তরুণ প্রজন্মকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে অবগত করার উদ্দেশ্যে ভোলার বাংলাবাজার অঞ্চলয় তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে স্বাধীনতা জাদুঘর (Shadhinota Jadughor) গড়ে তোলা হয়েছে। কীভাবে যাবেনসড়ক ও নৌপথে ভোলা যাওয়া যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

স্বাধীনতা জাদুঘর সম্পর্কে
এছাড়া আছে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও অর্জনের সাক্ষী জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের সংগ্রামী জীবনের উপাখ্যান। এছাড়া এখানে তথ্য ভিত্তিক ভিডিও এবং দুর্লভ ছবির সংগ্রহ দেখে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের সুযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় তলায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রয়েছে।
স্বাধীনতা জাদুঘরের (Independence Museum) প্রথম তলায় রয়েছে বঙ্গভঙ্গ, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, দেশ ভাগ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলন সহ নানা ইতিহাস-সমৃদ্ধ ঘটনার ধারাবাহিক ইতিহাস। আর তৃতীয় তলায় আছে স্বাধীনতা পরবর্তী নানা আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস। স্বনামধন্য স্থপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রায় এক একর জায়গার উপর নির্মিত ভোলার আকর্ষণীয় এই বিনোদন কেন্দ্রটি ডিজাইন করেন।
সড়ক পথে ভোলা যেতে চাইলে প্রথমে ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর আসতে হবে।
কোথায় থাকবেন
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম.ভি ভোলা, এম.ভি সম্পদ, এম.ভি কর্ণফুলী, এম.ভি ফারহান ইত্যাদি লঞ্চ ভোলার উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল আফরোজ, হোটেল হাবিব, হোটেল রয়্যাল প্যালেস ইত্যাদি অন্যতম।
লক্ষ্মীপুর হতে প্রত্যেক দিন দুপুর ১২টায় সী-ট্রাক ভোলা উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। স্বাধীনতা জাদুঘরে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন, ৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ৭০ সালের নির্বাচন এবং ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্পূর্ণ ইতিহাস সংরক্ষিত আছে। ভোলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাস্বাধীনতা জাদুঘর ছাড়াও ভোলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মনপুরা দ্বীপ, চর কুকরি মুকরি, জ্যাকব টাওয়ার, নিজাম হাসিনা মসজিদ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
সড়ক ও নৌপথে ভোলা যাওয়া যায়।
সড়ক পথে ভোলা যেতে চাইলে প্রথমে ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর আসতে হবে।
ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম.ভি ভোলা, এম.ভি সম্পদ, এম.ভি কর্ণফুলী, এম.ভি ফারহান ইত্যাদি লঞ্চ ভোলার উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে।
লক্ষ্মীপুর হতে প্রত্যেক দিন দুপুর ১২টায় সী-ট্রাক ভোলা উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কোথায় থাকবেন?
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল আফরোজ, হোটেল হাবিব, হোটেল রয়্যাল প্যালেস ইত্যাদি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
স্বাধীনতা জাদুঘর কীভাবে যাবেন?
সড়ক ও নৌপথে ভোলা যাওয়া যায়। সড়ক পথে ভোলা যেতে চাইলে প্রথমে ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর আসতে হবে। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম.ভি ভোলা, এম.ভি সম্পদ, এম.ভি কর্ণফুলী, এম.ভি ফারহান ইত্যাদি লঞ্চ ভোলার উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। লক্ষ্মীপুর হতে প্রত্যেক দিন দুপুর ১২টায় সী-ট্রাক ভোলা উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ভোলার সদর রোডে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল আফরোজ, হোটেল হাবিব, হোটেল রয়্যাল প্যালেস ইত্যাদি অন্যতম।
স্বাধীনতা জাদুঘর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
তরুণ প্রজন্মকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে অবগত করার উদ্দেশ্যে ভোলার বাংলাবাজার অঞ্চলয় তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে স্বাধীনতা জাদুঘর (Shadhinota Jadughor) গড়ে তোলা হয়েছে। কীভাবে যাবেনসড়ক ও নৌপথে ভোলা যাওয়া যায়। এছাড়া আছে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও অর্জনের সাক্ষী জ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
