পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া গ্রামে জায়গাীয় বাসীন্দাদের শতবছরের গ্রাম বাংলার গৌরব ও ঐতিহ্যের এক অন্যতম বহিঃপ্রকাশ দুবলিয়া মেলা (Dublia Fair)। আর কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে সেখান থেকে বাস বা অটোরিকশায় পাবনা জেলা সদরে যাওয়া যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

দুবলিয়া মেলা সম্পর্কে
আর তখন গ্রামীণ বিনোদনের অন্যতম উৎস নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করেই মূলত এই মেলার জন্ম হয়। কোথায় খাবেনচাইনিজ, বাংলা ও ফাস্টফুড খাবারের জন্য পাবনা জেলাতে বেশ উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরা পাবেন। এখন শিল্প ও বানিজ্য মেলা হিসেবে পরিচিত দুবলিয়া মেলায় বিনোদনের বিচিত্র আয়োজনের পসরা সাজানো থাকে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন। পাবনা ও আশেপাশে নানা জেলা থেকে অসংখ্য ক্রেতা ও ভ্রমণকারীরা ভিড় করেন এই ঐতিহ্যবাহী দুবলিয়া মেলায়। বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।
পাবনা জেলা সদর থেকে সিএনজি ও রিকশার মত জায়গাীয় পরিবহণে চড়ে ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে দুবলিয়া গ্রামে যেতে পারবেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, বর্ষাকালে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রসিদ্ধ দুবলিয়াতে যাতায়াতের মাধ্যম হিসাবে নৌকার প্রচলন ছিল। দুবলিয়া মেলায় দৈনন্দিন নানা জিনিসসহ পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, হস্তশিল্পজাত পণ্য, শীতের কাপড়-চোপড়, গৃহস্থালি আসবাপত্র ও ইলেক্ট্রনিকস জিনিসসহ বিচিত্র ধরণের পণ্য সামগ্রী পাওয়ার সুযোগ আছে।
কোথায় থাকবেনপাবনা জেলা সদরে হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যা দুবলিয়াবাসীর বিনোদনের প্রধান এক উৎস। তাছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য আছে ট্রেন, নাগরদোলা, যাদু প্রদর্শনী, নৌকা ও দোলনা সহ নানা ধরণের বিনোদনের ব্যবস্থা।
প্রতি বছর দুর্গা পূজার সময় দুবলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও হাজী জসীম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়। পাবনার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাপাবনা জেলার গাজনার বিল, তারাশ রাজবাড়ি, জোর বাংলা মন্দির ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন।
বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।
আর কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে সেখান থেকে বাস বা অটোরিকশায় পাবনা জেলা সদরে যাওয়া যায়।
পাবনা জেলা সদর থেকে সিএনজি ও রিকশার মত জায়গাীয় পরিবহণে চড়ে ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে দুবলিয়া গ্রামে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
পাবনা জেলা সদরে হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
চাইনিজ, বাংলা ও ফাস্টফুড খাবারের জন্য পাবনা জেলাতে বেশ উন্নত মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরা পাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
দুবলিয়া মেলা কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন। বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা। আর কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে সেখান থেকে বাস বা অট
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
পাবনা জেলা সদরে হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
দুবলিয়া মেলা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া গ্রামে জায়গাীয় বাসীন্দাদের শতবছরের গ্রাম বাংলার গৌরব ও ঐতিহ্যের এক অন্যতম বহিঃপ্রকাশ দুবলিয়া মেলা (Dublia Fair)। আর কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে সেখান থেকে বাস বা অটোরিকশায় পাবনা জেলা সদরে যাওয়া যায়। আর তখন গ্রামীণ বিনোদনে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
