খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়নের একটা পাহাড়ি পথকে মায়ুং কপাল বা হাতিমুড়া (Hatimura) নামে ডাকা হয়। দোকানের ডান দিকের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে দুটি বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে যাওয়ার পর কিছুটা দূরে ডানদিকে ছড়ার পাশ দিয়ে এগিয়ে আরো একটা বাঁশ-গাছের সাঁকো পার হতে হবে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হাতিমাথা সম্পর্কে
কোথায় খাবেন
খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এবং বাস স্ট্যান্ড অঞ্চলয় বেশ কিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে।
যোগাযোগ
ঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫হোটেল গাইরিং: খাগড়াছড়ি শহরে রয়েছে এসি, নন এসি, ভিআইপি এসি ও গ্রুপ রুমের সুবিধা সহ শ্রেণী অনুযায়ী ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। জামতলীস্থ যাত্রী ছাউনি থেকে হাতিমাথা পাহাড় পৌঁছাতে ঘন্টা দেড়েক ট্রেকিং করতে হয়। খাগড়াছড়ি শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে মাটি রাঙ্গা উপজেলায় আলুটিলা গুহা রয়েছে।
খাগড়াছড়ি থেকে হাতিমাথা পাহাড় : হাতিমুড়া বা হাতিমাথা পাহাড়ে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি সদরে আসতে হবে। হোটেলে ভেদে এক রাত অবজায়গাের জন্য আপনাকে ৪০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
যোগাযোগ
ঃ ০৩৭১-৬১০৪১, ০১৮১৫-১৬৩১৭৩অরণ্য বিলাস: শহরের নারিকেল বাগান রয়েছে এই হোটেলে টুইন বেড এসি ২৫০০ টাকা, কাপল এসি ২০০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড এসি ১৫০০ টাকা, টুইন নন এসি ২০০০ টাকা এবং কাপল নন এসি ১৫০০ টাকা ভাড়া । পরামর্শপ্রথমবার ভ্রমণের ক্ষেত্রে গাইড নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। যোগাযোগ : ০১৮৫৯-০২৫৬৯৪হোটেল ইকো ছড়ি ইন:
যোগাযোগ
ঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫যদি খুবই কম খরচে থাকতে চান তাহলে শাপলা চত্বরের আশেপাশে কিছু বোর্ডিং ধরণের হোটেল আছে সে গুলোতে ৩০০-৪০০ টাকায় থাকতে পারবেন। অসংখ্য নামের অধিকারী হাতিমাথা পাহাড়ের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে ১৫ গ্রামের বাসিন্দা চলাচল করে। গ্রামবাসীর চলাচলকে সুবিধাজনক করতে হাতিমাথা পাহাড়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কতৃক ৩০৮ ফুট লম্বা লোহার সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে।
জায়গাীদের কাছে হাতিমাথা খ্যাত এই জায়গাের চাকমা নাম ‘এদো সিরে মোন’। হাতিমাথা পাহাড়ের (Hatimatha Pahar) চূড়া থেকে দূরের খাগড়াছড়ি শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি : ঢাকা হতে শান্তি, হানিফ, এস আলম, শ্যামলী, ইকোনো এবং ঈগল পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে চড়ে সরাসরি খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়।
প্রায় দুই ঘন্টা ট্রেকিং করতে হবে তাই পর্যাপ্ত খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন। সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। সবচেয়ে ভাল হয় এখান থেকে গাইড নিয়ে নেওয়া।
চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি : চট্টগ্রামের অক্সিজেন মোড় থেকে বি আর টি সি ও শান্তি পরিবহণের বাস খাগড়াছড়ি ছেড়ে যায়। এছাড়া চারপাশের সবুজে মোড়ানো পাহাড়ি প্রকৃতি, মেঘের লুকোচুরি খেলা এবং আদিবাসী জীবনধারার বৈচিত্রময় অভিজ্ঞতা পেতে দর্শনার্থীদের কাছে হাতিমাথা বা হাতিমুড়া ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
যোগাযোগ
ঃ ০১৮৩৮-৪৯৭২৫৭গিরি থেবার: খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে রয়েছে। এসি ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। আবহের ক্ষতির সম্ভাবনা আছে এমন কোন কাজ করবেন না।
জায়গাীয়দের অযথা বিরক্ত করবেন না। চট্টগ্রাম থেকে যেতে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা। তাছাড়া পানখাইয়া পাড়ায় রয়েছে ‘সিস্টেম রেস্তোরা’ তে কফি, হাসের কালাভূনা, বাশকুড়ুল এবং ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।
বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়ার পরিমান নন এসি ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং এসি ১০০০ থেকে ১৬০০ টাকা। আরো সামনে এগিয়ে ছড়া ও একটা বড় টিলা অতিক্রম করে কাপতলা অঞ্চলয় পৌঁছাবেন। আবার বহুের কাছে এটি স্বর্গের সিড়ি হিসাবেও পরিচিত।
সকাল ৭টা থেকে শান্তি পরিবহনের বাস ১-২ ঘন্ট পর পর ছেড়ে যায়। কাপতলা থেকে বেরিয়ে ডান দিকে নিচু পথ ধরে এগিয়ে আরো একটা মোড় পাবেন সেই মোড়ের ডান দিকে কিছুটা এগুলেই অসাধারণ হাতিমাথা পাহাড় দেখার সুযোগ পাবেন। খাগড়াছড়ি শহরে উন্নত মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে –পর্যটন মোটেল: শহরের চেঙ্গী নদী পাড়ে রয়েছে এই মোটেলের দুই বেডের এসি রুম ভাড়া ২১০০ টাকা এবং নন এসি রুম ভাড়া ১৩০০ টাকা।
ভিআইপি এসি রুম ভাড়া ৩০৫০ টাকা। কারণ প্রথমবার হাতিমাথা পাহাড় যাওয়ার ক্ষেত্রে এই রাস্তা বিভ্রান্তিতে ফেলে দিতে পারে। নন এসি এইসব বাসের ভাড়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে।
কীভাবে যাবেন
আলুটিলা গুহা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে।
কোথায় থাকবেন
খাগড়াছড়ি (Khagrachari) শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। তারপর খাগড়াছড়ি থেকে জায়গাীয় পরিবহণে আলুটিলা গুহায় রওনা দিতে হবে। রুম দেখে দরদাম করে আপনার পছন্দমত হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
এরপর পথ ধরে যেতে থাকলে একটা পাড়া (বগড়া পাড়া বা লারমা পাড়া) দেখার সুযোগ পাবেন। এছাড়া বেশ কিছু লোকাল বাসও খাগড়াছড়ি যায়। খাগড়াছড়ি হতে পানছড়ি যাওয়ার পথে জামতলীর যাত্রী ছাউনির সামনে নেমে বাম দিকের রাস্তা ধরে চেঙ্গী নদী পেরিয়ে পল্টনজয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে একটা দোকান দেখার সুযোগ পাবেন।
ভাল গ্রিপের জুতা পরিধান করুন।
কীভাবে যাবেন?
আলুটিলা গুহা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে।
তারপর খাগড়াছড়ি থেকে জায়গাীয় পরিবহণে আলুটিলা গুহায় রওনা দিতে হবে।
সবচেয়ে ভাল হয় এখান থেকে গাইড নিয়ে নেওয়া।
এরপর পথ ধরে যেতে থাকলে একটা পাড়া (বগড়া পাড়া বা লারমা পাড়া) দেখার সুযোগ পাবেন।
চট্টগ্রাম থেকে যেতে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা।
কারণ প্রথমবার হাতিমাথা পাহাড় যাওয়ার ক্ষেত্রে এই রাস্তা বিভ্রান্তিতে ফেলে দিতে পারে।
কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়ি (Khagrachari) শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। রুম দেখে দরদাম করে আপনার পছন্দমত হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। যোগাযোগঃ ০১৮৩৮-৪৯৭২৫৭গিরি থেবার: খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে রয়েছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫হোটেল গাইরিং: খাগড়াছড়ি শহরে রয়েছে এসি, নন এসি, ভিআইপি এসি ও গ্রুপ রুমের সুবিধা সহ শ্রেণী অনুযায়ী ভাড়া ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা। এসি ডাবল রুম ভাড়া ২০৫০ টাকা। সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। ভিআইপি এসি রুম ভাড়া ৩০৫০ টাকা। হোটেলে ভেদে এক রাত অবজায়গাের জন্য আপনাকে ৪০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে। খাগড়াছড়ি শহরে উন্নত মানের আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – পর্যটন মোটেল: শহরের চেঙ্গী নদী পাড়ে রয়েছে এই মোটেলের দুই বেডের এসি রুম ভাড়া ২১০০ টাকা এবং নন এসি রুম ভাড়া ১৩০০ টাকা। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬১০৪১, ০১৮১৫-১৬৩১৭৩অরণ্য বিলাস: শহরের নারিকেল বাগান রয়েছে এই হোটেলে টুইন বেড এসি ২৫০০ টাকা, কাপল এসি ২০০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড এসি ১৫০০ টাকা, টুইন নন এসি ২০০০ টাকা এবং কাপল নন এসি ১৫০০ টাকা ভাড়া । যোগাযোগ : ০১৮৫৯-০২৫৬৯৪হোটেল ইকো ছড়ি ইন: যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫যদি খুবই কম খরচে থাকতে চান তাহলে শাপলা চত্বরের আশেপাশে কিছু বোর্ডিং ধরণের হোটেল আছে সে গুলোতে ৩০০-৪০০ টাকায় থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এবং বাস স্ট্যান্ড অঞ্চলয় বেশ কিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। তাছাড়া পানখাইয়া পাড়ায় রয়েছে ‘সিস্টেম রেস্তোরা’ তে কফি, হাসের কালাভূনা, বাশকুড়ুল এবং ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।
ট্রাভেল টিপস
প্রথমবার ভ্রমণের ক্ষেত্রে গাইড নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। জায়গাীয়দের অযথা বিরক্ত করবেন না। আবহের ক্ষতির সম্ভাবনা আছে এমন কোন কাজ করবেন না। প্রায় দুই ঘন্টা ট্রেকিং করতে হবে তাই পর্যাপ্ত খাবার ও পানি সাথে পরিবহণ করুন। ভাল গ্রিপের জুতা পরিধান করুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হাতিমাথা কীভাবে যাবেন?
আলুটিলা গুহা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে। তারপর খাগড়াছড়ি থেকে জায়গাীয় পরিবহণে আলুটিলা গুহায় রওনা দিতে হবে। সবচেয়ে ভাল হয় এখান থেকে গাইড নিয়ে নেওয়া। এরপর পথ ধরে যেতে থাকলে একটা পাড়া (বগড়া পাড়া বা লারমা পাড়া) দেখার সুযোগ পাবেন। চট্টগ্রাম থেকে যেতে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা। কারণ প্রথমবার হাতি
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়ি (Khagrachari) শহরে রাত্রি যাপনের জন্য নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। রুম দেখে দরদাম করে আপনার পছন্দমত হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। যোগাযোগঃ ০১৮৩৮-৪৯৭২৫৭গিরি থেবার: খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে রয়েছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫হোটেল গাইরিং: খাগড়াছড়ি শহরে রয়েছে এসি, নন এসি,
হাতিমাথা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়নের একটা পাহাড়ি পথকে মায়ুং কপাল বা হাতিমুড়া (Hatimura) নামে ডাকা হয়। দোকানের ডান দিকের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে দুটি বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে যাওয়ার পর কিছুটা দূরে ডানদিকে ছড়ার পাশ দিয়ে এগিয়ে আরো একটা বাঁশ-গাছের সাঁকো পার হতে হবে। কোথায় খাবেনখাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এবং বাস স
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

