ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে আসা একটি মসজিদ — গোয়ালদি মসজিদ। সোনারগাঁওয়ের গোয়ালদি গ্রামে ১৫১৯ সালে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনামলে মোল্লা হিজাবর আকবর খানের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই মসজিদটি বাংলার সুলতানি স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। পোড়ামাটির টেরাকোটার কারুকাজে ঢাকা এর দেয়ালগুলো আজও সেই আমলের শিল্পকলার কথা বলে।
- প্রবেশ ফি: বিনামূল্যে
- নির্মাণকাল: ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ
- নির্মাতা: মোল্লা হিজাবর আকবর খান
- অবস্থান: গোয়ালদি গ্রাম, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
- বিশেষত্ব: টেরাকোটা কারুকাজ, সুলতানি স্থাপত্য
কেন গোয়ালদি মসজিদ দেখবেন
প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই মসজিদের টেরাকোটা কারুকাজ দেখলে অবাক হতে হয়। ইটের উপর পোড়ামাটির ফুল, লতাপাতা আর জ্যামিতিক নকশা — এগুলো তৈরি করতে সেই আমলের শিল্পীরা কী অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়েছিলেন! বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে আগ্রহীদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য গন্তব্য।
কীভাবে যাবেন গোয়ালদি মসজিদ
সোনারগাঁওগামী বাসে মোগড়াপাড়া মোড়। ভাড়া ৬০–৮০ টাকা।
অটো বা রিকশায় গোয়ালদি গ্রামে যান। ভাড়া ১০–৩০ টাকা।
লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর থেকে অল্প দূরেই — একই দিনে দুটো দেখা যায়।
আশেপাশে কী কী দেখবেন
গোয়ালদি মসজিদের কাছেই সোনারগাঁওয়ের আরও অনেক ঐতিহাসিক স্থান আছে। লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, পানাম নগর, সর্দারবাড়ি — সবই এই এলাকায়। একদিনে পুরো সোনারগাঁও ঐতিহাসিক অঞ্চল ঘুরে দেখতে পারেন।
বাজেট ও খরচ
গোয়ালদি মসজিদ + সোনারগাঁও জাদুঘর + পানাম নগর — এই তিনটি একসাথে একদিনে দেখা যায়। সকাল সকাল বের হলে বিকেলে ফিরে আসতে পারবেন।
ঢাকা থেকে সোনারগাঁও ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গোয়ালদি মসজিদ কি এখনও সক্রিয় মসজিদ?
হ্যাঁ, এটি এখনও একটি সক্রিয় মসজিদ যেখানে নিয়মিত নামাজ হয়। পরিদর্শনের সময় নামাজের ওয়াক্তে শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
গোয়ালদি মসজিদ কত পুরনো?
১৫১৯ সালে নির্মিত এই মসজিদের বয়স প্রায় ৫০০ বছরেরও বেশি। এটি বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্যের অন্যতম উদাহরণ।
এখানে কি ফটোগ্রাফি করা যায়?
হ্যাঁ, বাইরে থেকে এবং মসজিদ প্রাঙ্গণে ফটোগ্রাফি করা যায়। তবে নামাজের সময় ভেতরে ফটোগ্রাফি পরিহার করুন।
