চমৎকারবনের কটকা নদীর পূর্ব দিকে রয়েছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত কচিখালী সমুদ্র সৈকত (Kochikhali Sea Beach) একটা চমৎকার দর্শনীয় জায়গা। এক্ষেত্রে চমৎকারবনে পরিচালিত নানা ট্যুর এজেন্সির প্যাকেজ নিতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

কচিখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
১০০ ফুটের ঊর্ধ্বে লঞ্চের জন্য দিতে হয় ১৫ হাজার টাকা, নবায়ন ফি দিতে হয় চার হাজার টাকা। যদিও বন বিভাগের রেস্ট হাউজে পূর্ব
যোগাযোগ
ের ভিত্তিতে খাওয়ার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। পশুর, চমৎকারী, কেওড়া, বাইন ও আমুর গাছের মতো বিচিত্র ধরনের বৃক্ষের রঙ্গিন ফুল ও ফলে সাজানো বনের গাছে গাছে আছে বিচিত্রন প্রজাতির পাখির আবাস। খুলনা থেকে রুপসা কিংবা বাগেরহাটের মোংলা বন্দর হতে চমৎকারবন যাওয়ার লঞ্চ পাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেনঅধিকাংশ দর্শনার্থীেরা কটকা-কচিখালীতে রাতে থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন। জালিবোট যেগুলো ট্যুরিস্ট বোট হিসাবে খ্যাত সেগুলোর জন্য এককালীন ফি দিতে হয় দুই হাজার টাকা ও নবায়ন ফি এক হাজার টাকা লাগে। চমৎকারবনে রাস পূর্ণিমার সময় তীর্থযাত্রীদের ৩ দিনের জন্য জনপ্রতি ফি দিতে হয় ৫০ টাকা, নিবন্ধনকৃত ট্রলার ফি ২০০ টাকা, অনিবন্ধনকৃত ট্রলারের ফি ৮০০ টাকা এবং প্রত্যেক দিন অবজায়গাের জন্য ট্রলারের ফি ২০০ টাকা।
বন ঘেঁষা খালের পানিতে কুমীর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হেলিকপ্টার/সী প্লেনের জন্য এককালীন ফি লাগে ৩০ হাজার টাকা, নবায়ন করতে ফি দিতে হয় ১০ হাজার টাকা। চমৎকারবনের অভয়ারন্যে হিরণ পয়েন্টের নীলকমলে বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, মোংলায় পর্যটন কর্পোরেশন হোটেলে ও পশুর বন্দরে আবাসন সুবিধা আছে।
যদি কোন ট্যুর অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই নিজেরা চমৎকারবন ঘুরে আসতে চান যদিও ঢাকার গাবতলী অথবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে মেঘনা পরিবহন (০১৭১৭-৩৮৮৫৫৩), দর্শনার্থী পরিবহন (০১৭১১-১৩১০৭৮), সাকুরা পরিবহন (০১৭১১-০১০৪৫০) কিংবা সোহাগ পরিবহন (০১৭১৮-৬৭৯৩০২) এর বাসে বাগেরহাট চলে আসুন। বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়ে বনের প্রবেশ করুন। চাইলে কমলাপুর থেকে ট্রেনের মাধ্যমে খুলনা আসতে পারেন।
খরচঅভয়ারণ্য অঞ্চলয় দেশি দর্শনার্থীদের জন্য প্রত্যেক দিনের জনপ্রতি ভ্রমণ ফি – ১৫০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য – ৩০ টাকা, বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য ভ্রমণ ফি – ১৫০০ টাকা। আবার মাঝে মাঝে সুপরিচিত রয়েল বেঙ্গল টাইগারেরও দর্শন মিলে এই বনে। সুতরাং এই ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
বনের মধ্য দিয়ে চলার সময় সাপ কিংবা বাঘের বেপারে সতর্ক থেকে চলাফেরা করুন। এছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কয়েকটি সাধারন মানের আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ আছে। কচিখালী সমুদ্র সৈকতের লবনাক্ত জল কটকা নদীর সাথে গিয়ে মিশেছে।
আর বনের উত্তর-পশ্চিম দিকে চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, বানর, বন মোরগ, অজগর সাপসহ নানা বন্যপ্রাণীর বিচরণ। ভিডিও ক্যামেরা বাবদ দেশি দর্শনার্থীদের ফি দিতে হয় ২০০ টাকা এবং বিদেশি দর্শনার্থীদের ফি দিতে হয় ৩০০ টাকা। সাধারণ ট্রলার তিন হাজার টাকা ফি-তে চমৎকারবন অবজায়গা করতে পারে, এদের নবায়ন ফি – ১৫০০ টাকা।
তাই সাগরে নামা থেকে বিরত থাকুন। করমজলে দেশি দর্শনার্থীদের জন্য ভ্রমণ ফি জনপ্রতি ২০ টাকা, বিদেশিদের জন্য ৩০০ টাকা। স্পিডবোটের জন্য ফি দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা, নবায়ন করতে লাগে দুই হাজার টাকা।
৫০ ফুটের নিচে নৌযানের জন্য সাড়ে সাত হাজার টাকা ও এদের জন্য নবায়ন ফি লাগে আড়াই হাজার টাকা। কচিখালী সমুদ্র সৈকত ভ্রমণের সতর্কতাকচিখালীর ঢেউ সবসময়ই পরিবর্তনশীল এবং সৈকতে চোরাবালি রয়েছে। আর লঞ্চ হচ্ছে কচিখালী যাওয়ার প্রধান বাহন।
তাই কচিখালি সমুদ্র সৈকত যাওয়ার জন্য কটকা হয়ে যাওয়া সব চেয়ে সুবিধাজনক। কটকা সমুদ্র সৈকত থেকে সোজা পুর্ব দিকে কচিখালি সমুদ্র সৈকতের অবজায়গা। বহুে আবার রাতে থাকার জন্য টুরিস্ট ভেসেল বা নৌযানকে বেছে নেন।
একা কিংবা ৫-৬ জনের ছোট্ট গ্রুপের জন্য কচিখালি সমুদ্র সৈকত ঘুরতে যেতে বহু বেশি খরচ হয়। ট্যুর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভ্রমণ, এভারগ্রীণ ট্রাভেল বাংলাদেশ, ট্রাভেল ডায়েরি, চমৎকারবন ট্যুর বাংলাদেশ, ট্যুর ডট কম ডট বিডি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। নৌকা থেকে নেমে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে যেতে হয় বনের গভীরে।
কাঙ্ক্ষিত কচিখালী সমুদ্র সৈকতের দেখা মিলে বনের একদম শেষ সীমানায়। কোথায় খাবেনট্যুর অপারেটদের প্যাকেজের মধ্যে খাবারের ব্যবস্থার ব্যবস্থা থাকে তাই এই বেপারে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। ম্যানগ্রোভ বন, ফার্ন এবং ৪০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, চোখজুড়ানো সবুজের সমারোহ এবং সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে কচিখালী সমুদ্র সৈকতের বুনো সৌন্দর্য দর্শনার্থীদের রোমাঞ্চিত করে।
এছাড়া বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা থেকেও চমৎকারবন যাওয়ার নানা নৌযান ভাড়া করার সুযোগ পাবেন।
কীভাবে যাবেন
চমৎকারবন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের কাছে কচিখালী সমুদ্র সৈকত নিয়ে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ করা যায়। এডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য কচিখালী অভয়ারণ্যে প্রবেশের রাস্তাটি একটা আদর্শ জায়গা। বন বিভাগের ভ্রমণ ফি ছাড়াও অন্যান্য খরচের মধ্যে রয়েছে প্রত্যেক দিন গাইডের জন্য ফি ৫০০ টাকা, নিরাপত্তা গার্ডদের জন্য ফি ৩০০ টাকা, লঞ্চের ক্রুর জন্য ফি ৭০ টাকা, টেলিকমিউনিকেশন ফি ২০০ টাকা।
এছাড়া কটকা নদীর মোহনায় কুমির, শুশুক ও ডলফিনের মতো জলজ প্রাণী দেখতে পাওয়া যায়। টুরিস্ট গাইডের দেখানো পথ ছাড়া নিজেদের ইচ্ছামত চলাচল করবেন না। বনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে উজ্জল রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন।
চমৎকারবনের শরণখোলা রেঞ্জের এই সৈকতটিকে বলা হয় ভয়ংকর চমৎকার! কারণ সৈকতে পৌঁছাতে হলে বঙ্গোপসাগরের মোহনার খরস্রোতা কটকা নদী ও চমৎকারবনের ভিতরের প্রায় ৩ কিলোমিটার বুনো পথ পাড়ি দিতে হয়। সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি এখানে আছে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং পর্যটন কেন্দ্র।
এই পথে প্রায়ই হরিনের পাল, বন্য শুকর এবং বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। অভয়ারণ্যের বাইরে দেশি দর্শনার্থীদের ভ্রমণ ফি – ৭০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রী- ২০ টাকা, বিদেশিদের জন্য ভ্রমণ ফি – ১০০০ টাকা ও গবেষকদের জন্য ভ্রমণ ফি – ৪০ টাকা। সেক্ষেত্রে আগে থেকেই বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখতে হবে।
৫০ ফুট থেকে ১০০ ফুট লঞ্চের জন্য এককালীন ১০ হাজার টাকা দিতে হয় আর নবায়ন ফি লাগে তিন হাজার টাকা। সন্ধ্যার হবার আগে নিরাপদ জায়গাে ফিরে যান।
কীভাবে যাবেন?
চমৎকারবন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের কাছে কচিখালী সমুদ্র সৈকত নিয়ে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ করা যায়।
যদি কোন ট্যুর অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই নিজেরা চমৎকারবন ঘুরে আসতে চান যদিও ঢাকার গাবতলী অথবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে মেঘনা পরিবহন (০১৭১৭-৩৮৮৫৫৩), দর্শনার্থী পরিবহন (০১৭১১-১৩১০৭৮), সাকুরা পরিবহন (০১৭১১-০১০৪৫০) কিংবা সোহাগ পরিবহন (০১৭১৮-৬৭৯৩০২) এর বাসে বাগেরহাট চলে আসুন।
চাইলে কমলাপুর থেকে ট্রেনের মাধ্যমে খুলনা আসতে পারেন।
এক্ষেত্রে চমৎকারবনে পরিচালিত নানা ট্যুর এজেন্সির প্যাকেজ নিতে পারেন।
তাই কচিখালি সমুদ্র সৈকত যাওয়ার জন্য কটকা হয়ে যাওয়া সব চেয়ে সুবিধাজনক।
একা কিংবা ৫-৬ জনের ছোট্ট গ্রুপের জন্য কচিখালি সমুদ্র সৈকত ঘুরতে যেতে বহু বেশি খরচ হয়।
কোথায় থাকবেন?
অধিকাংশ দর্শনার্থীেরা কটকা-কচিখালীতে রাতে থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন। বহুে আবার রাতে থাকার জন্য টুরিস্ট ভেসেল বা নৌযানকে বেছে নেন। চমৎকারবনের অভয়ারন্যে হিরণ পয়েন্টের নীলকমলে বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, মোংলায় পর্যটন কর্পোরেশন হোটেলে ও পশুর বন্দরে আবাসন সুবিধা আছে। সেক্ষেত্রে আগে থেকেই বন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কয়েকটি সাধারন মানের আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ আছে।
কোথায় খাবেন?
ট্যুর অপারেটদের প্যাকেজের মধ্যে খাবারের ব্যবস্থার ব্যবস্থা থাকে তাই এই বেপারে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। যদিও বন বিভাগের রেস্ট হাউজে পূর্ব যোগাযোগের ভিত্তিতে খাওয়ার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কচিখালী সমুদ্র সৈকত কীভাবে যাবেন?
চমৎকারবন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের কাছে কচিখালী সমুদ্র সৈকত নিয়ে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ করা যায়। যদি কোন ট্যুর অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই নিজেরা চমৎকারবন ঘুরে আসতে চান যদিও ঢাকার গাবতলী অথবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে মেঘনা পরিবহন (০১৭১৭-৩৮৮৫৫৩), দর্শনার্থী পরিবহন (০১৭১১-১৩১০৭৮), সাকুরা পরিবহন (০১৭১১-০১০৪৫০)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
অধিকাংশ দর্শনার্থীেরা কটকা-কচিখালীতে রাতে থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন। বহুে আবার রাতে থাকার জন্য টুরিস্ট ভেসেল বা নৌযানকে বেছে নেন। চমৎকারবনের অভয়ারন্যে হিরণ পয়েন্টের নীলকমলে বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, মোংলায় পর্যটন কর্পোরেশন হোটেলে ও পশুর বন্দরে
কচিখালী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চমৎকারবনের কটকা নদীর পূর্ব দিকে রয়েছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত কচিখালী সমুদ্র সৈকত (Kochikhali Sea Beach) একটা চমৎকার দর্শনীয় জায়গা। এক্ষেত্রে চমৎকারবনে পরিচালিত নানা ট্যুর এজেন্সির প্যাকেজ নিতে পারেন। ১০০ ফুটের ঊর্ধ্বে লঞ্চের জন্য দিতে হয় ১৫ হাজার টাকা, নবায়ন ফি দিতে হয় চ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

