতলা, কদম রসুল দরগা, সিরাজ শাহর মাজার কমপ্লেক্স, সোনাকান্দা দুর্গ, ছোট একটা পার্ক এবং লক্ষ্মণবন্দে নদীর পাড়। লঞ্চ ঘাটে এসে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় নদী পার হয়ে অটো/ইজিবাইক রিজার্ভ নিয়ে সহজেই ফুলের গ্রাম সাবদি সহ আশেপাশের অন্য সকল দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
যা নানা ধরনের ভর্তার সাথে খেতে খুবই সুস্বাদু। তখন সাবদি গ্রামে প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণকারীদের পদচারণা বৃদ্ধি পায়। চাষারা নামলে রিকশা বা অন্য পরিবহণে লঞ্চ ঘাটে আসতে হবে।
শীতকালে সাবদি গ্রামের ফসলের ক্ষেতগুলো হলুদ সরিষা ফুলে ভরে উঠে। জায়গাীয়দের সাথে ভদ্র ব্যবহার করুন।
কীভাবে যাবেন?
সাবদি যাওয়ার জন্য প্রথমে গুলিজায়গাের বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইট কিংবা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সামনে থেকে উৎসব, শীতল, বন্ধন বা বিআরটিসির এসি/নন-এসি বাসে নারায়ণগঞ্জের চাষারা অথবা বন্দরের ২ নাম্বার ঘাটের কাছে চলে আসুন।
চাষারা নামলে রিকশা বা অন্য পরিবহণে লঞ্চ ঘাটে আসতে হবে।
লঞ্চ ঘাটে এসে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় নদী পার হয়ে অটো/ইজিবাইক রিজার্ভ নিয়ে সহজেই ফুলের গ্রাম সাবদি সহ আশেপাশের অন্য সকল দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
এছাড়া যদি নিজস্ব পরিবহণ বা প্রাইভেট কারে চড়ে সাবদি যেতে চান যদিও কাঁচপুর ব্রিজ অতিক্রম করে মদনপুর হয়ে বন্দর সদর রোড ধরে ৮ কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই সাবদি গ্রামে পৌঁছে যাবেন।
কোথায় খাবেন?
সাবদি গ্রামে প্রতি শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক খাবার বৌয়া (এক ধরনের ভাত) পাওয়া যায়। এছাড়া সাবদি বাজারের সুরভি হোটেলে নানা পদের ভর্তা ভাজি পাওয়া যায়। সতর্কতা সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে যেন ফুল চাষীদের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। যা নানা ধরনের ভর্তার সাথে খেতে খুবই সুস্বাদু। আপনার ব্যবহৃত বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে আবহের ক্ষতি করবেন না। দুপুর বেলা সুপরিচিত মাওরা হোটেলের গরু ভুনা ও কচু শাক দিয়ে ভাত খেতে পারেন। আর অবশ্যই বোস কেবিনের কাটলেট খেতে ভুলবেন না। জায়গাীয়দের সাথে ভদ্র ব্যবহার করুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ফুলের গ্রাম সাবদি কীভাবে যাবেন?
সাবদি যাওয়ার জন্য প্রথমে গুলিজায়গাের বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইট কিংবা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সামনে থেকে উৎসব, শীতল, বন্ধন বা বিআরটিসির এসি/নন-এসি বাসে নারায়ণগঞ্জের চাষারা অথবা বন্দরের ২ নাম্বার ঘাটের কাছে চলে আসুন। চাষারা নামলে রিকশা বা অন্য পরিবহণে লঞ্চ ঘাটে আসতে হবে। লঞ্চ ঘাটে এসে ইঞ
ফুলের গ্রাম সাবদি-এর কাছে কোথায় খাবেন?
সাবদি গ্রামে প্রতি শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক খাবার বৌয়া (এক ধরনের ভাত) পাওয়া যায়। এছাড়া সাবদি বাজারের সুরভি হোটেলে নানা পদের ভর্তা ভাজি পাওয়া যায়। সতর্কতা সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে যেন ফুল চাষীদের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। যা নানা ধরনের ভর্তার সাথে খেতে খুবই সুস্বাদু। আপনার ব্যবহৃ
ফুলের গ্রাম সাবদি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঢাকা হতে দিনে গিয়ে দিনে ঘুরে আসা যায় এমন জায়গাের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবদি (Sabdi) একটা আকর্ষণীয় ভ্রমণ জায়গা। পুরো গ্রাম বাহারি ফুলের রঙে রঙিন হয়ে উঠে। এছাড়া সাবদি বাজারের সুরভি হোটেলে নানা পদের ভর্তা ভাজি পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

