জাতি হিসাবে বাঙালিরা ভোজন প্রিয় এবং এই কথাটি সকল বাঙালিদের ক্ষেত্রেই কম বেশী প্রযোজ্য। দেশের আর অন্য কোথাও এই মিষ্টি বিক্রয় করা হয় না।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি সম্পর্কে
দেশী গরুর দুধ ও চিনির মিশ্রণে তৈরী অন্যোন্য স্বাদের এই মিষ্টি বেলা ৩ টার পর আর অবশিষ্ট থাকে না। বংশানুক্রমে এই মিষ্টি তৈরীর কৌশল শুধু তাদের পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও কুয়েত সহ বিশ্বের নানা দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
রসহীন হওয়ার কারণে কোন সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছাড়াই প্রায় ১ সপ্তাহ এবং ফ্রিজে রাখলে প্রায় ১ মাস পর্যন্ত এই মিষ্টির স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকে। মেহেরপুর জেলার তেমনি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের নাম সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি (Sabitri and Rosh Kodom Sweet)। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা।
ব্রিটিশ শাসনামলে মেহেরপুরের আদি বাসিন্দা বাসুদেব প্রধান সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি তৈরির কৌশল আবিষ্কার করেন। কোন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি সে এলাকাের ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়ায় বাঙালীদের জুড়ি মেলা ভার। কোথায় পাবেনসাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি শুধুকেবল মেহেরপুরে রয়েছে বাসুদেব গ্র্যান্ড সন্স দোকানে বিক্রি করা হয়।
এখন বাসুদেব গ্র্যান্ড সন্স নামের দ্বিতল ভবনের নিচতলায় বাসুদেবের দুই নাতি বিকাশ কুমার সাহা ও অনন্ত কুমার সাহা অসাধারণ স্বাদের এই মিষ্টি তৈরী করে চলেছেন।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব প্রায় ২৬১ কিলোমিটার। তাই এখান থেকে মিষ্টি কিনতে চাইলে অগ্রিম অর্ডার করতে হয়। প্রত্যেক দিন ক্রেতাদের অগ্রিম অর্ডারের বাইরে তেমন অতিরিক্ত মিষ্টি তৈরি করা হয় না, ফলে দিনে গিয়ে মিষ্টি পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
মেহেরপুর জেলা সদরের মহিলা কলেজ মোড় থেকে কেবল ৫০ মিটার দক্ষিণে সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি এককেবল প্রাপ্তিজায়গা বাসুদেব গ্র্যান্ড সন্স দোকানের অবজায়গা। বাংলাদেশে অন্য কোন জেলায় সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি পাওয়া যায় না। ১৮৬১ সাল থেকে পুরো বাংলাদেশ এবং বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে গেছে সাবিত্রী ও রসকদম্ব নামের দুইটি রসহীন (নীরস) মিষ্টির সুনাম।
বাসে চড়ে মেহেরপুর যেতে ৬-৭ ঘন্টা সময় লাগে। কোথায় থাকবেনমেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য। মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, মেহেরপুর ডিলাক্স, জে.আর পরিবহন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
আবার এলাকা ভেদে রয়েছে খাবারের স্বাদের বৈচিত্রতা।
কোথায় খাবেন
মেহেরপুরে নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। প্রচুর চাহিদা থাকার পরও পরিবারের বাইরে কাউকে কাজে না নেওয়ার কারণে প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট পরিমান মিষ্টি তৈরি করা হয়। আমের মৌসুমে মেহেরপুর ভ্রমণে গেলে সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি ছাড়াও পাকা আমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব প্রায় ২৬১ কিলোমিটার।
বাসে চড়ে মেহেরপুর যেতে ৬-৭ ঘন্টা সময় লাগে।
বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা।
মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, মেহেরপুর ডিলাক্স, জে.আর পরিবহন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
মেহেরপুর জেলা সদরের মহিলা কলেজ মোড় থেকে কেবল ৫০ মিটার দক্ষিণে সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি এককেবল প্রাপ্তিজায়গা বাসুদেব গ্র্যান্ড সন্স দোকানের অবজায়গা।
কোথায় থাকবেন?
মেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
মেহেরপুরে নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। আমের মৌসুমে মেহেরপুর ভ্রমণে গেলে সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি ছাড়াও পাকা আমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব প্রায় ২৬১ কিলোমিটার। বাসে চড়ে মেহেরপুর যেতে ৬-৭ ঘন্টা সময় লাগে। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ৮০০-১৩০০ টাকা। মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, মেহেরপুর
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য।
সাবিত্রী ও রসকদম্ব মিষ্টি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
জাতি হিসাবে বাঙালিরা ভোজন প্রিয় এবং এই কথাটি সকল বাঙালিদের ক্ষেত্রেই কম বেশী প্রযোজ্য। দেশের আর অন্য কোথাও এই মিষ্টি বিক্রয় করা হয় না। দেশী গরুর দুধ ও চিনির মিশ্রণে তৈরী অন্যোন্য স্বাদের এই মিষ্টি বেলা ৩ টার পর আর অবশিষ্ট থাকে না।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

