ভোলা জেলা থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে ইতিহাস-সমৃদ্ধ তালুকদার জমিদার বাড়ি রয়েছে। সুযোগ থাকলে ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

তালুকদার বাড়ী সম্পর্কে
ঢাকা সদরঘাট থেকে বেশকিছু লঞ্চ ঢাকা টু ভোলা নৌরুটে চলাচল করে। তাছাড়া ভোলা সদর উপজেলায়ও ভালমানের বহু খাবারের হোটেল/রেস্তোরাঁ আছে। জায়গাীয়দের কাছে বাড়ীটি দেউলা জিন্নাতুল্লা তালুকদার বাড়ি (Talukder Bari) হিসেবে সুপরিচিত।
অসংখ্য গাছ-গাছালী দিয়ে ঘেরা বিশাল এই তালুকদার বাড়িকে কেন্দ্র করে আরও কয়েকটি ছোট ছোট বাড়ি রয়েছে। কোথায় থাকবেনভোলা জেলার রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য দ্যা পাপিলন হোটেল, হোটেল বে আইল্যান্ড, ক্রিস্টাল ইন, হোটেল জেড ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল আহসান, হোটেল জাহান, হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, মাহবুবা ইন্টারন্যাশনাল, রয়েল প্যালেস, হোটেল শাপলা, হোটেল প্যারাডাইস, হোটেল আফরোজ ও হোটেল হাবিব প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যদিও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাড়িটির সৌন্দর্য বহুটাই বিলীন হয়ে গিয়েছে।
তালুকদার বাড়ির পূর্ব-উত্তর দিকে বিশাল দীঘি ও একটা মসজিদ রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে ভোলা জেলায় পৌঁছানো যায়। প্রায় ১৮০ বছর পূর্বে ভোলার ২৭টি মৌজার অধিকারী জমিদার বোরহানউদ্দিন এই বাড়িটি নির্মাণ করেন। যদিও মূল বাড়ির অভ্যন্তরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন হল রুম এই বাড়ির সর্বাধিক দর্শনীয় দিক।
যদিও নৌপথে ভোলা যাওয়া সর্বাধিক সুবিধাজনক। এখন জমিদার বংশের উত্তরসূরিরা এই তালুকদার বাড়িতে বসবাস করেন। কোথায় খাবেনভোলা থেকে তালুকদার বাড়ি যাবার পথে বিএফসি, জুয়েল ফুড স্টোর, চায়না গার্ডেন চাইনিজ ও বিরিয়ানি হাউজ ও ফুড সমাহারের মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ পাবেন।
ভোলা জেলায় পৌঁছে বাস বা অটোরিকশায় বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এসে জায়গাীয় পরিবহণে তালুকদার জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন। ভোলা জেলার দর্শনীয় জায়গাভোলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল জাদুঘর, স্বাধীনতা জাদুঘর, নিজাম হাসিনা মসজিদ, জ্যাকব টাওয়ার, চর কুকরি মুকরি ও মনপুরা দ্বীপ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে ভোলা জেলায় পৌঁছানো যায়।
ঢাকা সদরঘাট থেকে বেশকিছু লঞ্চ ঢাকা টু ভোলা নৌরুটে চলাচল করে।
যদিও নৌপথে ভোলা যাওয়া সর্বাধিক সুবিধাজনক।
ভোলা জেলায় পৌঁছে বাস বা অটোরিকশায় বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এসে জায়গাীয় পরিবহণে তালুকদার জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ভোলা জেলার রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য দ্যা পাপিলন হোটেল, হোটেল বে আইল্যান্ড, ক্রিস্টাল ইন, হোটেল জেড ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল আহসান, হোটেল জাহান, হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, মাহবুবা ইন্টারন্যাশনাল, রয়েল প্যালেস, হোটেল শাপলা, হোটেল প্যারাডাইস, হোটেল আফরোজ ও হোটেল হাবিব প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
ভোলা থেকে তালুকদার বাড়ি যাবার পথে বিএফসি, জুয়েল ফুড স্টোর, চায়না গার্ডেন চাইনিজ ও বিরিয়ানি হাউজ ও ফুড সমাহারের মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ পাবেন। তাছাড়া ভোলা সদর উপজেলায়ও ভালমানের বহু খাবারের হোটেল/রেস্তোরাঁ আছে। সুযোগ থাকলে ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
তালুকদার বাড়ী কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে ভোলা জেলায় পৌঁছানো যায়। ঢাকা সদরঘাট থেকে বেশকিছু লঞ্চ ঢাকা টু ভোলা নৌরুটে চলাচল করে। যদিও নৌপথে ভোলা যাওয়া সর্বাধিক সুবিধাজনক। ভোলা জেলায় পৌঁছে বাস বা অটোরিকশায় বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এসে জায়গাীয় পরিবহণে তালুকদার জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ভোলা জেলার রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য দ্যা পাপিলন হোটেল, হোটেল বে আইল্যান্ড, ক্রিস্টাল ইন, হোটেল জেড ইন্টার ন্যাশনাল, হোটেল আহসান, হোটেল জাহান, হোটেল গোল্ডেন প্লাজা, মাহবুবা ইন্টারন্যাশনাল, রয়েল প্যালেস, হোটেল শাপলা, হোটেল প্যারাডাইস, হোটেল আফরোজ ও হোটেল হাবিব প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
তালুকদার বাড়ী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ভোলা জেলা থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে ইতিহাস-সমৃদ্ধ তালুকদার জমিদার বাড়ি রয়েছে। সুযোগ থাকলে ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। ঢাকা সদরঘাট থেকে বেশকিছু লঞ্চ ঢাকা টু ভোলা নৌরুটে চলাচল করে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
