১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গকারী এক সাহসী যোদ্ধার নাম মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। ১৯৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের হয়ে যুদ্ধে অংশ নেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর সম্পর্কে
এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মারুফ ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেবা আবাসিক, হোটেল গ্রীন প্যালেস অন্যতম। এগুলো ঢাকা থেকে দুপুর ৩টায় ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ থেকে ৮টার মধ্যে ভোলা ইলিশা ঘাটে পৌঁছায়।
কীভাবে যাবেন
দ্বীপ জেলা হওয়ায় ঢাকা থেকে ভোলা যাওয়ার সরাসরি কোনো বাস বা ট্রেন নেই। ভোলা জেলা শহর থেকে বাস, সিএনজি এবং অটোরিকশায় চড়ে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর পৌঁছাতে পারবেন। যুদ্ধের সময় তাঁকে মৌখিকভাবে ল্যান্স নায়েকের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।
আর মৌটুপীর গ্রামের নাম পরিবর্তন করে কামাল নগর রাখা হয়েছে৷ জাদুঘরে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের নানা স্মৃতিচিহ্ন, বীরশ্রেষ্ঠর ব্যবহৃত সামগ্রী, ছবি এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ধারক নানা গ্রন্থ জায়গা পেয়েছে। সময়সূচী: বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর সরকারী ছুটির দিন ছাড়া প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে। সড়কপথে বরিশাল কিংবা লক্ষ্মীপুর হয়ে ভোলা যেতে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা।
এই বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং স্মৃতি রক্ষার্থে ২০০৮ সালে ভোলা জেলা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে আলীনগর ইউনিয়নের মোস্তফা নগরে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার (Birshreshtha Mostafa Kamal Memorial Museum And Library) প্রতিষ্ঠা করা হয়। পিতার চাকুরীর সুবাদে সেনানিবাসে কেটেছে দুঃসাহসী মোস্তফা কামালের শৈশব জীবনের বেশীরভাগ সময়। এক্ষেত্রে এককেবল উপায় হচ্ছে লঞ্চ।
এছারা ঢাকা থেকে বাসে চড়ে বরিশাল কিংবা লক্ষ্মীপুর এসে সী-ট্রাকে ভোলা যেতে পারবেন। ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে নানা সময়ে ভোলার উদ্দেশে নানা লঞ্চ ছেড়ে যায়।
কোথায় থাকবেন
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এরমধ্যে আছে দোয়েল, এমভি ক্রিস্টাল, শ্রীনগর ৭ এম ভি গাজী সালাউদ্দিন ইত্যাদি। ইলিশা ঘাট থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১টা-২টার মধ্যে ঢাকা পৌঁছায়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমক্ষ যুদ্ধে এই বীর সন্তান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনির হাতে শাহাদাৎ বরণ করেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এছাড়া লাইব্রেরীতে আরও আছে সুপরিচিত ব্যক্তিবর্গের জীবনী, উপন্যাস, ধর্মীয় গ্রন্থ, বিজ্ঞান বিষয়ক রচনাবলী, সাধারণ জ্ঞান, শিশুসাহিত্য, কবিতাপুরোসহ বিচিত্রন ধরনের বৈচিত্র্যময় বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ।
২০ বছর বয়সে সেনা সদস্য হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠা মোস্তফা কামাল পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর, রাঙ্গামাটি
কীভাবে যাবেন?
দ্বীপ জেলা হওয়ায় ঢাকা থেকে ভোলা যাওয়ার সরাসরি কোনো বাস বা ট্রেন নেই।
এক্ষেত্রে এককেবল উপায় হচ্ছে লঞ্চ।
ইলিশা ঘাট থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১টা-২টার মধ্যে ঢাকা পৌঁছায়।
ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে নানা সময়ে ভোলার উদ্দেশে নানা লঞ্চ ছেড়ে যায়।
এছারা ঢাকা থেকে বাসে চড়ে বরিশাল কিংবা লক্ষ্মীপুর এসে সী-ট্রাকে ভোলা যেতে পারবেন।
এগুলো ঢাকা থেকে দুপুর ৩টায় ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ থেকে ৮টার মধ্যে ভোলা ইলিশা ঘাটে পৌঁছায়।
কোথায় থাকবেন?
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মারুফ ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেবা আবাসিক, হোটেল গ্রীন প্যালেস অন্যতম। আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর, রাঙ্গামাটি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর কীভাবে যাবেন?
দ্বীপ জেলা হওয়ায় ঢাকা থেকে ভোলা যাওয়ার সরাসরি কোনো বাস বা ট্রেন নেই। এক্ষেত্রে এককেবল উপায় হচ্ছে লঞ্চ। ইলিশা ঘাট থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১টা-২টার মধ্যে ঢাকা পৌঁছায়। ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে নানা সময়ে ভোলার উদ্দেশে নানা লঞ্চ ছেড়ে যায়। এছারা ঢাকা থেকে বাসে চড়ে বরিশাল কিংবা লক্ষ্মীপুর এসে স
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মারুফ ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেবা আবাসিক, হোটেল গ্রীন প্যালেস অন্যতম। আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর, রাঙ্গামাটি
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গকারী এক সাহসী যোদ্ধার নাম মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। ১৯৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের হয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মারুফ ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেবা আবাসিক, হোটেল গ্রীন প্যালেস
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
