কাজী কাদের নওয়াজ ছিলেন বিশিষ্ট কবি, শিক্ষাবিদ এবং সাহিত্যানুরাগী। বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য তিনি নানা পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি সম্পর্কে
প্রেম, প্রকৃতি, দেশ, সত্য ও চমৎকারের প্রতি আহবান ছিল তাঁর কবিতার মূল্য উপজীব্য। রবীন্দ্র ভাব বলয়ের প্রভাব থাকলেও কবির রচনায় স্বকীয়তা ছিল চোখে পড়ার মত। বাসভেদে মাগুরা যেতে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৫৮০ থেকে ১৩০০ টাকা।
কীভাবে যাওয়া যায়কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি দেখতে যেতে হলে মাগুরা জেলা সদরের ভায়না মোড় থেকে নতুন বাজার স্ট্যান্ড হয়ে শ্রীপুর বাজার যেতে হয়। ১৯৬৬ সালে অবসর গ্রহণের পর মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মুজদিয়া গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। কবি কাজী কাদের নওয়াজের উল্লেখযোগ্য রচনাবলীর মধ্যে আছে: মরাল (১৯৩৬), দাদুর বৈঠক (১৯৪৭), নীল কুমুদী (১৯৬০), মণিদীপ, ওস্তাদের কদর, মা, প্রায়শ্চাত্ত, চাদদিঘী, হারানো টুপি, কালের হাওয়া, মরুচন্দ্রিকা, দুটি পাখি দুটি তারা (১৯৬৬), উতলা সন্ধ্যা ইত্যাদি।
ঢাকা থেকে মাগুরারাজধানী ঢাকা থেকে সোহাগ (+88-02-8012674), হানিফ (+88-02-8011750, +88-02-9003080), দ্রুতি (+88-02-9002989, +88-02-8012290), ঈগল (+88-02-8017698, +88-02-8017320) পরিবহণের এসি, নন-এসি বাসে মাগুরা জেলায় যাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট গ্রামে কবি কাজী কাদের নওয়াজের পৈতৃক নিবাস হওয়ার সুবাদে বর্ধমানের মাথরুন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কবি নানা ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন।
কবি কাজী কাদের নওয়াজের সংক্ষিপ্ত জীবনী১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের তালেবপুরে তাঁর মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর বহরম কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে ইংরেজিতে অনার্স সহ বিএ এবং এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। মাগুরা জেলায় রয়েছে হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য।
যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট পদক, বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৩) এবং মাদার বখশ পুরস্কার ইত্যাদি উল্লেখ্য। ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি কবি কাজী কাদের নওয়াজের বৈচিত্র্যময় জীবনের অবসান ঘটে। এখন ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতাটি বাংলাদেশে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ানো হয়।
কবির প্রতি ভালবাসা প্রদর্শনের জন্য সারাদেশ হতে সাহিত্যানুরাগী এবং ভ্রমণকারীরা কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি (Kabi Kazi Qadir Nawaz House) দেখতে আসেন।
কোথায় থাকবেন
মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। তৎকালীন সময়ে কবির অসংখ্য লেখাই নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হতো। ১৯৩২ সালে সাব-ইন্সপেক্টর অব স্কুল পদে যোগদান করে পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।
সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই তাঁর পারদর্শিতা থাকলেও কবিতার প্রতি ছিল বিশেষ আকর্ষণ। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর কবি কাজী কাদের নওয়াজ প্রথমে ঢাকায় নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং পরে দিনাজপুর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। শ্রীপুর বাজার বাসস্ট্যান্ড হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে মুজাদিয়া গ্রামে রয়েছে কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি।
এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় থাকবেন?
মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। মাগুরা জেলায় রয়েছে হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। মাগুরা জেলায় রয়েছে হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কাজী কাদের নওয়াজ ছিলেন বিশিষ্ট কবি, শিক্ষাবিদ এবং সাহিত্যানুরাগী। বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য তিনি নানা পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। প্রেম, প্রকৃতি, দেশ, সত্য ও চমৎকারের প্রতি আহবান ছিল তাঁর কবিতার মূল্য উপজীব্য।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

