bangladesh · Editorial

আট কবর

চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ইতিহাস-সমৃদ্ধ জায়গা আট কবর ভ্রমণ গাইড। যাওয়ার উপায়, খরচ, থাকবেন কোথায়, আর কী কী দেখবেন তার বিস্তারিত তথ্য।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

চুয়াডাঙ্গা জেলার জগন্নাথপুরে রয়েছে আট কবর (Atkobor/Atkabar) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মৃতি বিজড়িত একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ জায়গা। দোতলা ভবনের দেয়াল জুড়ে প্রায় ২০০ টি আলোকচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

আট কবর

আট কবর সম্পর্কে

উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – হোটেল অবকাশ (0761-62288), হোটেল আল মেরাজ (0761-62383), অন্তুরাজ আবাসিক হোটেল (0761-62702), হোটেল প্রিন্স (0761-62378)। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি সৈন্যদের সম্মুখ যুদ্ধে আট জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ বরণ করেন। ঢাকা থেকে বাসে চুয়াডাঙ্গাগাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হতে মানভেদে বাসে করে চুয়াডাঙ্গা জেলায় যেতে জনপ্রতি ৬৫০-১০০০ টাকা ভাড়া লাগে।

আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করতে চাইলে যেকেউ এখানে থাকার আবাসিক সুবিধাও নিতে পারবেন। এমন খবর শুনে ৫ আগস্ট কমান্ডার হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে বাগোয়ান গ্রামে ছুটে যান। ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা

কীভাবে যাবেন

রাজধানী ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গা–বেনাপোল এক্সপ্রেসওয়ে ধরে চুয়াডাঙ্গার দূরত্ব ২৩২ কিলোমিটার। ১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট কমান্ডার হাফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দারের নেতৃত্বে একদল মুক্তিযোদ্ধা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার জয়পুর শেল্টার ক্যাম্পে অবজায়গা নেয়। সেখানে আগে থেকে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা নাটুদা ক্যাম্পের পাকিস্তানি সৈন্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে।

চুয়াডাঙ্গা থেকে আট কবর সমাধিস্থলের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। আট কবর কমপ্লেক্স মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধি ছাড়াও আরো আছে গ্রন্থাগার, মুক্তমঞ্চ ও একটা দোতলা ভবন। মুক্তিযুদ্ধের এই সমাধিস্থল জায়গাীয় মানুষের কাছে আট কবর হিসেবে পরিচিত।

ঢাকা থেকে ট্রেনে চুয়াডাঙ্গাকমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যমুনা সেতু পাড় হয়ে চুয়াডাঙ্গার পথে যাত্রা করে। ৮ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হলেন-খালেদ সাইফুদ্দিন তারেক – পোড়াদহ, কুষ্টিয়াহাসান জামান – গোকুলখালি, চুয়াডাঙ্গাআলাউল ইসলাম খোকন – চুয়াডাঙ্গা শহররওশন আলম – আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গারবিউল ইসলাম – মোমিনপুর, চুয়াডাঙ্গাআবুল কাশেম – চুয়াডাঙ্গা শহরআফাজ উদ্দিন চন্দ্রবাস – দামুরহুদাকিয়ামুদ্দিন – আলমডাঙ্গা

কীভাবে যাবেন

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত আট কবর যেতে হলে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে। সকালবেলা পাকিস্তান মুসলিম লীগের দালাল কুবাদ খাঁ তার পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে খবর পাঠায় রাজাকারেরা নাটুদা, জগন্নাথপুর এবং এর আশেপাশের জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে গেছে। শ্রেণীভেদে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা পর্যন্ত জনপ্রতি ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৪৬৫ থেকে ১,৮২১ টাকা।

১৯৯৮ সালে ০.৬৬ একর জমিতে আট কবর কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়। এরপর পাক বাহিনীর নির্দেশের রাজাকারেরা মুক্তিযোদ্ধাদের মৃতদেহগুলো দুইটি গর্তে কবর দিয়ে দেয়। উল্লেখযোগ্য বাস সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে – দর্শনার্থী পরিবহণ (01719-813004), স্কাই লাইন, পাবনা এক্সপ্রেস (02-9008581) এবং চুয়াডাঙ্গা এক্সপ্রেস।

কোথায় থাকবেন

চুয়াডাঙ্গায় রয়েছে সাধারণ মানের আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। এসব হোটেলে ১০০ থেকে ৫০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা জেলায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া বাসে চড়ে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা যাবার পথে এক পলকে সাভার স্মৃতিসৌধ ও ক্যান্টনমেন্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর এবং মাগুড়া জেলার বেশকিছু দর্শণীয় জায়গা দেখার সুযোগ মিলবে। চুয়াডাঙ্গা শহর হতে সরারসরি বাস বা লেগুনায় চড়ে আট কবর যাওয়া যায়। আট কবর ছাড়াও চুয়াডাঙ্গায় যেসব দর্শণীয় জায়গা রয়েছে:ঘোলদাড়ী জামে মসজিদআলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনতিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদদর্শনা কেরু এন্ড কোং লিঃদর্শনা রেল ষ্টেশনদর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোষ্টদর্শনা শুল্ক ষ্টেশনহযরত খাজা মালিক উল গাউস (রঃ)এর মাজারমুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভচারুলিয়াদত্তনগর কৃষি খামার

কীভাবে যাবেন?

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত আট কবর যেতে হলে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে চুয়াডাঙ্গাকমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যমুনা সেতু পাড় হয়ে চুয়াডাঙ্গার পথে যাত্রা করে।

চুয়াডাঙ্গা শহর হতে সরারসরি বাস বা লেগুনায় চড়ে আট কবর যাওয়া যায়।

এছাড়া বাসে চড়ে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা যাবার পথে এক পলকে সাভার স্মৃতিসৌধ ও ক্যান্টনমেন্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর এবং মাগুড়া জেলার বেশকিছু দর্শণীয় জায়গা দেখার সুযোগ মিলবে।

ঢাকা থেকে বাসে চুয়াডাঙ্গাগাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হতে মানভেদে বাসে করে চুয়াডাঙ্গা জেলায় যেতে জনপ্রতি ৬৫০-১০০০ টাকা ভাড়া লাগে।

ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা জেলায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কোথায় থাকবেন?

চুয়াডাঙ্গায় রয়েছে সাধারণ মানের আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – হোটেল অবকাশ (0761-62288), হোটেল আল মেরাজ (0761-62383), অন্তুরাজ আবাসিক হোটেল (0761-62702), হোটেল প্রিন্স (0761-62378)। এসব হোটেলে ১০০ থেকে ৫০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। আট কবর ছাড়াও চুয়াডাঙ্গায় যেসব দর্শণীয় জায়গা রয়েছে: ঘোলদাড়ী জামে মসজিদআলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনতিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদদর্শনা কেরু এন্ড কোং লিঃদর্শনা রেল ষ্টেশনদর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোষ্টদর্শনা শুল্ক ষ্টেশনহযরত খাজা মালিক উল গাউস (রঃ)এর মাজারমুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভচারুলিয়াদত্তনগর কৃষি খামার

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

আট কবর কীভাবে যাবেন?

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত আট কবর যেতে হলে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে। ঢাকা থেকে ট্রেনে চুয়াডাঙ্গাকমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যমুনা সেতু পাড় হয়ে চুয়াডাঙ্গার পথে যাত্রা করে। চুয়াডাঙ্গা শহর হতে সরারসরি বাস বা লেগুনায় চড়ে আট কবর যাওয়া য

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

চুয়াডাঙ্গায় রয়েছে সাধারণ মানের আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – হোটেল অবকাশ (0761-62288), হোটেল আল মেরাজ (0761-62383), অন্তুরাজ আবাসিক হোটেল (0761-62702), হোটেল প্রিন্স (0761-62378)। এসব হোটেলে ১০০ থেকে ৫০০ টাকায় রাতে থাকতে পারবেন। আট কবর ছাড়াও চু

আট কবর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

চুয়াডাঙ্গা জেলার জগন্নাথপুরে রয়েছে আট কবর (Atkobor/Atkabar) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মৃতি বিজড়িত একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ জায়গা। দোতলা ভবনের দেয়াল জুড়ে প্রায় ২০০ টি আলোকচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – হোট

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.