bangladesh · Editorial

আমিয়াখুম জলপ্রপাত

আমিয়াখুম জলপ্রপাত (Amiakhum Waterfall) ভ্রমণ গাইড। বান্দরবানের আমিয়াখুম যাওয়ার উপায়, ট্যুর প্ল্যান, ভ্রমণ খরচ, কোথায় থাকবেন, কোথায় খাবেন, গাইড ও টিপস।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় রয়েছে একটা অসাধারণ জলপ্রপাতের নাম আমিয়াখুম (Amiakum Waterfall)। প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা বান্দরবানের প্রকৃতির আদিম সৌন্দর্য দেখতে দেখতে দেবতা পাহাড় হয়ে আমিয়াখুম ঝর্ণায় পৌঁছে যাবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

আমিয়াখুম জলপ্রপাত

আমিয়াখুম জলপ্রপাত সম্পর্কে

মনে রাখবেন সেখানে গাইডই আপনার এককেবল পথ নির্দেশক। এটি বাংলাদেশের দুর্গম জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম। যদি দুপুরের মধ্যে রোমাক্রির পৌঁছাতে পারেন যদিও আর সময় নষ্ট না করে নাফাখুম ঝর্ণার উদ্দেশ্য হাটা শুরু করতে পারেন।

এছাড়া স্যালাইন, গ্লুকোজ বহু কাজে দিবে। কোথায় কি খাবেন তার জন্যে গাইডের সাথে আগেই পরামর্শ করে নিন। থানচির পর থেকে গাইডই আপনাকে সকল বিষয়ে সহায়তা করবে।

এছাড়া বহু ট্রাভেল গ্রুপ আমিয়াখুম ট্যুর দিয়ে থাকে, তাঁদের সাথেও পৌঁছাতে পারবেন। গাইড ঠিক করার আগে কি কি প্ল্যান, কি কি দেখবেন তার বিস্তারিত ঠিক করে নিন। রিজার্ভ জীপ/চান্দের গাড়ী ৫৫০০-৬০০০ টাকা এবং বাসে জনপ্রতি ২০০ টাকা।

আমিয়াখুম ভ্রমণ খরচআমিয়াখুম ভ্রমণে গেলে অবশ্যই একসাথে কয়েকজন মিলে ঘুরতে যাওয়া উচিত। বর্ষায় আমিয়াখুমের সৌন্দর্য পূর্ণতা ফিরে পায়। ট্রেকিং এর জন্যে সুবিধাজনক জুতা, ভালো ব্যাগ এবং জামাকাপড় ব্যবহার করতে হবে।

সাথে করে নিজের প্রয়োজনীয় ওষুধ, ফার্স্ট এইড বক্স, কিছু শুকনো খাবার নিয়ে নিবেন। এমন কোন আচরণ করা থেকে বিরত থাকুন যার কারণে তাঁদের জীবনধারা ব্যহত হয় বা মনে আঘাত পায়। কোথায় থাকবেনথানচির পর যেখানেই থাকতে চান আপনাকে জায়গাীয় আদিবাসিদের ঘরে থাকতে হবে।

থানচি বাজারের পর থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। থাকার ব্যাপারে আপনার গাইডই সব ব্যবস্থা করে দিবে। খাবার খরচ – আদীবাসীদের ঘরে খাবার খেতে প্রতি বেলা ১২০-১৫০ টাকা লাগবে।

সর্বশেষ, জায়গাীয় আদিবাসীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। সবুজে মোড়া পাহাড় আর পাথরের বাধা পেরিয়ে দুধসাদা রঙের ফেনা ছড়িয়ে তুমুল বেগে নিচে নেমে আসছে শীতল পানির ধারা। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্যে নানা প্যাকেজে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

থানচি থেকে দুইপথে আমিয়াখুম পৌঁছানো যায়। প্রথম রুট দিয়ে বহুে গেলেও দ্বিতীয় রুট তুলনামূলক সুবিধাজনক। এছাড়া আপনি পদ্মঝিরি দিয়ে গিয়ে রেমাক্রি হয়ে আসতে পারবেন।

আমিয়াখুম ভ্রমণে মূল খরচ গুলো হলো-বান্দরবান আসা – আপনি যেখানেই থাকেন সেখান থেকে বান্দরবান শহরে আসতে যে খরচ। এরপর থানচি হতে নৌকা রিজার্ভ নিয়ে চলে আসুন রোমাক্রি বাজারে। গাইড নিয়ে সেখানের প্রশাসন থেকে অনুমতি নিতে হবে।

যত কম কিছু নেওয়া যায় ততই ভালো হবে আপনার জন্যে। পরিবার পরিচিতদের আগেই জানিয়ে রাখুন পরবর্তী দিন গুলোতে আপনি নেটওয়ার্ক এর বাইরে থাকবেন। থানচি উপজেলায় পৌঁছে অবশ্যই আপনাকে একজন গাইড ঠিক করে নিতে হবে।

এতে খরচ যেমন কম হবে তেমনি এই দুর্গম যায়গা ভ্রমণে সাহস পাওয়া যাবে। মূলকপি না হলেও ফটোকপি করিয়ে নিন। পুরো যাত্রাপথে কঠিন পরিশ্রমের ট্রেকিং করতে হবে।

এক নৌকায় ৫-৬ জন বসা যায়। কারণ ব্যাগ আপনাকেই বহন করতে হবে। বহু সময় আমিয়াখুম ভ্রমণ প্রশাসন থেকে বন্ধ থাকে।

লোকালয় থেকে বহু দূরে বিশুদ্ধ প্রকৃর মাঝে জলের পতন আর প্রবাহের শব্দতরঙ্গের সুরের মূর্ছনা দর্শনার্থীদের মোহাবিষ্ট করে তোলে। এই বিষয়টা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। এরপর থানচি উপজেলা হয়ে আমিয়াখুম যেতে হয়।

মানসিক ও শারীরিক ভাবে শক্ত হলেই যদিও এই ট্রেকিং এ যাওয়া উচিত। অসংখ্য কষ্ট স্বীকার করে পাহাড়ের দূর্গমতার মাঝে আমিয়াখুমের মুখোমুখি হওয়া যেন এক যথার্থ উৎসর্গ! যদিও ভরা বর্ষায় সাঙ্গু নদীর পানি বেশি থাকে এবং ফ্লাশ ফ্লাডের আশঙ্কা থাকে বলে নিরাপত্তা বিবেচনা করে যাওয়া উচিত।

পুর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন কেউ থাকলে সবচেয়ে ভাল হবে। এছাড়া থাকা ও খাওয়ার ব্যাপারে গাইডের সাথে আগেই কথা বলে রাখুন। সেখানে কিছুটা সময় কাটিয়ে থুইসা পাড়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন।

ভ্রমণ পরামর্শআমিয়াখুম যেতে হলে দীর্ঘ পথ ও দীর্ঘ সময় ট্রেকিং করতে হয়। তাই অনুমতি ছাড়া আমিয়াখুম যাবার চেষ্টা কখনই করবেন না। বান্দরবান শহর থেকে বাস বা জীপে চড়ে থানচি উপজেলা যেতে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে।

থাকার খরচ – আদিবাসীদের ঘরে থাকতে জনপ্রতি এক রাত ১৫০ টাকা। গাইড ছাড়া আমিয়াখুম যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যাবেনা। আমিয়াখুম যাওয়ার উপায়আমিয়াখুম যেতে চাইলে দেশের যেকোন জায়গা হতে প্রথমে বান্দরবান জেলায় চলে আসুন।

তাই পরিকল্পণা সেই মাফিক সাজিয়ে রাখুন। আপনার এই পুরো পথ ধরে বেশ কিছু আদিবাসী পাড়া রয়েছে। বাচ্চা এবং বয়স্ক ব্যাক্তিদের অবশ্যই আমিয়াখুম ভ্রমণ পরিহার করা উচিত।

রুট ২: থানচি > রেমাক্রি > নাফাখুম > জিনাপাড়া > থুইসাপাড়া > দেবতাপাহাড় > আমিয়াখুম। গাইড খরচ – আমিয়াখুম, ভেলাখুম, সাতভাইখুম সব ভ্রমণের জন্যে গাইড খরচ ৪৫০০-৫০০০ টাকা। নিজেদের নিরাপত্তার জন্যে গাইডের কথা অনুসরন করুন।

সেখানে রাত কাটিয়ে থানচি গাইড সহ আরও একজন লোকাল গাইড নিয়ে খুব সকালে বেড়িয়ে পড়ুন আমিয়াখুম যাত্রায়। ফিরতি পথে আমিয়াখুম থেকে থুইসা পাড়ায় রাত কাটিয়ে আগের মত করে অথবা ভিন্ন রুট ধরে থানচি ফিরে আসুন। এবং অবশ্যই আবহের প্রতি যত্নবান হোন।

প্রায়ই থাকতে হলে রেমাক্রি, নাফাখুম পাড়া, জিনাপাড়া ও থুইসা পাড়ায় রাত্রীযাপন করা হয়। এছাড়া বছরের যে কোন সময়েই যাওয়া যায় এই ঝর্ণায়। গাইডের পরামর্শ মেনে চলুন।

দুপুরের খাবারের জন্যে আগেই ব্যবস্থা করে রাখুন। আমিয়াখুম ঝর্ণার কাছেই রয়েছে ভেলাখুম ও সাতভাইখুম।

কোথায় খাবেন

আপনার ট্রেকিং এর পথে খাওয়ার জন্যে জায়গাীয় আদিবাসীদের ঘরেই খেতে হবে। যাত্রাপথে চেকপোস্টে এবং অনুমতি নিতে প্রয়োজন হবে। অনুমতির জন্যে আপনার আইডি কার্ড (অথবা স্টুডেন্ট আইডি) অবশ্যই রাখতে হবে।

জুম চালের ভাত, সবজি, ডাল, পাহাড়ী মুরগী, আলু ভর্তা এইরকম খাবারের প্যাকেজ অনুযায়ী খেতে পারবেন। তাই আগে যদি ট্রেকিং এর অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে ভাল করে জেনে বুঝে তারপর যাওয়া উচিত। কখন যাবেনবান্দরবানের প্রকৃতির ঐশ্বর্য আমিয়াখুমের সৌন্দর্য দেখতে প্রায় সারাবছরই দেশের নানা প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীেরা এসে ভিড় করেন।

প্রয়োজনীয় ফোন কল থানচি থাকতেই করে ফেলুন। ঝর্ণার রূপে মুগ্ধ হয়ে কেউ কেউ আবার একে বাংলাদেশের সর্বাধিক চমৎকার জলপ্রপাত হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। এবং যাত্রাপথে বিশাল সব পাহাড় খাড়া উঠা ও নামা লাগে।

একসাথে গ্রুপ করে যাওয়া সুবিধাজনক, এতে খরচ যেমন কম হবে তেমনি মনোবল ভাল থাকবে। বান্দরবান থেকে থানচি – বান্দরবান থেকে থানচি যাওয়া আসার জন্যে জীপ, চান্দের গাড়ী অথবা বাসে রওনা দিতে হবে। থুইসা পাড়া পৌছাতে বেশী রাত হবে মনে হলে তার আগের পাড়া জিনাপাড়ায় রাতে কাটিয়ে নিতে পারবেন।

রুট ১: থানচি > পদ্মঝিরি > থুইসাপাড়া > দেবতাপাহাড় > আমিয়াখুম। থানচি থেকে বান্দরবান এসে আপনার গন্তব্যে চলে আসুন। প্রথম পথে শুধুকেবল পদ্মঝিরিতেই প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা ট্রেকিং করতে হয় এবং বহু সময় রাতের বেলাতেও ট্রেকিং করতে হতে পারে।

ট্রেকিং করতে হয় বলে শীতকালে যাওয়া কিছুটা সুবিধাজনক। রোমাক্রি হতে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘন্টা ট্রেকিং করলে নাফাখুম ঝর্ণা দেখার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা আমিয়াখুম জলপ্রপাত বহুের কাছে পেয়েছে বাংলার ভূস্বর্গ নামের সুখ্যাতি।

আর সাথে করে অবশ্যই পরিমান ও পরিকল্পনা মাফিক শুকনো খাবার যেমন বিস্কিট, চকোলেট, চিড়া, মুড়ি, খেজুর এমন সব খাবার নিয়ে যাবেন। থানচি থেকে রেমাক্রি – থানচি থেকে রেমাক্রি ইঞ্জিন নৌকায় যাওয়া ও আসা ৪০০০-৪৫০০ টাকা। আর অবশ্যই ব্যাগ এত ভারি করা যাবেনা।

নাফাখুম ঝর্ণা থেকে ৩-৪ টা ঘন্টা ট্রাকিং দূরত্বে থুইসা পাড়ার অবজায়গা। এমন কিছু করবেন না যার কারণে আবহ ও প্রকৃতির ক্ষতি হয়।

কীভাবে যাবেন?

বান্দরবানের প্রকৃতির ঐশ্বর্য আমিয়াখুমের সৌন্দর্য দেখতে প্রায় সারাবছরই দেশের নানা প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীেরা এসে ভিড় করেন।

অসংখ্য কষ্ট স্বীকার করে পাহাড়ের দূর্গমতার মাঝে আমিয়াখুমের মুখোমুখি হওয়া যেন এক যথার্থ উৎসর্গ! যদিও ভরা বর্ষায় সাঙ্গু নদীর পানি বেশি থাকে এবং ফ্লাশ ফ্লাডের আশঙ্কা থাকে বলে নিরাপত্তা বিবেচনা করে যাওয়া উচিত।

বর্ষায় আমিয়াখুমের সৌন্দর্য পূর্ণতা ফিরে পায়।

এছাড়া বছরের যে কোন সময়েই যাওয়া যায় এই ঝর্ণায়।

ট্রেকিং করতে হয় বলে শীতকালে যাওয়া কিছুটা সুবিধাজনক।

কোথায় থাকবেন?

থানচির পর যেখানেই থাকতে চান আপনাকে জায়গাীয় আদিবাসিদের ঘরে থাকতে হবে। আপনার এই পুরো পথ ধরে বেশ কিছু আদিবাসী পাড়া রয়েছে। প্রায়ই থাকতে হলে রেমাক্রি, নাফাখুম পাড়া, জিনাপাড়া ও থুইসা পাড়ায় রাত্রীযাপন করা হয়। থাকার ব্যাপারে আপনার গাইডই সব ব্যবস্থা করে দিবে।

কোথায় খাবেন?

আপনার ট্রেকিং এর পথে খাওয়ার জন্যে জায়গাীয় আদিবাসীদের ঘরেই খেতে হবে। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্যে নানা প্যাকেজে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। আর সাথে করে অবশ্যই পরিমান ও পরিকল্পনা মাফিক শুকনো খাবার যেমন বিস্কিট, চকোলেট, চিড়া, মুড়ি, খেজুর এমন সব খাবার নিয়ে যাবেন। কোথায় কি খাবেন তার জন্যে গাইডের সাথে আগেই পরামর্শ করে নিন। জুম চালের ভাত, সবজি, ডাল, পাহাড়ী মুরগী, আলু ভর্তা এইরকম খাবারের প্যাকেজ অনুযায়ী খেতে পারবেন। পুরো যাত্রাপথে কঠিন পরিশ্রমের ট্রেকিং করতে হবে।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

আমিয়াখুম যেতে হলে দীর্ঘ পথ ও দীর্ঘ সময় ট্রেকিং করতে হয়। গাইডের পরামর্শ মেনে চলুন। এবং যাত্রাপথে বিশাল সব পাহাড় খাড়া উঠা ও নামা লাগে। এবং অবশ্যই আবহের প্রতি যত্নবান হোন। ট্রেকিং এর জন্যে সুবিধাজনক জুতা, ভালো ব্যাগ এবং জামাকাপড় ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া বহু ট্রাভেল গ্রুপ আমিয়াখুম ট্যুর দিয়ে থাকে, তাঁদের সাথেও পৌঁছাতে পারবেন। গাইড ঠিক করার আগে কি কি প্ল্যান, কি কি দেখবেন তার বিস্তারিত ঠিক করে নিন। নিজেদের নিরাপত্তার জন্যে গাইডের কথা অনুসরন করুন। পুর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন কেউ থাকলে সবচেয়ে ভাল হবে। একসাথে গ্রুপ করে যাওয়া সুবিধাজনক, এতে খরচ যেমন কম হবে তেমনি মনোবল ভাল থাকবে। যাত্রাপথে চেকপোস্টে এবং অনুমত

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

আমিয়াখুম জলপ্রপাত কীভাবে যাবেন?

বান্দরবানের প্রকৃতির ঐশ্বর্য আমিয়াখুমের সৌন্দর্য দেখতে প্রায় সারাবছরই দেশের নানা প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীেরা এসে ভিড় করেন। অসংখ্য কষ্ট স্বীকার করে পাহাড়ের দূর্গমতার মাঝে আমিয়াখুমের মুখোমুখি হওয়া যেন এক যথার্থ উৎসর্গ! যদিও ভরা বর্ষায় সাঙ্গু নদীর পানি বেশি থাকে এবং ফ্লাশ ফ্লাডের আশঙ্কা থাকে বলে ন

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

থানচির পর যেখানেই থাকতে চান আপনাকে জায়গাীয় আদিবাসিদের ঘরে থাকতে হবে। আপনার এই পুরো পথ ধরে বেশ কিছু আদিবাসী পাড়া রয়েছে। প্রায়ই থাকতে হলে রেমাক্রি, নাফাখুম পাড়া, জিনাপাড়া ও থুইসা পাড়ায় রাত্রীযাপন করা হয়। থাকার ব্যাপারে আপনার গাইডই সব ব্যবস্থা করে দিবে।

আমিয়াখুম জলপ্রপাত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় রয়েছে একটা অসাধারণ জলপ্রপাতের নাম আমিয়াখুম (Amiakum Waterfall)। প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা বান্দরবানের প্রকৃতির আদিম সৌন্দর্য দেখতে দেখতে দেবতা পাহাড় হয়ে আমিয়াখুম ঝর্ণায় পৌঁছে যাবেন। মনে রাখবেন সেখানে গাইডই আপনার এককেবল পথ নির্দেশক।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.