bangladesh · Editorial

পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির

প্রকৃতির অপরূপ রূপের শহর খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির গভীর অরণ্যে প্রায় ৬৫ একর জায়গা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থজায়গা শান্তিপুর অরণ্য কুঠির

Photograph · Collected for Tripzao Journal

প্রকৃতির অপরূপ রূপের শহর খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির গভীর অরণ্যে প্রায় ৬৫ একর জায়গা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থজায়গা শান্তিপুর অরণ্য কুঠির রয়েছে (Panchari Shantipur Aranya Kutir)। দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তি শান্তিপুর অরণ্য অরণ্য কুঠিরের প্রধান আকর্ষণ।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির

পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির সম্পর্কে

কুঠিরের প্রতিটি ভাস্কর্যে গৌতম বুদ্ধের জীবদ্দশার নানা কাহিনী, উপদেশ ও অনুপ্রেরনামূলক বাণী তুলে ধরা হয়েছে। কোথায় থাকবেনখাগড়াছড়িতে থাকার জন্য পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাস সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রত্যেক দিন এখানে শতাধিক পূণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে।

তাছাড়া এখানে ২৫টিরও বেশী সাধনা কুঠির ও উপ কুঠির। বড় মূর্তির পিছনের দিকে ১৩ টি কুঠিরে ভান্তেরা সাধনা করে তাই সেখানে জনসাধারনের প্রবেশ নিষেধ। খাগড়াছড়ি থেকে শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার।

কুঠিরের চারপাশে লাগানো প্রায় ২০ হাজারেরও বেশী নানা বনজ ও ফলজ গাছ বন ও আবহ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়ার পরিমান নন এসি ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং এসি ১০০০ থেকে ১৬০০ টাকা। খাগড়াছড়ি জেলা শহর বাসে পানছড়ি এসে জীপ বা মাহেন্দ্র গাড়ী ভাড়া নিয়ে পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির যাওয়া যায়।

খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁ বেশ পরিচিত। নিরিবিলি প্রকৃতির আবহে ভিক্ষুদের ধ্যান করার সুবিধার্থে ১৯৯৯ সালে অধ্যক্ষ ভান্তে ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথেরো এই কুঠির স্থাপন করেন। শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরের অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে সুসজ্জিত প্রার্থনার জায়গা, লাভীশ্রেষ্ঠ সিবলী মহাস্থবিরের মন্দিরসহ মূর্তি, মারবিজয়ী উপগুপ্ত মহাস্থবিরের মূর্তি, ১০০ হাত দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ভিক্ষু শালা, ৬০ হাত দৈর্ঘ্যের দেশনাঘর, ৮০ হাত দৈর্ঘ্যের ভোজনালয়, অধ্যক্ষ ভিক্ষুর আবাসস্থল মৈত্রী ভবন, সুদৃশ্য শ্রামনশালা উল্লেখযোগ্য।

প্রত্যেকটি কুঠিরে একজন ভিক্ষু ও শ্রামন ধ্যানে মগ্ন থাকেন। প্রতি বছর বৌদ্ধ পূর্ণিমা, আষাঢ়ি ও প্রবারনা পূর্ণিমাতে এখানে বৌদ্ধ পূজা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা বা আরামবাগ থেকে সেন্ট মার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়। হিংসা-বিদ্বেষহীন এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি পানছড়ির শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলছে। তাছাড়া খাগড়াছড়ি শহরে শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড এবং পান্থাই পাড়ায় আরো কিছু খাবারের রেস্তোরাঁ পাবেন।

কঠিন চীবর দানের সময় দেশের বিচিত্র জায়গা থেকে ৫০ হাজারেরও অধিক ভক্ত এবং পূন্যার্থীর আগমন ঘটে এই পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরে। কোথায় খাবেনপানছড়িতে কয়েকটি খাবারের হোটেল রয়েছে, এদের মধ্যে হোটেল পারভেজ, নিরব রেস্তোরাঁ, ট্রাইভাল রেস্তোরাঁ, লেক ভিউ উল্লেখযোগ্য। ছোট ছোট টিলা ও পাহাড়ি গাছ-গাছড়া দিয়ে ঘেরা এই কুঠির আছে সুবিশাল মাঠ, দুইটি কৃত্রিম হ্রদ, অনুষ্ঠান মঞ্চ, ছোট্ট বেড়ার ঘর এবং ভক্তদের উপাসনার বাতিঘর।

৫০ ফুট বিশিষ্ট নান্দনিক এই বৌদ্ধ মূর্তি নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় ৪ বছর। ধর্মীয় আচার পালনের সুবিধার্থে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরে ভ্রমণকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। খাগড়াছড়ির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাখাগড়াছড়ির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, হাতিমাথা ও নিউজিল্যান্ড পাড়া উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা বা আরামবাগ থেকে সেন্ট মার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়।

বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়ার পরিমান নন এসি ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং এসি ১০০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

খাগড়াছড়ি থেকে শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার।

খাগড়াছড়ি জেলা শহর বাসে পানছড়ি এসে জীপ বা মাহেন্দ্র গাড়ী ভাড়া নিয়ে পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?

খাগড়াছড়িতে থাকার জন্য পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাস সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় খাবেন?

পানছড়িতে কয়েকটি খাবারের হোটেল রয়েছে, এদের মধ্যে হোটেল পারভেজ, নিরব রেস্তোরাঁ, ট্রাইভাল রেস্তোরাঁ, লেক ভিউ উল্লেখযোগ্য। খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁ বেশ পরিচিত। তাছাড়া খাগড়াছড়ি শহরে শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড এবং পান্থাই পাড়ায় আরো কিছু খাবারের রেস্তোরাঁ পাবেন। খাগড়াছড়ির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাখাগড়াছড়ির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, হাতিমাথা ও নিউজিল্যান্ড পাড়া উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা বা আরামবাগ থেকে সেন্ট মার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়। বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়ার পরিমান নন এসি ৭৫০-৮৫০ টাকা এবং এসি ১০০০ থেকে ১৬০০ টাকা। খাগড়াছড়ি থেকে শান্তিপুর অরণ্য কুঠিরের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। খাগড়াছ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

খাগড়াছড়িতে থাকার জন্য পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাস সহ বেশকিছু আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুঠির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

প্রকৃতির অপরূপ রূপের শহর খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির গভীর অরণ্যে প্রায় ৬৫ একর জায়গা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থজায়গা শান্তিপুর অরণ্য কুঠির রয়েছে (Panchari Shantipur Aranya Kutir)। দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তি শান্তিপুর অরণ্য অরণ্য কুঠিরের প্রধান আক

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.