ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে তিনটি মানব মূর্তি — একজন কৃষক, একজন নারী, একজন যোদ্ধা — এক কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এটাই অপরাজেয় বাংলা — ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্তরের বাঙালির ঐক্যের প্রতীক।
- জেলা: ঢাকা
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ
- অবস্থান: কলা ভবনের সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
- প্রবেশ মূল্য: বিনামূল্যে
- ভাস্কর: সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
- ধরন: মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য / ঐতিহাসিক স্থাপনা
কেন যাবেন অপরাজেয় বাংলা
বিখ্যাত ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৭৩ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে ১৯৭৯ সালে উন্মোচিত হয়। তিনটি মূর্তি — কৃষক, নারী ও যোদ্ধা — একসাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমাজের সব শ্রেণির অংশগ্রহণের প্রতীক। বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত ভাস্কর্য এটি।
কীভাবে যাবেন অপরাজেয় বাংলা
শাহবাগ মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকলেই কলা ভবনের সামনে অপরাজেয় বাংলা — হেঁটে ৫–১০ মিনিট।
মেট্রোরেলে শাহবাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে নামুন।
Uber বা Pathao তে Aparajeyo Bangla, Dhaka University লিখুন।
কী দেখবেন অপরাজেয় বাংলায়
ভাস্কর্যটি ঘনিষ্ঠভাবে দেখলে তিনটি মূর্তির ভাবভঙ্গি ও বিস্তারিত কারুকাজ বোঝা যায়। সকালের আলোয় বা বিকেলের সোনালি আভায় ভাস্কর্যটির ছবি দারুণ আসে। সাথে পুরো কলা ভবন প্রাঙ্গণের পরিবেশও উপভোগ করুন।
কোথায় খাবেন
কলা ভবনের পাশেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন ও টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া। সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মানের খাবার পাবেন।
কোথায় থাকবেন
শাহবাগ / নিউমার্কেট হোটেল
৳৮০০–৳২,৫০০/রাত
পান্থপথ / কারওয়ান বাজার
৳১,২০০–৳৪,০০০/রাত
বাজেট
অপরাজেয় বাংলার সাথে একই রুটে কার্জন হল, গুরুদুয়ারা নানকশাহী, মুসা খান মসজিদ ও তিন নেতার মাজার — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ঐতিহাসিক ট্যুর একদিনেই।
সস্তায় ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao এ সার্চ করুন — multi-city route এ আরও সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য কে নির্মাণ করেছেন?
বিখ্যাত ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ ১৯৭৩ সালে নির্মাণ শুরু করেন, ১৯৭৯ সালে উন্মোচিত হয়।
অপরাজেয় বাংলায় যেতে কত খরচ হয়?
প্রবেশ বিনামূল্যে। শাহবাগ থেকে হেঁটে যাওয়া যায়।
ভাস্কর্যের তিনটি মূর্তি কী প্রতীক করে?
কৃষক, নারী ও যোদ্ধা — মুক্তিযুদ্ধে সমাজের সব শ্রেণির ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের প্রতীক।