bangladesh · Editorial

খেজুরতলা বীচ

চট্টগ্রাম এর খেজুরতলা বীচ (Khejurtala Sea Beach) ভ্রমণ গাইড। কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কি কি দেখবেন তার সকল তথ্য জানতে পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

চট্রগ্রামের সাগর সৈকত গুলোর মধ্যে খেজুরতলা বীচ (Khejurtala Sea Beach) সৌন্দর্য্যপ্রেমী মানুষের কাছে ক্রমেই আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। কোথায় থাকবেনরাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

খেজুরতলা বীচ

খেজুরতলা বীচ সম্পর্কে

হোটেল অবকাশ (031-266543) রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। এছাড়া বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এনায়েত বাজারে রয়েছে হোটেল সাফিনার (+88 031-0614004)রুম ভাড়া ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।

৩০৭২ শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক (+88 01820-141995, +88 01731-886997) এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। হোটেল এশিয়ান এসআর (+88 01711-889555) রুম ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। ভোরে জেলে পাড়ায় গেলে বাড়তি পাওনা হিসাবে কিনে আনতে পারবেন তাজা ইলিশ কিংবা নানা সামুদ্রিক মাছ।

হোটেল পার্ক (+88 01521-328482) রুম ভাড়া ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা। হোটেল নাবা ইন (+88 01755-564382) হোটেলের রুম ভাড়া ৩০০০ থেকে শুরু। একটু যাচাই করে আপনার সুবিধামত হোটেল ম্যানেজ করার সুযোগ পাবেন নিশ্চিন্তে।

এছাড়াও সাগর পাড়ের জেলেদের সংগ্রামী জীবন কাছ থেকে দেখতে চলে পৌঁছাতে পারবেন খেজুরতলা বীচের দক্ষিণে রয়েছে জাইল্লাপাড়া বীচে। হোটেল সিলমুন (+88 01823-287464) প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। আর খেজুরতলা বীচের রুপের যথার্থতা বুঝতে হলে ভোর কিংবা বিকেল বেলা খেজুরতলা বীচে রওনা দিতে হবে।

শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে থাকতে গেলে এক রাতের জন্য গুনতে হবে ১৮০০০ টাকা। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামউন্ট (031-2856771, +88 01713-248754) রুম ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত।

উপরে উল্লেখিত আবাসিক হোটেল এছাড়াও চট্রগ্রামের নানা অঞ্চলতে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। গোধুলী গেস্ট ইনন (+88 01976-123017) প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।

কোথায় খাবেন

যদি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখতে চান যদিও আপনার জন্য রয়েছে সুখবর! ঐতিহবাহী খাবারে চট্ট্রগ্রাম বেশ সমৃদ্ধ, আর এ জন্য চলে পৌঁছাতে পারবেন হোটেল জামান-এ। নেভাল আবহ, জেলেদের কর্ম ব্যস্ততা কিংবা সবুজ ঘাসের চাদরে মোড়ানো বাধ ধরে হাটতে হাটতে খেজুরতলা বীচের বৈচিত্রতা দেখে কাটিয়ে দিতে পারবেন একটা অসাধারণ বিকেল।

হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। আর মেজবানি খেতে চাইলে চলে পৌঁছাতে পারবেন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোরায়। ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

চট্রগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে ষ্টীলমিল বাজারে এসে ইজিবাইক কিংবা রিকশাওয়ালাকে বললেই দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রয়েছে খেজুরতলা বীচ নিয়ে যাবে। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে ছড়িয়ে আছে বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডির নাম, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়।

ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

এছাড়া বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৬৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন।

চট্রগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে ষ্টীলমিল বাজারে এসে ইজিবাইক কিংবা রিকশাওয়ালাকে বললেই দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রয়েছে খেজুরতলা বীচ নিয়ে যাবে।

কোথায় থাকবেন?

রাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল এশিয়ান এসআর (+88 01711-889555) রুম ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। গোধুলী গেস্ট ইনন (+88 01976-123017) প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। ৩০৭২ শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক (+88 01820-141995, +88 01731-886997) এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। এদের মধ্যে হোটেল প্যারামউন্ট (031-2856771, +88 01713-248754) রুম ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। উপরে উল্লেখিত আবাসিক হোটেল এছাড়াও চট্রগ্রামের নানা অঞ্চলতে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল অবকাশ (031-266543) রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। এনায়েত বাজারে রয়েছে হোটেল সাফিনার (+88 031-0614004)রুম ভাড়া ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত। আর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে থাকতে গেলে এক রাতের জন্য গুনতে হবে ১৮০০০ টাকা। হোটেল নাবা ইন (+88 01755-564382) হোটেলের রুম ভাড়া ৩০০০ থেকে শুরু। হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল পার্ক (+88 01521-328482) রুম ভাড়া ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা। হোটেল সিলমুন (+88 01823-287464) প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। একটু যাচাই করে আপনার সুবিধামত হোটেল ম্যানেজ করার সুযোগ পাবেন নিশ্চিন্তে।

কোথায় খাবেন?

যদি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখতে চান যদিও আপনার জন্য রয়েছে সুখবর! ঐতিহবাহী খাবারে চট্ট্রগ্রাম বেশ সমৃদ্ধ, আর এ জন্য চলে পৌঁছাতে পারবেন হোটেল জামান-এ। আর মেজবানি খেতে চাইলে চলে পৌঁছাতে পারবেন চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোরায়। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে ছড়িয়ে আছে বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্তোরাঁ, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডির নাম, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

খেজুরতলা বীচ কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এছাড়া বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রা

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

রাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল এশিয়ান এসআর (+88 01711-889555) রুম ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। গোধুলী গেস্ট ইনন (+88 01976-123017) প্রতি রুম ভাড়া ১৮০০ হতে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। ৩০৭২ শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ রয়েছে হোটেল ল্যান্ডমার্ক (+88 01820-141995, +88 01731-88699

খেজুরতলা বীচ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

চট্রগ্রামের সাগর সৈকত গুলোর মধ্যে খেজুরতলা বীচ (Khejurtala Sea Beach) সৌন্দর্য্যপ্রেমী মানুষের কাছে ক্রমেই আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। কোথায় থাকবেনরাত্রি যাপনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেল অবকাশ (031-266543) রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.