চন্দ্রমহল ইকো পার্ক (Chandra Mahal Eco Park) বাগেরহাট জেলা সদরের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে রঞ্জিতপুর গ্রামে রয়েছে একটা ইকো পার্ক ও পিকনিক স্পট। পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: চন্দ্রমহল ইকো পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ৬ঃ৩০ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।

চন্দ্রমহল ইকো পার্ক সম্পর্কে
কীভাবে যাবেন
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়। পিকনিক আয়োজনের সুবিধার্থে এখানে সকল ব্যবস্থাই রাখা হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাটে বাসস্ট্যান্ড ও দরগার কাছে কয়েকটি সাধারণ মানের খাবার হোটেল রয়েছে।
গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সোহাগ, শাকুরা, হানিফ ও ইগল পরিবহণের গাড়ি ছাড়ে। খুলনা থেকে বাগেরহাট বাসে যেতে কেবল ১ ঘণ্টা সময় লাগে তাই রাত্রি যাপনের জন্য প্রয়োজনে চলে আসতে পারেন খুলনা বিভাগীয় শহরে। ইকো পার্কে তাজমহলের আদলে তৈরী একটা ভবন রয়েছে, যার নাম চন্দ্রমহল।
বাসে ভ্রমন করলে চন্দ্রমহলের কথা বললে রঞ্জিতপুর গ্রামের কাছে নামতে পারবেন। ভ্রমণকারীদের বিনোদনের জন্য চন্দ্রমহলে নানা প্রত্নতত্ত্বিক নিদর্শন রাখা আছে। এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।
চন্দ্রমহল ইকো পার্কে আগত ভ্রমণকারীরা চন্দ্রমহলের সৌন্দর্য দেখে বিমোহিত হন।
কোথায় খাবেন
চন্দ্রমহল ইকো পার্কে বেশকিছু রেস্তোরাঁ আছে। আগত ভ্রমণকারীদের জন্য চন্দ্রমহল ইকো পার্কে নির্মাণ করা হয়েছে বিচিত্রন রকম ভাস্কর্য, বাঁশের তৈরি ঘর, পানসী নৌকা, রাজাকারের প্রতিকী ফাঁসির মঞ্চ, কৃত্তিম রেল লাইন, রেস্তোরাঁ এবং পিকনিক স্পট। দেশী-বিদেশী মুদ্রা, ডাক টিকিট, যুদ্ধের অস্ত্র, প্রাচীন ঘড়ি, অলংকার, ধর্মীয় পুরাকীর্তি, পাথরের আসবাবপত্র, বিরল পান্ডুলিপি, নানা মৃৎ শিল্প নিদর্শন, ইত্যাদি সহ নানা নিদর্শন জায়গা পেয়েছে চন্দ্রমহল ইকো পার্কে।
সময়সূচী ও প্রবেশ টিকেট মূল্যচন্দ্রমহল ইকো পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ৬ঃ৩০ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। রেল রোডে রয়েছে মমতাজ হোটেলে ছাড়াও বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। ভবনের সোনালী রঙে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে অদ্ভুত আবহ তৈরী করে।
চন্দ্রমহল চারদিক থেকে পানি দ্বারা বেষ্টিত তাই মূল ভবনে যেতে হলে পানির নিচ দিয়ে তৈরি টানেলে যেতে হয়। আর ট্রেনে ভ্রমন করতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেন চমৎকারবন এক্সপ্রেসে খুলনা এসে বাসে চড়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন। এছাড়া বাগেরহাট শহর থেকে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোরিকশায় চড়ে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে রয়েছে চন্দ্রমহল ইকো পার্ক যাওয়া যায়।
খুলনার রূপসা থেকে বাগেরহাটে যেতে কেবল ৪০ মিনিট সময় লাগে। আর চন্দ্রমহল ইকো পার্কের মিনি চিড়িয়াখানায় আছে বানর, বনবিড়াল, হরিণ, তিতপাখি, তুর্কী মুরগী, সাদা ময়ূর, বক, কুকুর, ঈগল, মদন টাক পাখি, সাদা ঘুঘু, হাস পাখি, পেঁচা, বেজী, কবুতর, কোয়েল, কুমির সহ বিচিত্রন প্রজাতির পশুপাখি। ২০০২ সালে সেলিম হুদা প্রায় ৩০ একর জায়গাজুড়ে এই ইকো পার্কটি তৈরী করে তার স্ত্রী নাসিমা হুদা চন্দ্রার নামানুসারে চন্দ্রমহল নামকরণ করেন।
কোথায় থাকবেন
বাগেরহাটে থাকার জন্য মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। যদিও অবশ্যই খাবারের মান ও দাম সম্পর্কে জেনে নিন।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
চন্দ্রমহল ইকো পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ৬ঃ৩০ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়।
আর ট্রেনে ভ্রমন করতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেন চমৎকারবন এক্সপ্রেসে খুলনা এসে বাসে চড়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।
খুলনার রূপসা থেকে বাগেরহাটে যেতে কেবল ৪০ মিনিট সময় লাগে।
বাসে ভ্রমন করলে চন্দ্রমহলের কথা বললে রঞ্জিতপুর গ্রামের কাছে নামতে পারবেন।
গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সোহাগ, শাকুরা, হানিফ ও ইগল পরিবহণের গাড়ি ছাড়ে।
এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।
কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাটে থাকার জন্য মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। রেল রোডে রয়েছে মমতাজ হোটেলে ছাড়াও বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। খুলনা থেকে বাগেরহাট বাসে যেতে কেবল ১ ঘণ্টা সময় লাগে তাই রাত্রি যাপনের জন্য প্রয়োজনে চলে আসতে পারেন খুলনা বিভাগীয় শহরে।
কোথায় খাবেন?
চন্দ্রমহল ইকো পার্কে বেশকিছু রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া বাগেরহাটে বাসস্ট্যান্ড ও দরগার কাছে কয়েকটি সাধারণ মানের খাবার হোটেল রয়েছে। যদিও অবশ্যই খাবারের মান ও দাম সম্পর্কে জেনে নিন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চন্দ্রমহল ইকো পার্ক-এ প্রবেশ মূল্য কত?
চন্দ্রমহল ইকো পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ৬ঃ৩০ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।
চন্দ্রমহল ইকো পার্ক কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়। আর ট্রেনে ভ্রমন করতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেন চমৎকারবন এক্সপ্রেসে খুলনা এসে বাসে চড়ে বাগেরহাট যেতে পার
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বাগেরহাটে থাকার জন্য মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। রেল রোডে রয়েছে মমতাজ হোটেলে ছাড়াও বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি য
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

