বান্দরবান জেলায় বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওক্রাডং পাহাড় থেকে কেবল দেড় কিলোমিটার দূরে জাদিপাই ঝর্ণার (Jadipai Waterfall) অবজায়গা। ভাত, ভর্তা, মাংস, ডালের নানা প্যাকেজের মূল্য ১০০-২০০ টাকা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

জাদিপাই ঝর্ণা সম্পর্কে
আর ট্রেকিং এ খাওয়ার জন্যে সাথে করে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন। সবচেয়ে ভাল হবে বর্ষা পরবর্তী সময় গুলোতে এই ঝর্ণা অভিযানে গেলে। পাসিং পাড়া আর জাদিপাই পাড়ার মাঝখানের পথ বেশ খাড়া ও বিপদসংকুল।
কীভাবে যাবেন
জাদিপাই ঝর্ণায় যেতে হলে আপনাকে বান্দরবানের রুমা উপজেলা থেকে বগালেক হয়ে কেওক্রাডং পাহাড় চূড়া হয়ে তারপর রওনা দিতে হবে। বান্দরবান থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব প্রায় ৪৮ কিলোমিটার। বগালেক থেকে ট্রেকিং করে কেওক্রাডং রওনা দিতে হবে।
শীতকালে ঝর্ণায় পানি কম থাকলেও ট্রেকিং সুবিধাজনক। কেওক্রাডং পাহাড় থেকে ১৫-২০ মিনিটের দূরত্বে রয়েছে বান্দরবানের সব চেয়ে উঁচু গ্রাম পাসিং পাড়ার খাড়া পথ ধরে মিনিট ত্রিশেক হাঁটার পর জাদিপাই পাড়া হয়ে আরও ৩০-৪০ মিনিট হাটলে যদিওই জাদিপাই ঝর্ণায় পৌঁছানো যায়। যার বুক চিরে স্বশব্দে বয়ে চলা জাদিপাই আপন ভাবধারায় বান্দরবানের ঝর্ণার রাণী রূপে প্রাবাহমান।
কিংবা বান্দরবান থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে সরাসরি বগালেক পর্যন্ত যেতে পারবেন। কেওক্রাডাং, জংছিয়া ও জাদিপাই এই ৩টি পাহাড়ি ঝিরির স্বচ্ছ পানির ধারা একত্রে মিলিত হয়ে প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথরের গা বেয়ে জাদিপাই ঝর্ণা রূপে সাংঙ্গু নদীর সাথে এসে মিশেছে। এছাড়া বর্ষাকালে ঝর্ণায় পানি বেশি থাকলে এই সময়টা ট্রেকিং এর জন্যে কিছুটা ঝুকিপূর্ণ।
জাদিপাই ঝর্ণা যেতে যেহেতু বগালেক ও কেওক্রাডং হয়ে যেতে হয় তাই যাওয়ার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পাবেন আমাদের বগালেক ভ্রমণ গাইড ও কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড থেকে। জাদিপাই বাংলাদেশের প্রশস্ততম ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম। খাওয়া দাওয়াবগালেক বা কেওক্রাডং এর আদীবাসীদের ঘরেই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।
বান্দরবান জেলা শহর হয়ে রুমা বাজার চলে আসুন। জলপ্রপাতের চারিদিকে ছড়ানো আছে সবুজে মোড়ানো পাহাড় এবং প্রকৃতির নির্মল মাদকতা। কখন যাবেনবছরের যে কোন সময় জাদিপাই ঝর্ণায় যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেনজাদিপাই ঝর্ণা দেখতে গেলে বগালেক কিংবা কেওক্রাডং-এ আদিবাসীদের ছোট ছোট কটেজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। বান্দরবানের রুমা বাস স্ট্যান্ড হতে লোকাল বাস কিংবা বান্দরবান শহরের জীপ স্টেশন থেকে জীপ/চাঁন্দের গাড়ি নিয়ে রুমা বাজার যেতে পারবেন। সুবিধামত রাতে থাকার ব্যবস্থাের জায়গা নির্বাচনের প্রয়োজনে গাইডের সাথে কথা বলে নিতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
বছরের যে কোন সময় জাদিপাই ঝর্ণায় যেতে পারবেন।
এছাড়া বর্ষাকালে ঝর্ণায় পানি বেশি থাকলে এই সময়টা ট্রেকিং এর জন্যে কিছুটা ঝুকিপূর্ণ।
শীতকালে ঝর্ণায় পানি কম থাকলেও ট্রেকিং সুবিধাজনক।
সবচেয়ে ভাল হবে বর্ষা পরবর্তী সময় গুলোতে এই ঝর্ণা অভিযানে গেলে।
কোথায় থাকবেন?
জাদিপাই ঝর্ণা দেখতে গেলে বগালেক কিংবা কেওক্রাডং-এ আদিবাসীদের ছোট ছোট কটেজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। সুবিধামত রাতে থাকার ব্যবস্থাের জায়গা নির্বাচনের প্রয়োজনে গাইডের সাথে কথা বলে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
জাদিপাই ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?
বছরের যে কোন সময় জাদিপাই ঝর্ণায় যেতে পারবেন। এছাড়া বর্ষাকালে ঝর্ণায় পানি বেশি থাকলে এই সময়টা ট্রেকিং এর জন্যে কিছুটা ঝুকিপূর্ণ। শীতকালে ঝর্ণায় পানি কম থাকলেও ট্রেকিং সুবিধাজনক। সবচেয়ে ভাল হবে বর্ষা পরবর্তী সময় গুলোতে এই ঝর্ণা অভিযানে গেলে।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
জাদিপাই ঝর্ণা দেখতে গেলে বগালেক কিংবা কেওক্রাডং-এ আদিবাসীদের ছোট ছোট কটেজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। সুবিধামত রাতে থাকার ব্যবস্থাের জায়গা নির্বাচনের প্রয়োজনে গাইডের সাথে কথা বলে নিতে পারেন।
জাদিপাই ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বান্দরবান জেলায় বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কেওক্রাডং পাহাড় থেকে কেবল দেড় কিলোমিটার দূরে জাদিপাই ঝর্ণার (Jadipai Waterfall) অবজায়গা। ভাত, ভর্তা, মাংস, ডালের নানা প্যাকেজের মূল্য ১০০-২০০ টাকা। আর ট্রেকিং এ খাওয়ার জন্যে সাথে করে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

