মেহেরপুর জেলায় রয়েছে ইংরেজ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত আমঝুপি নীলকুঠি (Amjhupi Neelkuthi) বাংলাদেশের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কাজলা নদীর পাশে রয়েছে নীলকুঠিতে প্রবেশের জন্য দুইটি রাস্তা আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

আমঝুপি নীলকুঠি সম্পর্কে
কোথায় খাবেন
মেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়া গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
আমঝুপি নীলকুঠি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে। আর ভবনের বাইরে রয়েছে চমৎকার বাগান ও উদ্যান। মেহেরপুর (Meherpur) জেলা থেকে আমঝুপি নীলকুঠির দূরত্ব প্রায় ৭ কিলোমিটার।
১৯৭২ সালে প্রথম বাংলাদেশ সরকার আমঝুপি নীলকুঠি সংরক্ষণের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে। মূল ভবনের কক্ষগুলোর মধ্যে আছে খাবারের কক্ষ, হল রুম, অতিথিদের থাকার জায়গা এবং জলসা ঘর। এছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস।
মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত। রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর গমনকারী এস বি পরিবহন, জে আর, শ্যামলী এবং আর কে পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ছেড়ে যায়। বঙ্গবন্ধু সেতু কিংবা ফেরীতে পদ্মা সেতু পার হয়ে মেহেরপুর যাওয়া যায়।
৭৭ একরের বেশী জায়গাজুড়ে রয়েছে নীলকুঠি কমপ্লেক্সের মাঝখানে আছে ১৫ কক্ষ বিশিষ্ট মূল ভবন।
কোথায় থাকবেন
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। যদিও অবশ্যই আমের মৌসুমে মেহেরপুরে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না। ১৮০০ দশকে প্রতিষ্ঠার প্রথম দিকে এই ভবনটি নীলকুঠি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীতে এখানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অফিস চালু করা হয়।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে বাস কিংবা জায়গাীয় যেকোন পরিবহণ ব্যবস্থায় সরাসরি আমঝুপি নীলকুঠিতে যেতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লাগে। এছাড়া মেহেরপুর শহরে “সাবিত্রী” নামের মিষ্টির স্বাদ চেখে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
আমঝুপি নীলকুঠি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে।
এছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস।
মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।
রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর গমনকারী এস বি পরিবহন, জে আর, শ্যামলী এবং আর কে পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ছেড়ে যায়।
বঙ্গবন্ধু সেতু কিংবা ফেরীতে পদ্মা সেতু পার হয়ে মেহেরপুর যাওয়া যায়।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে বাস কিংবা জায়গাীয় যেকোন পরিবহণ ব্যবস্থায় সরাসরি আমঝুপি নীলকুঠিতে যেতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লাগে।
কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
মেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। যদিও অবশ্যই আমের মৌসুমে মেহেরপুরে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না। এছাড়া মেহেরপুর শহরে “সাবিত্রী” নামের মিষ্টির স্বাদ চেখে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আমঝুপি নীলকুঠি কীভাবে যাবেন?
আমঝুপি নীলকুঠি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে। এছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু পার হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস। মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত। রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে।
আমঝুপি নীলকুঠি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মেহেরপুর জেলায় রয়েছে ইংরেজ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত আমঝুপি নীলকুঠি (Amjhupi Neelkuthi) বাংলাদেশের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কাজলা নদীর পাশে রয়েছে নীলকুঠিতে প্রবেশের জন্য দুইটি রাস্তা আছে। কোথায় খাবেনমেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
