গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র জায়গা সেইন্ট নিকোলাস চার্চ (St. Nicolas church) রয়েছে। লোহার ১২ টি খুঁটির উপর দাঁড়ানো এক তালা এই গির্জায় ঢোকার জন্য রয়েছে চারটি প্রবেশ পথ।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সেইন্ট নিকোলাস চার্চ সম্পর্কে
টঙ্গী হতে কালীগঞ্জের বাস কিংবা সিএনজি দিয়ে আহসানুল্লা মাষ্টার ফ্লাইওভার পেরিয়ে নলছটা সেতু হয়ে সেইন্ট নিকোলাস চার্চে পৌঁছানো যায়। তাছাড়া গির্জার বারান্দাযুক্ত প্রবেশ পথ, সমবেত উপাসনার প্রার্থনা ঘর, একক উপাসনা কক্ষ, তিনটি সেমি-সার্কুলার প্রবেশ পথ এবং বৃহৎ আকৃতির হল ঘরের স্থাপত্যশৈলী নজর কাড়ার মতো। যদিও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য গাজীপুরে শহরের চৌরাস্তা ও কোণাবাড়ি বাস স্ট্যান্ডের কাছে আল মদিনা আবাসিক হোটেল, হোটেল জলি, হোটেল অনামিকা, জাপান আবাসিক হোটেল, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড আবাসিক, হোটেল এলিজা ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি আবাসিক হোটেলে যোগাযোগ করতে পারেন।
ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে পর্তুগীজ খ্রিষ্টানরা নিজেদের আস্তানা ছেড়ে চলে যাবার পর সম্রাট জাহাঙ্গীরের আদেশে এই গির্জাটি স্থাপন করা হয়। দুই দেশীয় স্থাপত্যের সংমিশ্রণে তৈরী গির্জার উপরের ছাদ ছয়টি অষ্টকোণাকৃতির সেমি-গোথিক স্টাইলে বানানো হয়েছে। নলছটা সেতু থেকে সেইন্ট নিকোলাস চার্চের দূরত্ব কেবল ২ কিলোমিটার।
গির্জাকে কেন্দ্র করে ১৯১০ সালে একটা প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু হয়, এটিকে এখন নিম্ন মাধ্যমিক ইংরেজি বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়েছে। আর প্রধান প্রবেশ দ্বারের সামনে রয়েছে দণ্ডায়মান যিশুর একটা মূর্তি। তাছাড়া সেন্ট নিকোলাস চার্চের কাছে নাগরী বাজারে হালকা চা-নাস্তা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
তাছাড়া গাজীপুরে সারাহ, সোহাগ পল্লী, ভাওয়াল, গ্রিন ভিউ, স্প্রিং ভ্যালী, ছুটি ও নক্ষত্র বাড়ির মতো বেশকিছু অত্যাধুনিক রিসোর্ট রয়েছে। ১৯৬৩ সালে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নির্মিত এই ইতিহাস-সমৃদ্ধ চার্চ বাংলাদেশের বৃহত্তম খ্রিষ্টান মিশনারীয় চার্চের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। সেইন্ট নিকোলাস চার্চ হতে কালীগঞ্জের আঞ্চলিক বাংলা ভাষায় প্রথম দ্বিভাষীয় বাইবেল অনুদিত হয়।
কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে একদিনে সেইন্ট নিকোলাস চার্চ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীতে বাঙ্গালি কারিগরদের মাধ্যমে নতুন একটা গির্জা ভবন নির্মাণ করা হয়। এমনকি প্রথম দ্বিভাষিক অভিধান ও গদ্য বই প্রকাশিত হয় এই চার্চ থেকেই।
কীভাবে যাবেন
সেইন্ট নিকোলাস চার্চে যাওয়ার জন্য গাজীপুরের টঙ্গী আসতে হবে। কোথায় খাবেনগাজীপুরে কথাকলি, ক্যাফে কস্তুরি, স্কাই ওয়ার্ড, হোটেল বাংলা ঘর ও রূপসা রেস্তোরাঁ বেশ জনপ্রিয়। যদিও রিসোর্টে থাকার ক্ষেত্রে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখতে হবে।
অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা গাজীপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক, নুহাশ পল্লী, দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
সেইন্ট নিকোলাস চার্চে যাওয়ার জন্য গাজীপুরের টঙ্গী আসতে হবে।
টঙ্গী হতে কালীগঞ্জের বাস কিংবা সিএনজি দিয়ে আহসানুল্লা মাষ্টার ফ্লাইওভার পেরিয়ে নলছটা সেতু হয়ে সেইন্ট নিকোলাস চার্চে পৌঁছানো যায়।
নলছটা সেতু থেকে সেইন্ট নিকোলাস চার্চের দূরত্ব কেবল ২ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে একদিনে সেইন্ট নিকোলাস চার্চ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। তাছাড়া গাজীপুরে সারাহ, সোহাগ পল্লী, ভাওয়াল, গ্রিন ভিউ, স্প্রিং ভ্যালী, ছুটি ও নক্ষত্র বাড়ির মতো বেশকিছু অত্যাধুনিক রিসোর্ট রয়েছে। যদিও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য গাজীপুরে শহরের চৌরাস্তা ও কোণাবাড়ি বাস স্ট্যান্ডের কাছে আল মদিনা আবাসিক হোটেল, হোটেল জলি, হোটেল অনামিকা, জাপান আবাসিক হোটেল, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড আবাসিক, হোটেল এলিজা ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি আবাসিক হোটেলে যোগাযোগ করতে পারেন। যদিও রিসোর্টে থাকার ক্ষেত্রে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখতে হবে।
কোথায় খাবেন?
গাজীপুরে কথাকলি, ক্যাফে কস্তুরি, স্কাই ওয়ার্ড, হোটেল বাংলা ঘর ও রূপসা রেস্তোরাঁ বেশ জনপ্রিয়। তাছাড়া সেন্ট নিকোলাস চার্চের কাছে নাগরী বাজারে হালকা চা-নাস্তা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা গাজীপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ভাওয়াল রাজবাড়ী, ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক, নুহাশ পল্লী, দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সেইন্ট নিকোলাস চার্চ কীভাবে যাবেন?
সেইন্ট নিকোলাস চার্চে যাওয়ার জন্য গাজীপুরের টঙ্গী আসতে হবে। টঙ্গী হতে কালীগঞ্জের বাস কিংবা সিএনজি দিয়ে আহসানুল্লা মাষ্টার ফ্লাইওভার পেরিয়ে নলছটা সেতু হয়ে সেইন্ট নিকোলাস চার্চে পৌঁছানো যায়। নলছটা সেতু থেকে সেইন্ট নিকোলাস চার্চের দূরত্ব কেবল ২ কিলোমিটার।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে একদিনে সেইন্ট নিকোলাস চার্চ ঘুরে ফিরে পৌঁছানো যায়। তাছাড়া গাজীপুরে সারাহ, সোহাগ পল্লী, ভাওয়াল, গ্রিন ভিউ, স্প্রিং ভ্যালী, ছুটি ও নক্ষত্র বাড়ির মতো বেশকিছু অত্যাধুনিক রিসোর্ট রয়েছে। যদিও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য গাজীপুরে শহরের চৌরাস্তা ও কোণাবাড়ি বাস স্ট্যান্ডের কাছে আল মদি
সেইন্ট নিকোলাস চার্চ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র জায়গা সেইন্ট নিকোলাস চার্চ (St. Nicolas church) রয়েছে। লোহার ১২ টি খুঁটির উপর দাঁড়ানো এক তালা এই গির্জায় ঢোকার জন্য রয়েছে চারটি প্রবেশ পথ। টঙ্গী হতে কালীগঞ্জের বাস কিংবা সিএনজি দিয়ে আহসানুল্লা মাষ্টার ফ্লাইওভার পেরিয়ে নলছট
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

