bangladesh · Editorial

ঝরঝরি ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড

অ্যাডভ্যাঞ্চার প্রিয় ট্রাভেলারদের জন্য সীতাকুণ্ড এলাকাে রয়েছে অসাধারণ ঝরঝরি ঝর্ণা ট্রেইল। এই ট্রেইল ধরে প্রায় এক ঘণ্টা হাটলে সর্বপ্রথম যে ঝর্ণা চোখে পড়ে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

অ্যাডভ্যাঞ্চার প্রিয় ট্রাভেলারদের জন্য সীতাকুণ্ড এলাকাে রয়েছে অসাধারণ ঝরঝরি ঝর্ণা ট্রেইল। – বর্ষাকালে হঠাৎ বৃষ্টিতে ফ্ল্যাশ ফ্লাড হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

ঝরঝরি ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড

ঝরঝরি ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড সম্পর্কে

প্রায় ৩০ মিনিট হাঁটালে হাতের বামে সরু আরো একটা ঝিরিপথ দেখার সুযোগ পাবেন। নতুন ট্রেকার হলে সেই বিষয় মাথায় রাখবেন। এই ট্রেইল ধরে প্রায় এক ঘণ্টা হাটলে সর্বপ্রথম যে ঝর্ণা চোখে পড়ে এর নাম ঝরঝরি ঝর্ণা (Jhorjhori Waterfall)।

পুরো ট্রেইল সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে গাইডের সাহায্য নিন। – বর্ষায় গেলে সাথে দড়ি রাখুন, প্রয়োজন হতে পারে। ভ্রমণ টিপসযেহেতু এটি একটা ট্রেকিং ট্রেইল, উঁচু নিচু পাহাড় ও পাথুরে ঝিরিতে আপনাকে হাটতে হবে তাই কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস সাথে অবশ্যই নিবেন।

আরো ভালো কোথাও থাকার জন্য আপনাকে চট্টগ্রাম চলে আসতে হবে। ঝরঝরি ঝর্ণার উপরের দিকে যাওয়া বেশ কঠিন ও কষ্টকর তাই বর্ষার শেষের দিকে যাওয়াই সবচেয়ে ভাল হয়। এই ঝিরি পথে আরো ২০ মিনিট হেঁটে গেলেই ঝরঝরি ঝিরি দেখার সুযোগ পাবেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস সাথে না নিতে। – ভালো গ্রীপের জুতা ব্যবহার করুন। – খুম গুলোর গভীরতা বহু, সাঁতার না জানলে সাবধান থাকুন।

– নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকপেক। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। রেললাইন ধরে বাম দিকে ৪-৫ মিনিটের মত এগিয়ে গেলে ডান দিকে মাটির রাস্তা পাবেন।

এদের মধ্যে আল আমীন হোটেলের খাবার মোটামুটি উন্নত মানের। – পথ পিচ্ছিল বহু, হাঁটার সময় সতর্ক থাকুন। আর পন্থিছিলা থেকে ঝরঝরি ট্রেইল পর্যন্ত হেঁটে আসতে প্রায় ১ ঘন্টার মত সময় লাগে।

আর যদি চট্টগ্রাম যান যদিও এখানে সব ধরণের খাবার রেস্তোরাঁ পাবেন। ঝরঝরি ঝর্না যাওয়ার উপায়ঢাকা থেকে বাসে করে মিরসরাই পার হয়ে পন্থিছিলা (Ponthichila) নামক বাজারে নামতে হবে। যদি চিনতে অসুবিধা হয় যদিও জায়গাীয় যে কাউকে বললে রাস্তা দেখিয়ে দেবে।

ঝরঝরি ঝিরি ধরে ২০ মিনিটের মত সামনে গেলেই পাবেন ঝরঝরি ঝর্না। – আর অবশ্যই আবহ নোংরা করবে না, অপচনশীল আবর্জনা সাথে করে নিয়ে আসবেন। সীতাকুণ্ড বাজারে হোটেল সাইমুন নামে একটা হোটেল আছে, যেখানে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকায় রুম পাবেন।

হোটেলটিতে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকায় কয়েক ধরণের রুম পাওয়া যায়। বাম দিক দিয়ে আরো উপরের দিকে যেতে থাকলে দেখা মিলে বহু দারুন দারুন কিছু খুম এবং ক্যাসকেড। – পানির বোতল– গামছা বা রুমাল– মাথার ক্যাপ– আরামদায়ক পোশাক– ভালো গ্রীপ ধরে এমন জুতা– ফাস্ট এইড ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্রএছাড়া পুরো ট্রেইল কভার করতে চাইলে অবশ্যই হাতে সময় নিয়ে রওনা হবেন।

থাকা ও খাওয়াসীতাকুন্ডে কিছু সাধারণ মানের হোটেল পাবেন। – জায়গাীয় মানুষদের সাথে ভালো আচরণ করুন। অতি সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে হোটেল সৌদিয়া নামে একটা আবাসিক হোটেল চালু হয়েছে।

এই পথে ৫-৭ মিনিট হাঁটার পর একটা পাহাড় অতিক্রম করে ডান দিকে এগিয়ে গেলে উপরে চন্দ্রনাথ মন্দির দেখার সুযোগ পাবেন। পুরো ট্রেইল দেখে ফিরতে প্রায় ৫ ঘণ্টার মত সময় লাগবে। সেটি ধরে এগুতে থাকলে আপনি অল্প সময়েই কানি ঝিরির কাছে পৌঁছে যাবেন।

সীতাকুন্ডে খাবার জন্য বেশ কয়েকটি হোটেল আছে। – ঝর্ণার পুরো রূপ দেখতে চাইলে বর্ষাকালে ভ্রমণ করুন। বাজার থেকে পূর্ব দিকে পায়ে হেঁটে রেললাইনের দিকে যাবেন।

এছাড়া নয়দুয়ারি বাজারে খুঁজলে মধ্যম মানের কিছু হোটেল পাবেন। পুরোটা কভার করতে চাইলে আগে থেকে না জানা থাকলে সাথে জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিন। সীতাকুণ্ডের আশেপাশে দর্শনীয় জায়গাঝরঝরি ঝর্ণা ছাড়াও সীতাকুণ্ডে দেখার মত উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় জায়গা গুলো হলোঃ– কমলদহ ঝর্ণা– সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক– চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির– কুমিরা ঘাট– গুলিয়াখালী বীচ– বাঁশবাড়িয়া বীচআরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

যেহেতু এটি একটা ট্রেকিং ট্রেইল, উঁচু নিচু পাহাড় ও পাথুরে ঝিরিতে আপনাকে হাটতে হবে তাই কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস সাথে অবশ্যই নিবেন। পুরোটা কভার করতে চাইলে আগে থেকে না জানা থাকলে সাথে জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস সাথে না নিতে। – ঝর্ণার পুরো রূপ দেখতে চাইলে বর্ষাকালে ভ্রমণ করুন। – পানির বোতল– গামছা বা রুমাল– মাথার ক্যাপ– আরামদায়ক পোশাক– ভালো গ্রীপ ধরে এমন জুতা– ফাস্ট এইড ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র এছাড়া পুরো ট্রেইল কভার করতে চাইলে অবশ্যই হাতে সময় নিয়ে রওনা হবেন। – ভালো গ্রীপের জুতা ব্যবহার করুন। – নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকপেক। নতুন ট্রেকার হলে সেই বিষয় মাথায় রাখবেন। – বর্ষাকালে হঠাৎ

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ঝরঝরি ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড ভ্রমণে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?

যেহেতু এটি একটা ট্রেকিং ট্রেইল, উঁচু নিচু পাহাড় ও পাথুরে ঝিরিতে আপনাকে হাটতে হবে তাই কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস সাথে অবশ্যই নিবেন। পুরোটা কভার করতে চাইলে আগে থেকে না জানা থাকলে সাথে জায়গাীয় কাউকে গাইড হিসেবে নিয়ে নিন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস সাথে না নিতে। – ঝর্ণার পুরো রূপ দেখতে চাইলে বর্ষাকালে ভ্রমণ করুন। – পা

ঝরঝরি ঝর্ণা, সীতাকুণ্ড সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

অ্যাডভ্যাঞ্চার প্রিয় ট্রাভেলারদের জন্য সীতাকুণ্ড এলাকাে রয়েছে অসাধারণ ঝরঝরি ঝর্ণা ট্রেইল। – বর্ষাকালে হঠাৎ বৃষ্টিতে ফ্ল্যাশ ফ্লাড হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। প্রায় ৩০ মিনিট হাঁটালে হাতের বামে সরু আরো একটা ঝিরিপথ দেখার সুযোগ পাবেন।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.