- অবস্থান: মসুয়া গ্রাম, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ
- বিশেষত্ব: অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের বাড়ি
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৯০ কিমি
- কটিয়াদী থেকে: ৭ কিমি
অস্কার বিজয়ীর শিকড় এই মাটিতে
বিশ্বমানের চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় — পথের পাঁচালী, অপু ট্রিলজি, পরশপাথর, গুপি গাইন বাঘা বাইন — এই কিংবদন্তির পূর্বপুরুষের শিকড় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। মসুয়া গ্রামে তাঁর পৈতৃক বাড়িটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে। বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের ভক্তদের জন্য এটি একটি তীর্থস্থান।
কীভাবে যাবেন
সায়েদাবাদ বা মহাখালী থেকে ভৈরবগামী বাসে কটিয়াদী বাজার। দূরত্ব ৯০ কিমি।
কটিয়াদী বাজার থেকে রিকশা বা সিএনজিতে মসুয়া গ্রাম। ৭ কিমি, ভাড়া ৫০–৮০৳।
বাড়ির বিস্তারিত
সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এই অঞ্চলের মানুষ ছিলেন। পুরনো এই বাড়িটি এখন অযত্নে পড়ে থাকলেও বাংলা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী। কটিয়াদী থেকে কিশোরগঞ্জ শহর মাত্র ২৪ কিমি — এই পথে আরও কয়েকটি দর্শনীয় স্থান আছে।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
কটিয়াদী বাজারে সাধারণ হোটেল
সিঙ্গেল ৩০০–৫০০৳
কিশোরগঞ্জ শহরে ভালো হোটেল
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
বাজেট পরিকল্পনা
সত্যজিৎ রায়ের বাড়ির সাথে একই দিনে জঙ্গলবাড়ি দুর্গ ও এগারসিন্দুর দুর্গও ঘুরে দেখতে পারেন — সবই কিশোরগঞ্জ জেলায়।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সত্যজিৎ রায় কি নিজে এই বাড়িতে বড় হয়েছেন?
না, তাঁর পূর্বপুরুষরা এই বাড়ির সাথে সম্পর্কিত। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
বাড়িটি কি সংরক্ষিত করা হয়েছে?
বাড়িটি এখনও পরিপূর্ণভাবে সংরক্ষিত নয়, তবে স্থানীয়রা এটিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
কটিয়াদী থেকে আর কোথায় যাওয়া যায়?
কটিয়াদী থেকে কিশোরগঞ্জ শহর, শোলাকিয়া ও পাগলা মসজিদ সহজেই যাওয়া যায়।
