bangladesh · Editorial

পদ্মহেম ধাম

মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার দোসরপাড়া গ্রামে রয়েছে পদ্মহেম ধাম (Padmahema Dham) ফকির লালন শাহের একটা আশ্রম। বাউল বাড়ি হিসেবে পরিচিত নৈসর্গিক এই

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার দোসরপাড়া গ্রামে রয়েছে পদ্মহেম ধাম (Padmahema Dham) ফকির লালন শাহের একটা আশ্রম। মায়াময় প্রকৃতির মাঝে আরো নজরে পড়বে মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাঠের দোতলা ঘর, বৈঠকখানা ও লালনগীতি বিদ্যালয়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

পদ্মহেম ধাম

পদ্মহেম ধাম সম্পর্কে

মোল্লার বাজার এসে নদী পাড় হতে হবে বালুচর যাওয়ার জন্য। কোথায় খাবেনপদ্মহেম ধাম আশ্রমের ভিতরে খাবারের ব্যবস্থার জন্য হোটেল রয়েছে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার। চাইলে জায়গাীয়দের সাহায্য নিয়ে আশ্রমের বিশাল সবুজ মাঠে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন। মুন্সিগঞ্জের পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া, ভাগ্যকুলের মিষ্টি অন্যতম।

ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর ও মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জে যেতে পারবেন। সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায় হচ্ছে, ঢাকার পোস্তগোলা থেকে ৩০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় মোল্লার বাজার চলে আসুন। ঢাকা সদর ঘাট থেকে লঞ্চে মুন্সিগঞ্জ যেতে ২ ঘণ্টার মত সময় লাগে।

কোথায় থাকবেনঢাকা জেলার কাছাকাছি অবজায়গাের কারণে ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। নদী পাড় হয়ে অটোরিকশায় নিয়ে সরাসরি পদ্মহেম ধামে যাওয়া যায়। মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে বাইক/সিএনজি নিয়ে সিরাজদিখান উপজেলা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পদ্মহেম ধাম আশ্রম পৌঁছাতে পারবেন।

তাছাড়া শহরে রয়েছে রিভার ভিউ ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের খাবার বেশ ভালমানের। আর সিএনজি ঠিক করতে দরদাম করে নিন। নদীর অন্য পাড়ে যেতে জনপ্রতি ৫ টাকা ভাড়া নিবে।

আর তাই আশ্রম থেকে নদীর পাড়ে দাড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য বহু বেশী উপভোগ্য। বাউল বাড়ি হিসেবে পরিচিত নৈসর্গিক এই জায়গাে লালনের পদার্পণ না ঘটলেও প্রথম আলো পত্রিকার ফটো সাংবাদিক কবির হোসেন লালনের প্রতি ভক্তি প্রদর্শনপূর্বক এই আশ্রমটি গড়ে তুলেছেন। আশ্রমের পাশ দিয়ে তিনদিকে বাক নিয়ে চমৎকার মোহনার সৃষ্টি হওয়া ইছামতী নদী বহমান।

তাছাড়া গুলিজায়গাের গোলাপ শাহ মাজারের পাশ থেকে বেতকা, টঙ্গিবাড়ী বা সোনারংগামী বাসে সরাসরি সিরাজদিখান বাজারের গোয়ালবাড়ি নামক জায়গাে নেমে অটো/অটোরিকশায় চড়ে লালনের আশ্রম পদ্মহেম ধামে যেতে পারবেন। সে সময় জাপান, ভারতসহ নানা দেশ থেকে সাধু গুরুসহ বহু বাউল শিল্পী, গণ্যমান্য ব্যক্তি, ভ্রমণকারী ও লালনভক্তদের আগমন ঘটে। সম্পূর্ণ সিএনজি ভাড়া লাগবে প্রায় ২০০ টাকা।

ছায়া সুনিবির স্নিগ্ধ প্রকৃতির আবহ ও পাখ-পাখালির কলকাকলিতে পরিপূর্ণ পদ্মহেম ধামে ভেতরে যেতেই নজরে পড়বে লালনের অন্যতম নিদর্শন পাথরের তৈরি বিশাল একটা একতারা। পাশাপাশি রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্ট সহ আরও কিছু সাধারন মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। সন্ধ্যা থেকে সারারাত গান, চা ও পিঠার সাথে মুখর থাকে আশ্রম প্রাঙ্গণ।

ইছামতী নদী দিয়ে অধিকাংশ সময় নৌকায় সংসার গড়ে তোলা বেদেদের দল যেতে দেখতে পাওয়া যায়। আবার যানজট এড়িয়ে নদীপথে প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করতে করতে মুন্সিগঞ্জ পৌঁছানো যায়। পদ্মহেম ধামে ক্যাম্পিং করে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে।

আশ্রমের সামনের বিশাল খোলা মাঠে প্রাচীন বটগাছের নিচে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে শীতের সময় দুই পূর্ণিমা তিথিতে এই আশ্রমে লালন ফকিরের উৎসব, মেলা ও সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মুন্সিগঞ্জের দর্শনীয় জায়গামুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী ও মাওয়া ফেরি ঘাট উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার।

নদী পাড় হয়ে অটোরিকশায় নিয়ে সরাসরি পদ্মহেম ধামে যাওয়া যায়।

মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে বাইক/সিএনজি নিয়ে সিরাজদিখান উপজেলা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পদ্মহেম ধাম আশ্রম পৌঁছাতে পারবেন।

মোল্লার বাজার এসে নদী পাড় হতে হবে বালুচর যাওয়ার জন্য।

আবার যানজট এড়িয়ে নদীপথে প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করতে করতে মুন্সিগঞ্জ পৌঁছানো যায়।

আর সিএনজি ঠিক করতে দরদাম করে নিন।

কোথায় থাকবেন?

ঢাকা জেলার কাছাকাছি অবজায়গাের কারণে ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। চাইলে জায়গাীয়দের সাহায্য নিয়ে আশ্রমের বিশাল সবুজ মাঠে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্ট সহ আরও কিছু সাধারন মানের আবাসিক হোটেল পাবেন।

কোথায় খাবেন?

পদ্মহেম ধাম আশ্রমের ভিতরে খাবারের ব্যবস্থার জন্য হোটেল রয়েছে। তাছাড়া শহরে রয়েছে রিভার ভিউ ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের খাবার বেশ ভালমানের। মুন্সিগঞ্জের পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া, ভাগ্যকুলের মিষ্টি অন্যতম।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

পদ্মহেম ধাম কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার দূরত্ব কেবল ২৩ কিলোমিটার। নদী পাড় হয়ে অটোরিকশায় নিয়ে সরাসরি পদ্মহেম ধামে যাওয়া যায়। মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর থেকে বাইক/সিএনজি নিয়ে সিরাজদিখান উপজেলা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পদ্মহেম ধাম আশ্রম পৌঁছাতে পারবেন। মোল্লার বাজার এসে নদী পাড় হতে হবে বালুচর যাওয়ার জন্য। আবার যান

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ঢাকা জেলার কাছাকাছি অবজায়গাের কারণে ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। চাইলে জায়গাীয়দের সাহায্য নিয়ে আশ্রমের বিশাল সবুজ মাঠে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি রাতে থাকার ব্যবস্থাের প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার ও হোটেল কমফোর্ট সহ আরও কিছু সাধ

পদ্মহেম ধাম সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার দোসরপাড়া গ্রামে রয়েছে পদ্মহেম ধাম (Padmahema Dham) ফকির লালন শাহের একটা আশ্রম। মায়াময় প্রকৃতির মাঝে আরো নজরে পড়বে মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাঠের দোতলা ঘর, বৈঠকখানা ও লালনগীতি বিদ্যালয়। মোল্লার বাজার এসে নদী পাড় হতে হবে বালুচর যাওয়ার জন্য।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.