bangladesh · Editorial

খান জাহান আলীর মাজার

খান জাহান আলীর মাজার (Khan Jahan Ali Mazar) দেখতে হলে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় রওনা দিতে হবে। হযরত খান জাহান আলী (র:) এর জন্ম ভারতে হলেও বাংলাদেশের যশোর,

Photograph · Collected for Tripzao Journal

খান জাহান আলীর মাজার (Khan Jahan Ali Mazar) দেখতে হলে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় রওনা দিতে হবে। খুলনা বাগেরহাট মহাসড়কে বাস থেকে নেমে ৫ মিনিট পায়ে হেটে মাজারে যেতে পারবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

খান জাহান আলীর মাজার

খান জাহান আলীর মাজার সম্পর্কে

গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সোহাগ, শাকুরা, হানিফ, কমফোর্ট লাইন ও ইগল পরিবহণের গাড়ি ছাড়ে। খান জাহান আলীর সমাধি সৌধটি বর্গাকৃতি। এছাড়া ঢাকা থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর ট্রেন চমৎকারবন এক্সপ্রেসে অথবা চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা এসে সেখান থেকে বাসে বা অটোরিকশায় করে বাগেরহাট আসতে পারবেন।

প্রতি বছর বাংলা বর্ষপুঞ্জির ২৫ অগ্রহায়ণ খান জাহান আলী মাজার প্রাঙ্গনে বার্ষিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়। খান জাহান আলী ৮৬৩ হিজরী ২৬ জিলহজ্ব বুধবার অর্থাৎ ১৪৫৯ সালের ২৩ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। খাঞ্জেলী দীঘির উত্তর পাড়ে তাঁর সমাধি সৌধ নির্মিণ করা হয়েছে।

হযরত খান জাহান আলী (র:) এর জন্ম ভারতে হলেও বাংলাদেশের যশোর, বাগেরহাট এলাকাে তিনি ধর্ম প্রচার করতে আসেন। তিনিই বাগেরহাটে সুপরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন। এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।

খাবার সুবিধাএখানে কিছু সাধারণ মানের খাবার হোটেল রয়েছে তাই খাওয়ার জন্য বাসস্ট্যান্ড কিংবা দরগার কাছে হোটেলগুলোতে পৌঁছাতে পারবেন। দরগাহ বা মাজারের স্থাপত্যশৈলীর সাথে ষাটগুম্বুজ মসজিদের বেশ মিল রয়েছে। সৌধের প্রাচীর ২৫ ফুট উঁচু এবং এর ছাদে রয়েছে একটা গম্বুজ।

খান জাহান আলীর মাজার দেখতে, ওরশ এবং মেলায় সারাদেশ থেকে হাজার হাজার ভক্ত মাজারে এসে সমবেত হন। রেল রোডে মমতাজ হোটেলে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান তুলনামূলক ভাল, যদিও খরচ একটু বেশি।

কোথায় থাকবেন

বাগেরহাটে থাকার জন্য তেমন ভাল ব্যবস্থা নেই, যদিও মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। এই সমাধি সৌধের ভিতরে একটা পাথরের বেদিতে হযরত খানজাহান আলীর মাজার রয়েছে। আর চৈত্র মাসের প্রথম পূর্ণিমায় এখানে মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা বাগেরহাট মহাসড়ক থেকে কেবল ৩০০ গজ দূরত্বে খান জাহান আলীর মাজার শরীফের অবজায়গা। যদিও তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি যদিও গবেষকগণ ধারণা করেন খান জাহান আলী সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ্-এর সমসাময়িক ছিলেন। খুলনা থেকে বাগেরহাট বাসে যেতে কেবল ১ ঘণ্টা সময় লাগে তাই রাত্রি যাপনের জন্য প্রয়োজনে চলে আসতে পারেন খুলনা বিভাগীয় শহরে।

বহুের মতে খান জাহান আলী আরব দেশ থেকে দিল্লী হয়ে বাংলাদেশে আসেন । এছাড়া বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। সুলতানের প্রতিনিধি হিসাবেই খান জাহান আলী বাগেরহাট এলাকাে জনপদ সৃষ্টি করে “খলিফাত-ই-আবাদ” নামকরণ করেন এবং ৩৬০ জন আউলিয়ার আগমনের সংখ্যার সাথে মিল রেখে তিনি ভাটি এলাকাে ৩৬০ টি মসজিদ নির্মাণ ও ৩৬০ টি দীঘি খনন করে ছিলেন।

খান জাহান আলী তৎকালীন গৌড়ের সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সেবিচিত্রয়ক ছিলেন। খান জাহান আলীর মাজার শরীফ বাগেরহাট শহর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এবং খুলনা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়। যদিও অবশ্যই খাবারের মান ও দাম সম্পর্কে জেনে নিন।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়।

খান জাহান আলীর মাজার শরীফ বাগেরহাট শহর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এবং খুলনা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে।

খুলনা বাগেরহাট মহাসড়ক থেকে কেবল ৩০০ গজ দূরত্বে খান জাহান আলীর মাজার শরীফের অবজায়গা।

এছাড়া ঢাকা থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর ট্রেন চমৎকারবন এক্সপ্রেসে অথবা চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে খুলনা এসে সেখান থেকে বাসে বা অটোরিকশায় করে বাগেরহাট আসতে পারবেন।

গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সোহাগ, শাকুরা, হানিফ, কমফোর্ট লাইন ও ইগল পরিবহণের গাড়ি ছাড়ে।

এই বাসগুলোতে জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া লাগে।

কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাটে থাকার জন্য তেমন ভাল ব্যবস্থা নেই, যদিও মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। এছাড়া বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। রেল রোডে মমতাজ হোটেলে সুযোগ সুবিধা কম থাকলেও সেবার মান তুলনামূলক ভাল, যদিও খরচ একটু বেশি। খুলনা থেকে বাগেরহাট বাসে যেতে কেবল ১ ঘণ্টা সময় লাগে তাই রাত্রি যাপনের জন্য প্রয়োজনে চলে আসতে পারেন খুলনা বিভাগীয় শহরে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

খান জাহান আলীর মাজার কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং সন্ধা ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেঘনা, বনফূল, ফাল্গুনী, আরা, দর্শনার্থী, বলেশ্বর, হামিম ও দোলা পরিবহণের বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়। খান জাহান আলীর মাজার শরীফ বাগেরহাট শহর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এবং খুলনা থেকে প্র

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাটে থাকার জন্য তেমন ভাল ব্যবস্থা নেই, যদিও মাঝারি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। এছাড়া বাগেরহাট সদরে সরকারি গেস্টহাউস, হোটেল অভি (০১৮৩৩৭৪২৬২৩) ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল আল আমিন (০৪৬৮-৬৩১৬৮, ০১৭১৮৬৯২৭৩৭) এবং হোটেল মোহনা (০৪৬৮-৬৩০৭৫, ০১৭২২৮৫৮৩১৩) তে ৪০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকায় রাত্রি যা

খান জাহান আলীর মাজার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

খান জাহান আলীর মাজার (Khan Jahan Ali Mazar) দেখতে হলে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় রওনা দিতে হবে। খুলনা বাগেরহাট মহাসড়কে বাস থেকে নেমে ৫ মিনিট পায়ে হেটে মাজারে যেতে পারবেন। গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সোহাগ, শাকুরা, হানিফ, কমফোর্ট লাইন ও ইগল পরিবহণের গাড়ি ছাড়ে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.