ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার কুলিক নদীর তীরে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি রয়েছে। তিনি কাতিহারে ঘোষ বা গোয়ালা বংশীয় জমিদারের শ্যামরাইয়ের মন্দিরের সেবায়েতে নিযুক্ত ছিলেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি সম্পর্কে
রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে রয়েছে কাছারিবাড়ি, দুটি পুকুর, ২০০ মিটার দূরে রামচন্দ্র (জয়কালী) মন্দির। ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রায় ১০ একর জমির উপর বুদ্ধিনাথ চৌধুরী জমিদার বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করলেও রাজা টংকনাথের হাতে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে ঠাকুরগাঁও আসা যায়। জানা যায় রামচন্দ্র মন্দিরটি রাজা টংকনাথের রাজবাড়ির চেয়েও বহু প্রাচীন। নিঃসন্তান গোয়ালা জমিদার কাশীবাসে যাওয়ার আগে তাম্রপাতে দলিল করে জমিদারি সেবায়েতের তত্ত্বাবধানে রেখে যান।
জমিদার আর ফিরে না আসায় দলিল মোতাবেক বুদ্ধিনাথ চৌধুরী জমিদারি লাভ করেন। এইসকল পরিবহনের জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া নন-এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১০০০-১৬০০ টাকা। ঠাকুরগাঁও থেকে বাস বা সিএনজিযোগে রাণীশংকৈল বাস স্ট্যান্ড এসে ভ্যান বা মোটরসাইকেল দিয়ে বাচোর ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনের পাশে রয়েছে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি দেখতে আসতে পারবেন।
আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য। এখন প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজবাড়ির পশ্চিমদিকে সিংহদরজার চূড়ায় দিক নির্দেশক লৌহদন্ডে S.N.E.W চিহ্ন অঙ্কিত রয়েছে।
কোথায় খাবেন
রাণীশংকৈলে মৌচাক রেস্তোরাঁে খেতে পারেন। ১৯২৫ সালে ব্রিটিশ সরকার টংকনাথকে চৌধুরী উপাধিতে ভূষিত করেন এবং দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজনাথ রায়ের নিকট থেকে রাজা উপাধি লাভ করেন। কথিত আছে, রাজা টংকনাথের পিতা বুদ্ধিনাথ চৌধুরী ছিলেন মৈথিলি ব্রাহ্মণ।
যদিও আমের সিজনে ঠাকুরগাঁও গেলে অবশ্যই সুপরিচিত সূর্যপুরী আম খেয়ে আসবেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে মন্দির বহু ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সড়ক পথে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও এর পথে বেশকিছু বাস সার্ভিস চলাচল করে তাদের মধ্যে কর্ণফুলী পরিবহন (01674-805164), হানিফ এন্টারপ্রাইজ, নাবিল পরিবহন, এনা, হানিফ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ এবং কেয়া পরিবহন অন্যতম।
কোথায় থাকবেন
ঠাকুরগাঁও এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর হতে রাজা টংকনাথের রাজবাড়িটি (Raja Tonkonath’s Palace) ৪০ কিলোমিটার এবং রাণীশংকৈল উপজেলা হতে ১.৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া খাবারের প্রাত্যহিক চাহিদা পূরণের জন্য এখানে সাধারণ মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন। ঠাকুরগাঁও যেতে ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেণীভেদে ৬৯৫ থেকে ২,৪৪৮ টাকা লাগবে। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর থেকে একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ঠাকুরগাঁও এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
আরও পড়ুনমণিপুরী রাজবাড়ি
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে ঠাকুরগাঁও আসা যায়।
সড়ক পথে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও এর পথে বেশকিছু বাস সার্ভিস চলাচল করে তাদের মধ্যে কর্ণফুলী পরিবহন (01674-805164), হানিফ এন্টারপ্রাইজ, নাবিল পরিবহন, এনা, হানিফ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ এবং কেয়া পরিবহন অন্যতম।
এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর থেকে একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ঠাকুরগাঁও এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
ঠাকুরগাঁও যেতে ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেণীভেদে ৬৯৫ থেকে ২,৪৪৮ টাকা লাগবে।
এইসকল পরিবহনের জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া নন-এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১০০০-১৬০০ টাকা।
ঠাকুরগাঁও থেকে বাস বা সিএনজিযোগে রাণীশংকৈল বাস স্ট্যান্ড এসে ভ্যান বা মোটরসাইকেল দিয়ে বাচোর ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনের পাশে রয়েছে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি দেখতে আসতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঠাকুরগাঁও এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
রাণীশংকৈলে মৌচাক রেস্তোরাঁে খেতে পারেন। এছাড়া খাবারের প্রাত্যহিক চাহিদা পূরণের জন্য এখানে সাধারণ মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন। যদিও আমের সিজনে ঠাকুরগাঁও গেলে অবশ্যই সুপরিচিত সূর্যপুরী আম খেয়ে আসবেন। আরও পড়ুনমণিপুরী রাজবাড়ি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে ঠাকুরগাঁও আসা যায়। সড়ক পথে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও এর পথে বেশকিছু বাস সার্ভিস চলাচল করে তাদের মধ্যে কর্ণফুলী পরিবহন (01674-805164), হানিফ এন্টারপ্রাইজ, নাবিল পরিবহন, এনা, হানিফ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ এবং কেয়া পরিবহন অন্যতম। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর থেকে একতা এক্সপ্রেস, দ্
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঠাকুরগাঁও এ বেশকিছু সরকারি ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস রয়েছে। কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টার ন্যাশনাল, প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহ্ জালাল, হোটেল সাদেক উল্লেখযোগ্য।
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার কুলিক নদীর তীরে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি রয়েছে। তিনি কাতিহারে ঘোষ বা গোয়ালা বংশীয় জমিদারের শ্যামরাইয়ের মন্দিরের সেবায়েতে নিযুক্ত ছিলেন। রাজা টংকনাথের রাজবাড়িতে রয়েছে কাছারিবাড়ি, দুটি পুকুর, ২০০ মিটার দূরে রামচন্দ্র (জয়কালী) মন্দির।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

