সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে প্রকৃতি মায়ায় মোড়ানো ভোলাগঞ্জ (Bholaganj) দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারির এলাকা। সেখান থেকে ১০-১৫ মিনিট হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাবেন উৎমাছড়া পয়েন্টে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

ভোলাগঞ্জ সম্পর্কে
তাছাড়া সিএনজি, লেগুনা বা প্রাইভেট কারে কোম্পানীগঞ্জের টুকের বাজার হয়ে ভোলাগঞ্জ যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অল্প কিছু টাকা বেশি দিতে হতে পারে। উপযুক্ত সময়ভোলাগঞ্জ যাবার সর্বাধিক ভাল সময় হচ্ছে বর্ষাকাল ও তার পরবর্তী কিছু মাস।
সাদা পাথর কতক্ষণ থাকবেন সেটা নৌকার মাঝিকে আগেই জানিয়ে রাখুন।
কোথায় থাকবেন
ভোলাগঞ্জ বা কোম্পানীগঞ্জ থাকার মত খুব ভাল আবাসিক হোটেল নেই। ভোলাগঞ্জ নেমে দশ নম্বর নৌকা ঘাট থেকে সাদাপাথর যাওয়া ও আসা সহ নৌকা ভাড়া করতে খরচ হবে ৮০০ টাকা। সকালে রওনা হলে ভোলাগঞ্জ ঘুরে বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যেই সিলেট শহরে ফিরে আসা যায়।
অর্থাৎ জুন থেকে ডিসেম্বর মাসের যেকোন সময় পরিদর্শন করতে পারবেন ভোলাগঞ্জ থেকে। যদি কোন কারণে ভোলাগঞ্জে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদরে রওনা দিতে হবে। ভোলাগঞ্জে সীমান্তে একটা ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন রয়েছে।
এখন রোপওয়ের টাওয়ারগুলো কালের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে। ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতাচেষ্টা করবেন ঘুরে তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে, যাতে সন্ধ্যা না হয়ে যায়। চাইলে সিলেটের আম্বরখানা থেকে সিএনজি যাওয়া আসা এবং সেখানের স্পট গুলোতে ঘুরার জন্যে সারা দিনের জন্য ভাড়া করে নিতে পারেন।
লালাবাজার অঞ্চল ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। সাদাপাথর অঞ্চলর কাছেই আছে উৎমাছড়া, তুরুংছড়ার মত আরও দুইটি চমৎকার জায়গা। সিএনজি রিজার্ভ নিলে যাওয়া আসার ভাড়া লাগবে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা।
পাথর উত্তোলনকে সহজ করতে ১৯৬৪-১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়। ঢাকা থেকে বাসে সিলেট : ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে, বাস ভেদে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১,৫০০ টাকা। আর নন-এসি বাসের ভাড়া ৬৭০ থেকে ৮০০ টাকা।
প্রতি নৌকায় সর্বোচ্চ ১০ জন যেতে পারবেন, যদিও কতৃপক্ষ ৮ জনের বেশি এক নৌকায় যেতে দিতে চায় না। এমনকি বর্ষাকালে ছাতক হয়ে নৌকাযোগে ভোলাগঞ্জ পৌঁছানো যায়। সিলেটে ফিরে আসার সময় আপনার অবজায়গা অনুযায়ী চরারবাজার/দয়ারবাজার/ভোলাগঞ্জ থেকে সরাসরি সিএনজি নিয়ে চলে আসতে পারেন সিলেটের আম্বরখানায়।
এখনো বহু জায়গাীয় বাসিন্দাদের জীবিকার উৎস এই পাথর উত্তোলন। চাইলে মাইক্রো কিংবা প্রাইভেট কার রিজার্ভ করে সরাসরি ভোলাগঞ্জ দশ নম্বর ঘাট যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে বুঝিয়ে বললে সমস্যা হয় না।
কম খরচে ঘুরতে চাইলে গ্রুপ করে ঘুরতে পারেন। সাদাপাথর অঞ্চলটি দেখতে বহুটা ব-দ্বীপের মত। ভোলাগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হবার আগে সিলেট থেকে নাস্তা করে নিলে সারাদিন ঘুরে সিলেটে ফিরে এসে রাতের খাবার খেতে পারবেন।
রোপওয়ে বন্ধ হলেও থেমে নেই পাথর উত্তোলন। আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জ যেতে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে। ধলাই নদের উৎস মুখের পাথর পরিবেষ্টিত জায়গাটুকু ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট বা সাদা পাথর নামে পরিচিত।
সেক্ষেত্রে ভাড়া ভাগ করে দিলে নৌকা ভাড়ারে খরচ কমে যাবে।
কোথায় খাবেন
ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর কিংবা ১০ নং ঘাটে ভালমানের খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ নেই। চাইলে চরারবাজার থেকে বাইক নিয়েও যেতে পারবেন। সেই পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারা একদিকে ধলাই নদের পানির যোগানদাতা আবার এই পানি প্রবাহই ভোলাগঞ্জের রূপের উৎস।
ভোলাগঞ্জ সীমান্তে প্রকৃতির দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের উঁচু উঁচু পাহাড়। সবুজ পাহাড়, মেঘের হাতছানি আর বর্ষার পাহাড়ি ঢলের সাথে নেমে আসা সাদা পাথর ধলাই নদের বুকে মিলে মিশে ভোলাগঞ্জের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে দিয়েছে অসংখ্যগুণ। খেতে চাইলে সেখানের জায়গাীয় হোটেল গুলো থেকেই খেতে হবে।
ভাত মাছ ও দেশীয় খাবার খাওয়ার মত সাধারন মানের কিছু হোটেল আছে। বর্ষাকালে নদীর পানিতে বহু স্রোত থাকে, সাঁতার না জানলে বেশি পানিতে নামা দরকার নাই। ভোলাগঞ্জ যাবার রাস্তায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদরে দেশবন্ধু রেস্তোরাঁ, আলম হোটেল এবং টুকের বাজারে নবীন রেস্তোরাঁ, মায়া রেস্তোরাঁ সহ কয়েকটি মাঝারি মানের খাবার হোটেল আছে।
খরচ হবে ২৫০০-৩০০০ টাকা। আপনি যদি একা বা কম মানুষ নিয়ে ঘুরতে যান তাহলে কম খরচে নৌকা ভাড়া করতে চাইলে বহু নৌকা আছে যারা ১ জন ২ জন করে ৮-১০ জন মিলিয়ে নিয়ে যায়। একদিনে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর, উৎমাছড়া ও তুরংছড়া ঘুরতে চাইলে অবশ্যই খুব সকাল সকাল রওয়ানা হতে হবে।
ধলাই নদীর পানির সাথে ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে প্রচুর পাথর নেমে আসে। আপনি যেই নৌকায় ভোলাগঞ্জ যাবেন সেই নৌকার মাঝিকে বললেই তিনি দয়ারবাজার ঘাটে নামিয়ে দিবে। ভোলাগঞ্জ থেকে সোয়া ১১ মাইল দীর্ঘ এই রোপওয়ে চলে গেছে ছাতক পর্যন্ত, যা ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত হত।
১০ নং ঘাট থেকে সাদাপাথর যাওয়ার পথে পাথর তোলা কিংবা ছোট নৌকায় পাথর বহন করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়বে। ট্রেনে শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ টাকা থেকে ১,৩৩৮ টাকা। তাছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট : চট্টগ্রাম থেকে বাস ও ট্রেনে সিলেট পৌঁছানো যায়। নদী পথে ভোলাগঞ্জ শুধু কেবল বর্ষাকালে যাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতি ২০ মিনিট পর পর এসব বাস চলাচল করে।
চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। তাই রাতে থাকার জন্যে সিলেট শহরে ফিরে আসাই ভাল। আপনাদের ইচ্ছে মত সময় অবজায়গা করার সুযোগ পাবেন।
টুকের বাজার থেকে ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট সাদাপাথর যাওয়ার ট্রলার পাওয়ার সুযোগ আছে। ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর ঘুরে উৎমাছড়ায় যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমে রওনা দিতে হবে দয়ারবাজার। দেশের যেখান থেকেই ভোলাগঞ্জ যেতে চান আপনাকে প্রথমে সিলেট শহরে আসতে হবে।
ধলাই নদী বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে চারপাশ ঘুরে আবার মিলিত হয়েছে। জনপ্রতি ৭০ টাকা ভাড়ায় ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন সাদাপাথর যেতে পারবেন। দয়ার বাজার গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি/বাইক নিয়ে জনপ্রতি ৩০-৫০ টাকা ভাড়ায় চলে যান চরার বাজার।
সীমান্তবর্তী জায়গা, তাই সাবধানে থাকবেন। অন্যসময় গেলে পাথরময় সৌন্দর্য দেখতে পেলেও নদীতে পানি প্রবাহ তুলনামুলক কম পরিমাণে থাকে। সিলেট থেকে বাস, সিএনজি, লেগুনা বা প্রাইভেট কারে করে পৌঁছানো যায় ভোলাগঞ্জ।
বহুেই সাদা পাথর ভ্রমণ করে উৎমাছড়া ও তুরংছড়া ঘুরতে যান। যানবাহন ভাড়া করার সময় অবশ্যই দরদাম করে নিবেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেট : ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন।
এক অটোরিকশায় ৫ জন বসা যায়। যদিও বর্ষাকাল ছাড়া এই দুই জায়গাে যাওয়ার পরিকল্পনা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। চরার বাজার নেমে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই উৎমাছড়ার পথ দেখিয়ে দিবে।
ট্রেনে শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৪৫০ টাকা থেকে ১,৫৯১ টাকা। এখন ভোলাগঞ্জ যাওয়ার রাস্তার অবস্থা বহুটা ভাল। যদিও দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য জায়গাীয় হোটেলেই এককেবল ভরসা।
অথবা আগেই নৌকা ঠিক করার সময় বলে দিবেন। লোকাল অটোরিকশায় জনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়ায় ভোলাগঞ্জ যেতে পারবেন। এই স্টেশন দিয়ে প্রধানত চুনাপাথর আমদানী করা হয়।
প্রত্যেক দিন শত শত ট্রাক চুনাপাথর নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
কীভাবে যাবেন
সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। কোম্পানীগঞ্জে হোটেল আল ছাদিক, হালিমা বোর্ডিং, বাদশা বোর্ডিং, হোটেল আল হাসান প্রভৃতি সাধারণ মানের নন-এসি আবাসিক হোটেল ও জেলা পরিষদের একটা ডাক বাংলো রয়েছে। সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জ সিলেটের আম্বরখানা থেকে সিএনজি এবং মজুমদারী অঞ্চল থেকে ভোলাগঞ্জ যাবার বিআরটিসি, লোকাল ও টুরিস্ট বাস পাওয়ার সুযোগ আছে।
সাদাপাথর অঞ্চলয় গিয়ে আপনাদের যতক্ষন ইচ্ছা সময় কাটাতে পারবেন। সিলেট শহর হতে টুকের বাজার যাওয়ার অটোরিক্সার ভাড়া জনপ্রতি ২০০ টাকা। আর চরারবাজার থেকে তুরংছড়া হেঁটে যেতে সময় লাগে ৩০-৪০ মিনিট।
উৎমাছড়া ও তুরংছড়াভোলাগঞ্জের কাছেই আরও দুইটি পর্যটন জায়গা উৎমাছড়া ও তুরংছড়া। এক্ষেত্রে মাঝির সাথে কথা বলে মাঝির ফোন নাম্বার নিয়ে নিন। এইক্ষেত্রে খরচ একটু বেশি হতে পারে।
কীভাবে যাবেন?
সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
ট্রেনে শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ টাকা থেকে ১,৩৩৮ টাকা।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট : চট্টগ্রাম থেকে বাস ও ট্রেনে সিলেট পৌঁছানো যায়।
চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেট : ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন।
দেশের যেখান থেকেই ভোলাগঞ্জ যেতে চান আপনাকে প্রথমে সিলেট শহরে আসতে হবে।
কোথায় থাকবেন?
ভোলাগঞ্জ বা কোম্পানীগঞ্জ থাকার মত খুব ভাল আবাসিক হোটেল নেই। লালাবাজার অঞ্চল ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। সকালে রওনা হলে ভোলাগঞ্জ ঘুরে বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যেই সিলেট শহরে ফিরে আসা যায়। কোম্পানীগঞ্জে হোটেল আল ছাদিক, হালিমা বোর্ডিং, বাদশা বোর্ডিং, হোটেল আল হাসান প্রভৃতি সাধারণ মানের নন-এসি আবাসিক হোটেল ও জেলা পরিষদের একটা ডাক বাংলো রয়েছে। তাই রাতে থাকার জন্যে সিলেট শহরে ফিরে আসাই ভাল। যদি কোন কারণে ভোলাগঞ্জে থাকার প্রয়োজন হয় তাহলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদরে রওনা দিতে হবে। তাছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর কিংবা ১০ নং ঘাটে ভালমানের খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ নেই। ভোলাগঞ্জ যাবার রাস্তায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদরে দেশবন্ধু রেস্তোরাঁ, আলম হোটেল এবং টুকের বাজারে নবীন রেস্তোরাঁ, মায়া রেস্তোরাঁ সহ কয়েকটি মাঝারি মানের খাবার হোটেল আছে। ভোলাগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হবার আগে সিলেট থেকে নাস্তা করে নিলে সারাদিন ঘুরে সিলেটে ফিরে এসে রাতের খাবার খেতে পারবেন। ভাত মাছ ও দেশীয় খাবার খাওয়ার মত সাধারন মানের কিছু হোটেল আছে। যদিও দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য জায়গাীয় হোটেলেই এককেবল ভরসা।
ট্রাভেল টিপস
চেষ্টা করবেন ঘুরে তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে, যাতে সন্ধ্যা না হয়ে যায়। চাইলে সিলেটের আম্বরখানা থেকে সিএনজি যাওয়া আসা এবং সেখানের স্পট গুলোতে ঘুরার জন্যে সারা দিনের জন্য ভাড়া করে নিতে পারেন। যানবাহন ভাড়া করার সময় অবশ্যই দরদাম করে নিবেন। সাদা পাথর কতক্ষণ থাকবেন সেটা নৌকার মাঝিকে আগেই জানিয়ে রাখুন। নদী পথে ভোলাগঞ্জ শুধু কেবল বর্ষাকালে যাওয়া যায়। বর্ষাকালে নদীর পানিতে বহু স্রোত থাকে, সাঁতার না জানলে বেশি পানিতে নামা দরকার নাই। আপনাদের ইচ্ছে মত সময় অবজায়গা করার সুযোগ পাবেন। সীমান্তবর্তী জায়গা, তাই সাবধানে থাকবেন। একদিনে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর, উৎমাছড়া ও তুরংছড়া ঘুরতে চাইলে অবশ্যই খুব সকাল সকাল রওয়ানা হত
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ভোলাগঞ্জ কীভাবে যাবেন?
সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। ট্রেনে শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ টাকা থেকে ১,৩৩৮ টাকা। চট্টগ্রাম থেকে সিলেট : চট্টগ্রাম থেকে বাস ও ট্রেনে সিলেট পৌঁছানো যায়। চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। ঢাকা থেকে ট্রেনে সিল
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ভোলাগঞ্জ বা কোম্পানীগঞ্জ থাকার মত খুব ভাল আবাসিক হোটেল নেই। লালাবাজার অঞ্চল ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। সকালে রওনা হলে ভোলাগঞ্জ ঘুরে বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যেই সিলেট শহরে ফিরে আসা যায়। কোম্পানীগঞ্জে হোটেল আল ছাদিক, হ
ভোলাগঞ্জ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে প্রকৃতি মায়ায় মোড়ানো ভোলাগঞ্জ (Bholaganj) দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারির এলাকা। সেখান থেকে ১০-১৫ মিনিট হেঁটে গেলেই পৌঁছে যাবেন উৎমাছড়া পয়েন্টে। তাছাড়া সিএনজি, লেগুনা বা প্রাইভেট কারে কোম্পানীগঞ্জের টুকের বাজার হয়ে ভোলাগঞ্জ যেতে পারবেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
