দুবলার চর (Dublar Char) চমৎকারবনের বাংলাদেশ অংশের দক্ষিণ দিকে, হিরণ পয়েন্ট থেকে দক্ষিণ-পূর্বে এবং কটকার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে একটা ছোট্ট চমৎকার দ্বীপ। এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

দুবলার চর সম্পর্কে
প্রায় শত বছরের পুরনো এই রাসমেলা দেখার জন্যে দূর-দূরান্ত থেকে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীেরা ছুটে আসেন। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি গুনতে হবে ৫০০০ টাকা। এতে সবই দেখা হবে আপনার।
তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। দুবলার চরের সকল পরিবারই মৎস্যজীবী তাই একে জেলে পল্লী বলা চলে। বাগেরহাট থেকে মোংলা রওনা দিতে হবে।
চমৎকারবনের বাগেরহাটস্থ পূর্ব বিভাগের সদর দপ্তর থেকে মাছ সংগ্রহের অনুমতি নিয়েই শুধুকেবল দুবলার চরে জেলেরা ভেতরে যেতে পারেন।
কোথায় থাকবেন
দুবলার চরে থাকতে চাইলে যে ট্যুরিস্ট লঞ্চে যাবেন সেখানেই আবাসন সুবিধা থাকে। রাসমেলার উৎসবে রওনা দিতে হবে বন বিভাগের ঠিক করে দেওয়া নির্দিষ্ট পথে। যদিও এই বছর ২০২৫ সালে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এবারও পুণ্যার্থী ছাড়া অন্য কেউ ওই সময় চমৎকারবন ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন না।
তাই সবচেয়ে ভালো হবে চমৎকারবন ভ্রমণের কোন প্যাকেজে দুবলার চর ঘুরে দেখা। পুণ্যার্থীদের চমৎকারবনে প্রবেশের সময় সঙ্গে রাখতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুমতিপত্রের মূল কপি। প্রতি বছর কার্ত্তিক মাসে (নভেম্বর) দুবলার চরে তিনদিনব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাসমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
যদিও বেশিরভাগ দর্শনার্থী দুবলার চর ভ্রমণ করে থাকেন মূলত জাহাজে করে চমৎকারবন ঘুরে দেখার মাধ্যমে। প্রায়ই দুবলার চরে যাওয়ার জন্যে যে ট্রলার বা ট্যুরিস্ট ভ্যাসেল ভাড়া করা হয় সেখানেই রাতে থাকা ও খাওয়া দাওয়ার সুবিধা ও অন্যসব সবকিছুর ব্যবস্থা থাকে। মোংলা থেকে দুবলার চর যাবার নৌযান ভাড়া করার সুযোগ পাবেন।
কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। যদিও সর্বাধিক ভাল হয় সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া। নৌকাতেই থাকা ও খাওয়ার প্যাকেজ সহ ভাড়া করতে হবে।
দুবলার চর হিন্দুধর্মালম্বীদের পূণ্যস্নান, রাসমেলা এবং হরিণের জন্য সর্বাধিক সুপরিচিত। মাছ ধরার পাশাপাশি এখানে চলে শুঁটকি তৈরীর কাজ। নীলকমল ও কচিখালীতে কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
যদিও কচিখালীতে ৪ কক্ষ ভাড়া নিলে ১০,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। চমৎকারবন ভ্রমণের বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের চমৎকারবন ভ্রমণ গাইড আর্টিকেল। বর্ষাকালে ইলিশ শিকারের জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বাগেরহাট, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা এবং খুলনা থেকে দলবেঁধে জেলেরা দুবলার চরে এসে সাময়িক বসতি গড়ে তোলে।
দুবলার চর থেকে শুঁটকি নিয়ে চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জের পাইকারী বাজারে সংরক্ষণ এবং বিক্রয় করা হয়।
দুবলার চর কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন। কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝখানে জেগে উঠেছে বিচ্ছিন্ন এই দুবলার চর। সাধারনত চমৎকারবন ভ্রমণ প্যাকেজ গুলোর মধ্যে দুবলার চর ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
বিচ্ছিন্ন এই দুবলার চরের রাশমেলা দেখার ইচ্ছে থাকলে আগে থেকেই পরিকল্পণা করে রাখুন। আর যা যা দেখতে পারেন:কটকা সমুদ্র সৈকতহিরণপয়েন্টনিঝুম দ্বীপ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন।
সাধারনত চমৎকারবন ভ্রমণ প্যাকেজ গুলোর মধ্যে দুবলার চর ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
তাই সবচেয়ে ভালো হবে চমৎকারবন ভ্রমণের কোন প্যাকেজে দুবলার চর ঘুরে দেখা।
নৌকাতেই থাকা ও খাওয়ার প্যাকেজ সহ ভাড়া করতে হবে।
যদিও সর্বাধিক ভাল হয় সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া।
এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
দুবলার চরে থাকতে চাইলে যে ট্যুরিস্ট লঞ্চে যাবেন সেখানেই আবাসন সুবিধা থাকে। যদিও কচিখালীতে ৪ কক্ষ ভাড়া নিলে ১০,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। নীলকমল ও কচিখালীতে কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি গুনতে হবে ৫০০০ টাকা। আর যা যা দেখতে পারেন: কটকা সমুদ্র সৈকতহিরণপয়েন্টনিঝুম দ্বীপ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
দুবলার চর কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন। সাধারনত চমৎকারবন ভ্রমণ প্যাকেজ গুলোর মধ্যে দুবলার চর ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই সবচেয়ে ভালো হবে চমৎকারবন ভ্রমণের কোন
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
দুবলার চরে থাকতে চাইলে যে ট্যুরিস্ট লঞ্চে যাবেন সেখানেই আবাসন সুবিধা থাকে। যদিও কচিখালীতে ৪ কক্ষ ভাড়া নিলে ১০,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। নীলকমল ও কচিখালীতে কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটকায় বন ব
দুবলার চর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
দুবলার চর (Dublar Char) চমৎকারবনের বাংলাদেশ অংশের দক্ষিণ দিকে, হিরণ পয়েন্ট থেকে দক্ষিণ-পূর্বে এবং কটকার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে একটা ছোট্ট চমৎকার দ্বীপ। এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন। প্রায় শত বছরের পুরনো এই রাসমেলা দেখার জন্যে দূর-দূরান্ত থেকে দে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

