খৈয়াছড়া ঝর্ণা (Khoiyachora Waterfall) চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাঁশের সাকো, আঁকাবাঁকা ক্ষেতের আইল, পাহাড়ী পথ, ছড়া, ঝিরিপথ ও পাহাড় পেরিয়ে খৈয়াছড়া ঝর্ণার মুখোমুখি হলে পথের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: খৈয়াছড়া ঝর্নায় ভেতরে যেতে ২০ টাকা মূল্যের টিকিট সংগ্রহ করতে হবে আর বিদেশী দর্শনার্থী হলে ৫ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে টিকিট করতে হবে।

খৈয়াছড়া ঝর্ণা সম্পর্কে
ফেনী স্টেশন থেকে ১০-১৫ টাকা রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড রওনা দিতে হবে। তবুও বিশেষ প্রয়োজনে ঝিরি পথের শুরুর জায়গা থেকে গাইড নিয়ে নিতে পারবেন। খৈয়াছড়া ঝর্ণা যাওয়ার উপায়ঢাকা থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণাঢাকা থেকে বাসে: ঢাকার যে কোন জায়গা থেকে চট্রগ্রামগামী যে কোন বাসে করে খৈয়াছড়া ঝর্ণা যেতে পারবেন।
আর যদি সম্পূর্ণ পথ ট্র্যাকিং করে যেতে চান যদিও জায়গাীয় যে কাউকে জিজ্ঞাসা করলে পথের সন্ধান পাবেন। এদের মধ্যে সৌদিয়া ও সাইমুন অন্যতম। আপনার পছন্দ মত বাসে এসে মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাজারের কাছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে নেমে রওনা দিতে হবে।
সাইমুন ও সৌদিয়ায় থাকতে আপনাকে ৩০০ থেকে ১৬০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া সীতাকুণ্ডের ফিরে এসে সৌদিয়া রেস্তোরা, আপন রেস্তোরা কিংবা আল আমিন রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খেতে পারবেন। শ্রেনী ভেদে ট্রেন ভাড়া জন প্রতি ২৬৫-৯০৯ টাকা।
কোথায় থাকবেন
খৈয়াছড়া ঝর্ণার কাছে ও বড়তাকিয়া বাজারে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে থাকতে চাইলে সেখানকার চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এই সব জায়গাীয় হোটেলে বহু স্বল্পমূল্যে খাবার খেতে পারবেন তবুও প্রয়োজনে দাম যাচাই করে নিতে পারেন। ট্রেনে আসতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেন পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ও উদয়ন এক্সপ্রেসে কিংবা মেইল ট্রেন জালালাবাদ এক্সপ্রেসে ফেনী স্টেশন পর্যন্ত এসে নেমে রওনা দিতে হবে।
এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল, এনা প্রভৃতি পরিবহনের নন এসি বাস ভাড়া ৪২০- ৪৮০ টাকা। সেখান থেকে লোকাল বাসে ৩০-৪০ টাকা ভাড়ায় মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাজারে নেমে রওনা দিতে হবে। চট্রগ্রাম থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণাচট্টগ্রাম নগরের অলংকার সিটি গেইট থেকে কিছু লোকাল বাসে করে মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাজারের কাছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে যাওয়া যায়।
সেখান থেকে লোকাল বাসে মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাজারের কাছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে নেমে রওনা দিতে হবে। গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা মেঠো পথ আর পাহাড়ের হাতছানিতে অনন্য খৈয়াছড়ার আবেদন উপেক্ষা করা বেশ কঠিন তাইতো প্রকৃতিপ্রেমীরা খৈয়াছড়া ঝর্ণাকে বাংলাদেশের ঝর্ণা রানী হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। ঝর্ণার শীতল জলে গা ভেজালে অপার্থিব প্রশান্তিতে মন ভরে উঠে।
কোথায় খাবেন
খৈয়াছড়া ঝর্ণায় যাবার পথে বেশ কিছু খাবার হোটেল পাবেন। রেললাইন পার হয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলে ঝিরির দেখা পাবেন। খৈয়াছড়া ঝর্ণার নয়টি ধাপ ও নান্দনিক সৌন্দর্য্য দেখে ভ্রমণপিয়াসী মানুষ প্রতিনিয়তই মুগ্ধ হচ্ছে।
ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে নেমে পূর্বদিকে গ্রামের রাস্তা ধরে মিনিট দশেক হাঁটার পর রেললাইন পাবেন। টিকিট মূল্যখৈয়াছড়া ঝর্নায় ভেতরে যেতে ২০ টাকা মূল্যের টিকিট সংগ্রহ করতে হবে আর বিদেশী দর্শনার্থী হলে ৫ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে টিকিট করতে হবে। সেখানে আপনার মেন্যু অনুযায়ী খাবারের অর্ডার করে ফেরার পথে খেয়ে যেতে পারবেন।
যদিও সীতাকুন্ডে আপনি থাকার জন্য জায়গাীয় কিছু হোটেল পাবেন। এসি বাসের মধ্যে গ্রিনলাইন, সৌদিয়া, সোহাগ, টি আর এইসব বাস ভাড়া ৮০০-১১০০ টাকা। সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে চালু হওয়া হোটেল সৌদিয়ায় বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে।
ফেনী স্টেশন থেকে ১০-১৫ টাকা রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড রওনা দিতে হবে। বড়তাকিয়া বাজার থেকে ৪.২ কিলোমিটার দূরত্বে খৈয়াছড়া ঝর্ণাটির অবজায়গা। সিলেট থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণাসিলেট থেকে বাস কিংবা ট্রেনে আসতে পারবেন।
পথে আরো ভ্রমণকারীর সন্ধান পাবেন তাই পথ হারাবার ভয় নেই বললেই চলে। যদিও মনে রাখা ভাল বিকাল ৫ টার পর এখানকার সব জায়গাীয় খাবার হোটেল বন্ধ হয়ে যায়। চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে উঠে নেমে রওনা দিতে হবে মিরসরাই এর আগে ঠাকুরদিঘী বাজারে।
এছাড়া সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে স্টার লাইন পরিবহনে ফেনী (ভাড়া ২৮০ টাকা) এসে লোকাল বাসে মিরসরাই এর বাজারের কাছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে আসতে পারবেন। জঙ্গলের ভেতর দিয়ে ঝিরিপথ ধরে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক হাঁটলে খৈয়াছড়া ঝর্ণার কাছে পৌঁছে যাবেন। বড়তাকিয়া বাজার থেকে খৈয়াছড়া ঝর্ণাখৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের কাছে এসে ১০০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় খৈয়াছড়া ঝর্ণার ঝিরির কাছে আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ট্রেনে: ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন আন্তঃনগর ট্রেনে এসে ফেনী স্টেশনে নামতে হবে। আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
খৈয়াছড়া ঝর্নায় ভেতরে যেতে ২০ টাকা মূল্যের টিকিট সংগ্রহ করতে হবে আর বিদেশী দর্শনার্থী হলে ৫ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে টিকিট করতে হবে।
কোথায় থাকবেন?
খৈয়াছড়া ঝর্ণার কাছে ও বড়তাকিয়া বাজারে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে থাকতে চাইলে সেখানকার চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সাইমুন ও সৌদিয়ায় থাকতে আপনাকে ৩০০ থেকে ১৬০০ টাকা খরচ করতে হবে। এদের মধ্যে সৌদিয়া ও সাইমুন অন্যতম। যদিও সীতাকুন্ডে আপনি থাকার জন্য জায়গাীয় কিছু হোটেল পাবেন। সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে চালু হওয়া হোটেল সৌদিয়ায় বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে।
কোথায় খাবেন?
খৈয়াছড়া ঝর্ণায় যাবার পথে বেশ কিছু খাবার হোটেল পাবেন। যদিও মনে রাখা ভাল বিকাল ৫ টার পর এখানকার সব জায়গাীয় খাবার হোটেল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া সীতাকুণ্ডের ফিরে এসে সৌদিয়া রেস্তোরা, আপন রেস্তোরা কিংবা আল আমিন রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খেতে পারবেন। সেখানে আপনার মেন্যু অনুযায়ী খাবারের অর্ডার করে ফেরার পথে খেয়ে যেতে পারবেন। এই সব জায়গাীয় হোটেলে বহু স্বল্পমূল্যে খাবার খেতে পারবেন তবুও প্রয়োজনে দাম যাচাই করে নিতে পারেন। আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
খৈয়াছড়া ঝর্ণা-এ প্রবেশ মূল্য কত?
খৈয়াছড়া ঝর্নায় ভেতরে যেতে ২০ টাকা মূল্যের টিকিট সংগ্রহ করতে হবে আর বিদেশী দর্শনার্থী হলে ৫ ডলার সমমূল্যের টাকা দিয়ে টিকিট করতে হবে।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খৈয়াছড়া ঝর্ণার কাছে ও বড়তাকিয়া বাজারে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে থাকতে চাইলে সেখানকার চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সাইমুন ও সৌদিয়ায় থাকতে আপনাকে ৩০০ থেকে ১৬০০ টাকা খরচ করতে হবে। এদের মধ্যে সৌদিয়া ও সাইমুন অন্যতম। যদিও সীতাকুন্ডে আপনি থাকার জন্য জায়গাীয় কিছু হোটেল পাবেন। স
খৈয়াছড়া ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
খৈয়াছড়া ঝর্ণা (Khoiyachora Waterfall) চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাঁশের সাকো, আঁকাবাঁকা ক্ষেতের আইল, পাহাড়ী পথ, ছড়া, ঝিরিপথ ও পাহাড় পেরিয়ে খৈয়াছড়া ঝর্ণার মুখোমুখি হলে পথের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। ফেনী স্টেশন থেকে ১০-১৫ টাকা রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
