মেহেরপুর জেলা শহর থেকে কেবল ৪ কিলোমিটার দূরে আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন গুলোর অবজায়গা। কীভাবে যাবেনরাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

আমদহ গ্রামের স্থাপত্য সম্পর্কে
পরীখা ঘেরা আমদহ গ্রামের স্থাপত্য (Architecture of Amda Village) নিদর্শন জায়গাের আয়তন প্রায় ১ বর্গকিলোমিটার। এখন এই প্রত্নজায়গাের তেমন কোন নিদর্শন অবশিষ্ট নেই যদিও আমদহ গ্রামের স্থাপত্য স্থলের মাটির নীচ থেকে প্রাপ্ত একটা প্রত্মতত্ব স্তম্ভ পুরাতন জেলা প্রশাসকের ভবনের সামনে স্থাপিত রয়েছে। যদিও বিশেষ খাবারের মধ্যে মেহেরপুর শহরের “সাবিত্রী” নামক মিষ্টি খেতে পারেন।
ঢাকা হতে মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, মেহেরপুর ডিলাক্স এবং জে.আর পরিবহন। মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা। কোথায় থাকবেনমেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে ইজিবাইক বা রিকশায় চড়ে আমদহ গ্রামের স্থাপত্য দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
মেহেরপুরে নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। আমদহ গ্রামের এই স্থাপত্য নিদর্শন গুলোকে রাজা গোয়ালা চৌধুরীর সাথে বগা দস্যুদের যুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত আবাসস্থল হিসাবে মনে করা হয়। বাসে মেহেরপুর যেতে ৬ ঘন্টা থেকে ৭ ঘন্টা সময় লাগে।
আর আমের মৌসুমে মেহেরপুর ভ্রমণে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার।
বাসে মেহেরপুর যেতে ৬ ঘন্টা থেকে ৭ ঘন্টা সময় লাগে।
মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা।
ঢাকা হতে মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, মেহেরপুর ডিলাক্স এবং জে.আর পরিবহন।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে ইজিবাইক বা রিকশায় চড়ে আমদহ গ্রামের স্থাপত্য দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
মেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
মেহেরপুরে নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। যদিও বিশেষ খাবারের মধ্যে মেহেরপুর শহরের “সাবিত্রী” নামক মিষ্টি খেতে পারেন। আর আমের মৌসুমে মেহেরপুর ভ্রমণে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আমদহ গ্রামের স্থাপত্য কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার। বাসে মেহেরপুর যেতে ৬ ঘন্টা থেকে ৭ ঘন্টা সময় লাগে। মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা। ঢাকা হতে মেহেরপুরগামী নানা বাস সার্ভিসে মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, পূর্বাশা, এম.এম. পরিবহন, দর্শনা ডিলা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মেহেরপুর জেলা শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের আবাস্থলগুলোর মধ্যে সার্কিট হাউজ, পৌর হল, ফিন টায়ার আবাসিক হোটেল, কামাল আবাসিক হোটেল এবং মিতা আবাসিক হোটেল উল্লেখযোগ্য।
আমদহ গ্রামের স্থাপত্য সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মেহেরপুর জেলা শহর থেকে কেবল ৪ কিলোমিটার দূরে আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন গুলোর অবজায়গা। কীভাবে যাবেনরাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে মেহেরপুর জেলার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার। পরীখা ঘেরা আমদহ গ্রামের স্থাপত্য (Architecture of Amda Village) নিদর্শন জায়গাের আয়তন প্রায় ১ বর্গকিলোমিটার।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
