bangladesh · Editorial

সোনারং জোড়া মঠ

মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাচীন এক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সোনারং জোড়া মঠ (Sonarong Jora Moth)। মঠ হিসেবে...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে রয়েছে বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাচীন এক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সোনারং জোড়া মঠ (Sonarong Jora Moth)। ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী বা শ্রীনগর যেতে পারবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সোনারং জোড়া মঠ

সোনারং জোড়া মঠ সম্পর্কে

মুন্সিগঞ্জের পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুরি) ও ভাগ্যকুলের মিষ্টি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। মঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করলেও এটি মূলত একটা জোড়া মন্দির। চুন সুরকি নির্মিত পুরো দেয়াল বিশিষ্ট এই মঠের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ২১ ফুট এবং বড় মন্দিরের উচ্চতা ১৫ মিটার।

কোথায় খাবেনসোনারং জোড়া মঠ যাবার পথে হালকা খাবারের দোকান পাবেন। কথিত আছে, এই মন্দিরেই শ্রী রুপচন্দ্রের শেষকৃত্য সম্পন হয়েছিল। আর মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যে রিভার ভিউ, মারিয়া ফুড ক্যাফে ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের মতো বেশ কিছু উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।

আর প্রত্যেক মূল উপাসনালয় ঘরের সাথে আছে একটা করে বারান্দা। সোনারং জোড়া মন্দিরের সামনের দিকে রয়েছে বড় একটা পুকুর। নানা সময়ে দুর্বৃত্তরা মন্দির থেকে নানা মূল্যবান পাথর, কষ্টি পাথরের কলস, শিবলিঙ্গসহ বহু মূল্যবান জিনিপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

এখন মঠের উপরের দিকের খোড়লগুলোতে থাকা ঘুঘু, শালিক ও টিয়াসহ বিচিত্র জাতের পাখির কলকাকলীতে মুখরিত থাকে মন্দিরের চারপাশ। কোথায় থাকবেনঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সোনারং জোড়া মঠ দেখে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়। অসাধারণ কারুকার্যমণ্ডিত সোনারং জোড়া মঠের সৌন্দর্য কালের বিবর্তনে বহুটা বিলীন হলেও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে থাকা প্রাচীন এই মঠটি দেখতে দূর দুরান্ত থেকে বহু ভ্রমণকারী ভিড় করে।

প্রায় ২৪৬ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট অষ্টভুজাকৃতি সোনারং জোড়া মঠ ভারত উপমহাদেশের সর্বোচ্চ মঠ হিসাবে খ্যাত। আর বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা আছে।

মন্দিরের প্রস্থরলিপি অনুসারে, রুপচন্দ্র নামের এক হিন্দু বণিক ১৮৪৩ সালে বড় কালীমন্দির ও ১৮৮৬ সালে ছোট শিবমন্দিরটি নির্মাণ করেন এবং ১৮৩৬ সালে শম্ভুনাথ নামের এক ব্যাক্তি এই মঠ স্থাপন করেন। মন্দিরের গোলাকার গম্বুজাকৃতি ছাদের শিখরে রয়েছে একটা ত্রিশূল। শ্রীনগর বা টঙ্গীবাড়ী থেকে রিকশা, অটোরিকশা নিয়ে সোনারং জোড়া মঠে যেতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

সোনারং জোড়া মঠ দেখতে হলে মুন্সিগঞ্জ জেলার সোনারং গ্রামে রওনা দিতে হবে। মুন্সিগঞ্জের দর্শনীয় জায়গামুন্সিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী, আড়িয়াল বিল ও মাওয়া ফেরি ঘাট অন্যতম।

কীভাবে যাবেন?

সোনারং জোড়া মঠ দেখতে হলে মুন্সিগঞ্জ জেলার সোনারং গ্রামে রওনা দিতে হবে।

ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী বা শ্রীনগর যেতে পারবেন।

শ্রীনগর বা টঙ্গীবাড়ী থেকে রিকশা, অটোরিকশা নিয়ে সোনারং জোড়া মঠে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সোনারং জোড়া মঠ দেখে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা আছে। আর বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে পদ্মা, মাওয়া ও মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

সোনারং জোড়া মঠ যাবার পথে হালকা খাবারের দোকান পাবেন। আর মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যে রিভার ভিউ, মারিয়া ফুড ক্যাফে ও মুন্সির ঘরোয়া হোটেলের মতো বেশ কিছু উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। মুন্সিগঞ্জের পরিচিত খাবারের মধ্যে চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া (খুদের খিচুরি) ও ভাগ্যকুলের মিষ্টি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সোনারং জোড়া মঠ কীভাবে যাবেন?

সোনারং জোড়া মঠ দেখতে হলে মুন্সিগঞ্জ জেলার সোনারং গ্রামে রওনা দিতে হবে। ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী বা শ্রীনগর যেতে পারবেন। শ্রীনগর বা টঙ্গীবাড়ী থেকে রিকশা, অটোরিকশা নিয়ে সোনারং জোড়া মঠে যেতে পারবেন।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় সোনারং জোড়া মঠ দেখে দিনে গিয়ে দিনে ফিরে পৌঁছানো যায়। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে হোটেল থ্রি স্টার, হোটেল কমফোর্টের মতো সাধারণ মানের হোটেল এবং জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও সার্কিট হাউজের মতো সরকারী আবাসনের ব্যবস্থা আছে। আর বিলাস অসংখ্যল রিসোর্টের মধ্যে

সোনারং জোড়া মঠ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে রয়েছে বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাচীন এক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সোনারং জোড়া মঠ (Sonarong Jora Moth)। ঢাকার গুলিজায়গা, আবদুল্লাপুর বা মিরপুর থেকে মাওয়াগামী বাসে উঠে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী বা শ্রীনগর যেতে পারবেন। মুন্সিগঞ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.