- অবস্থান: গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
- নদী: মেঘনা
- আগের নাম: দৌলতপুর
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৫০ কিমি
মেঘনার পাড়ে নতুন সৌন্দর্য
ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে ষোলআনী সৈকত। আগে এই জায়গার নাম ছিল দৌলতপুর। নদী ভাঙন রোধ করতে মেঘনার পাড়ে সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণের পর এই স্থানটি এক নতুন সৌন্দর্য পেয়েছে। বিকেলে নদীর হাওয়া ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য এটি দারুণ জায়গা।
কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান থেকে গজারিয়া পরিবহন, দাউদকান্দি বা গৌরিপুরগামী বিআরটিসি বাসে ভবেরচর। ভাড়া ৮০–১২০৳।
ভবেরচর থেকে সিএনজি বা অটোতে ষোলআনী সৈকত। ভাড়া ৩০–৫০৳।
সৈকতে কী করবেন
ষোলআনী সৈকতে মেঘনার বিশাল জলরাশির সামনে বসে বিকেল কাটানো, সূর্যাস্ত দেখা এবং নদীতে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো যায়। নৌকা ভাড়া ঘণ্টায় ২০০–৩০০৳।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
গজারিয়া বা ভবেরচরে সাধারণ
সিঙ্গেল ৩০০–৫০০৳
ঢাকা থেকে দিনে দিনে
সকালে গিয়ে বিকেলে ফেরা
সৈকতের কাছে স্থানীয় হোটেলে মেঘনার তাজা মাছ — ইলিশ, রুই, বোয়াল — বিভিন্ন পদে খাওয়ার সুযোগ আছে।
বাজেট পরিকল্পনা
ষোলআনী সৈকতে মানা বে ওয়াটার পার্কও কাছে। দুটো একই দিনে করলে দারুণ ফুল-ডে ট্রিপ হয়।
ঢাকা থেকে গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ষোলআনী সৈকত কি আসলেই সমুদ্র সৈকত?
না, এটি মেঘনা নদীর তীরে তৈরি হওয়া বিনোদন এলাকা। সমুদ্র নয়, কিন্তু নদীর সৌন্দর্য অনন্য।
মানা বে পার্ক থেকে কতদূরে?
খুব কাছে — দুটোই গজারিয়া উপজেলায়।
ভালো সময় কোনটা?
বিকেলে গেলে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারবেন। শীতকাল সবচেয়ে আরামদায়ক।