bangladesh · Editorial

হাজাছড়া ঝর্ণা

হাজাছড়া ঝর্ণা বা শুকনাছড়া ঝর্ণা (Hazachora Waterfalls/Shuknachara Falls) নামে পরিচিত জলপ্রপাতটি পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের

Photograph · Collected for Tripzao Journal

হাজাছড়া ঝর্ণা বা শুকনাছড়া ঝর্ণা (Hazachora Waterfalls/Shuknachara Falls) নামে পরিচিত জলপ্রপাতটি পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট অঞ্চলয় রয়েছে। ছুটির দিন গুলোতে যেতে চাইলে আগে থেকেই টিকেট কেটে রাখা ভালো নয়তো পরে টিকেট পেতে ঝামেলা হতে পারে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হাজাছড়া ঝর্ণা

হাজাছড়া ঝর্ণা সম্পর্কে

এদের মধ্যে পর্যটন মোটেল (0371-62084, 0371-62085), হোটেল শৌল্য সুবর্ণ (0371-61436), জিরান হোটেল (0371-61071), হোটেল লিবয়ত (0371-61220), চৌধুরী বাডিং (0371-61176), থ্রি ষ্টার (0371-62057), ফোর ষ্টার (0371-62240), উপহার (0371-61980), হোটেল নিলয় (01556-772206) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তাই শীতের আগে ও বর্ষার শেষে হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে গেলে ঝর্ণাটির আসল সৌন্দর্য্য উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে যাওয়ার সময়হাজাছড়া ঝর্ণাতে সারা বছরই কমবেশি পানি থাকে।

আর খাগড়াছড়ি শহরের কাছে পানখাই পাড়ায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সিস্টেম রেস্তোরাঁ। দর্শনার্থীদের থাকার সুবিধার কথা বিবেচনা করে খাগড়াছড়িতে বেশকিছু আবাসিক হোটেল গড়ে তোলা হয়েছে। ১০ নম্বর হতে ঝিরিপথে ১৫ মিনিট হাটলে হাজাছড়া ঝর্ণায় পৌঁছানো যায়।

দিঘীনালা বাসস্ট্যান্ড থেকে মোটরবাইক বা চাঁদের গাড়িতে চড়ে বাঘাইহাটের আগে ১০ নম্বরে নামতে হবে। খাগড়াছড়ির ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে চাইলে আপনাকে এখানেই খেতে হবে। অসাধারন এই ঝর্ণার জলে গা ভেজানো থেকে বঞ্চিত হলে হাজাছড়া ঝর্ণা দেখার উদ্দেশ্য নিঃসন্দেহে অপূর্ণই থেকে যাবে।

বাসভেদে এসি/নন-এসি জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া ৭৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা। বেশিরভাগ দর্শনার্থীেরা সাজেক ভ্যালী ঘুরে ফিরে যাওয়ার পথে হাজাছড়া ঝর্ণা দর্শন করে যান। চট্রগ্রাম থেকে বাসে করে খাগড়াছড়ি যেতে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা।

কোথায় খাবেন

হাজাছড়া ঝর্ণার আশেপাশে খাওয়া-দাওয়া করার কোন ব্যবস্থা নেই তাই সবচেয়ে ভাল হয় ঝর্ণায় যাওয়ার সময় শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত পানি নিয়ে যাওয়া। মাইনী নদীর জলধারা, রাস্তার দু’পাশে আদিবাসীদের বসবাস, জুম চাষের ক্ষেত এবং সবুজে ঘেরা ঝিরিপথ অভিযাত্রীদের স্বাগতম জানায় হাজাছড়া ঝর্ণার রূপে অভিভূত হতে। রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ, কমলাপুর, কলাবাগান এবং ফকিরাপুল থেকে সরাসরি খাগড়াছড়ি যাওয়ার নানা বাস সার্ভিস রয়েছে।

আপনার পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী শান্তি পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া অথবা শ্যামলী পরিবহন হতে যেকোন একটাকে ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে বেছে নিতে পারেন।

কোথায় থাকবেন

হাজাছড়া ঝর্ণা দেখে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে আপনাকে খাগড়াছড়িতে থাকতে হবে। যোগাযোগ: 0371-62634, 01556-773493, 01732-906322। আর যদি আপনার হাতে সময় থাকে যদিও কাছেই নিউজিল্যান্ড পাড়া থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন।

খাগড়াছড়িতে বাস থেকে নেমে মটর সাইকেল, বাস, চান্দের গাড়িতে চড়ে দিঘীনালা আসতে হবে। খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলা থেকে হাজাছড়া যাওয়ার পথে প্রকৃতির অসাধারণ ক্যানভাস হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আর জায়গাীয় আদিবাসীরা ঝর্ণাটিকে চিত জুরানি থাংঝাং ঝর্ণা (মন প্রশান্তি ঝর্ণা) নামে ডাকেন।

হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে

কীভাবে যাবেন

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে। অথবা ঢাকা থেকে শান্তি পরিবহনের বাসে সরাসরি দিঘীনালা আসতে পারবেন। আর অক্সিজেন মোড় থেকে ১ ঘণ্টা পর পর শান্তি পরিবহনের (ভাড়া ১৯০টাকা) বাস চলাচল করে।

বাঘাইছড়ি উপজেলার ১০ নম্বর রাস্তা থেকে ১৫ মিনিট ঝিরিপথ ধরে হেঁটে পৌঁছানো যায় হাজাছড়া ঝর্ণার পাদদেশে। চট্রগ্রামের কদমতলী থেকে সারাদিনে ৪ টি বিআরটিসি এসি বাস খাগড়াছড়ির পথে চলাচল করে, ভাড়া লাগে ২০০ টাকা। ঝর্ণাটি রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত হলেও খাগড়াছড়ি থেকে সহজেই ঝর্ণাটি দেখতে যাওয়া যায়।

শীতে জলের প্রবাহ কমে গেলেও বর্ষায় ঝর্ণাটি যেন পূর্ণ যৌবন ফিরে পায়। ছবি কৃতজ্ঞতা: ভ্রমণবন্ধুআরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা

কীভাবে যাবেন?

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে।

ছুটির দিন গুলোতে যেতে চাইলে আগে থেকেই টিকেট কেটে রাখা ভালো নয়তো পরে টিকেট পেতে ঝামেলা হতে পারে।

আর অক্সিজেন মোড় থেকে ১ ঘণ্টা পর পর শান্তি পরিবহনের (ভাড়া ১৯০টাকা) বাস চলাচল করে।

অথবা ঢাকা থেকে শান্তি পরিবহনের বাসে সরাসরি দিঘীনালা আসতে পারবেন।

বাসভেদে এসি/নন-এসি জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া ৭৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা।

চট্রগ্রামের কদমতলী থেকে সারাদিনে ৪ টি বিআরটিসি এসি বাস খাগড়াছড়ির পথে চলাচল করে, ভাড়া লাগে ২০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

হাজাছড়া ঝর্ণা দেখে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে আপনাকে খাগড়াছড়িতে থাকতে হবে। এদের মধ্যে পর্যটন মোটেল (0371-62084, 0371-62085), হোটেল শৌল্য সুবর্ণ (0371-61436), জিরান হোটেল (0371-61071), হোটেল লিবয়ত (0371-61220), চৌধুরী বাডিং (0371-61176), থ্রি ষ্টার (0371-62057), ফোর ষ্টার (0371-62240), উপহার (0371-61980), হোটেল নিলয় (01556-772206) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। দর্শনার্থীদের থাকার সুবিধার কথা বিবেচনা করে খাগড়াছড়িতে বেশকিছু আবাসিক হোটেল গড়ে তোলা হয়েছে। ছবি কৃতজ্ঞতা: ভ্রমণবন্ধু আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা

কোথায় খাবেন?

হাজাছড়া ঝর্ণার আশেপাশে খাওয়া-দাওয়া করার কোন ব্যবস্থা নেই তাই সবচেয়ে ভাল হয় ঝর্ণায় যাওয়ার সময় শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত পানি নিয়ে যাওয়া। আর খাগড়াছড়ি শহরের কাছে পানখাই পাড়ায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সিস্টেম রেস্তোরাঁ। যোগাযোগ: 0371-62634, 01556-773493, 01732-906322। খাগড়াছড়ির ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে চাইলে আপনাকে এখানেই খেতে হবে। আর যদি আপনার হাতে সময় থাকে যদিও কাছেই নিউজিল্যান্ড পাড়া থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

হাজাছড়া ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে হাজাছড়া ঝর্ণা দেখতে যেতে চাইলে প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে। ছুটির দিন গুলোতে যেতে চাইলে আগে থেকেই টিকেট কেটে রাখা ভালো নয়তো পরে টিকেট পেতে ঝামেলা হতে পারে। আর অক্সিজেন মোড় থেকে ১ ঘণ্টা পর পর শান্তি পরিবহনের (ভাড়া ১৯০টাকা) বাস চলাচল করে। অথবা ঢাকা থেকে শান্তি পরিবহনের বাসে

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

হাজাছড়া ঝর্ণা দেখে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে আপনাকে খাগড়াছড়িতে থাকতে হবে। এদের মধ্যে পর্যটন মোটেল (0371-62084, 0371-62085), হোটেল শৌল্য সুবর্ণ (0371-61436), জিরান হোটেল (0371-61071), হোটেল লিবয়ত (0371-61220), চৌধুরী বাডিং (0371-61176), থ্রি ষ্টার (0371-62057), ফোর ষ্টার (0371-62240), উপহার (037

হাজাছড়া ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

হাজাছড়া ঝর্ণা বা শুকনাছড়া ঝর্ণা (Hazachora Waterfalls/Shuknachara Falls) নামে পরিচিত জলপ্রপাতটি পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট অঞ্চলয় রয়েছে। ছুটির দিন গুলোতে যেতে চাইলে আগে থেকেই টিকেট কেটে রাখা ভালো নয়তো পরে টিকেট পেতে ঝামেলা হতে পারে। এদের মধ্যে পর্যটন মোটেল (0

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.