- অবস্থান: মানিকখালী এলাকা, কিশোরগঞ্জ
- ধরন: ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লোকমেলা
- সময়: বছরে একবার (মাঘ মাসে)
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৯০ কিমি
গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া মেলার স্বাদ
একসময় বাংলার প্রতিটি গ্রামে বছরে কয়েকবার মেলা বসত। সেই মেলার রং, গন্ধ এবং আনন্দ এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। কিন্তু কিশোরগঞ্জের কুড়িখাই মেলা এখনও সেই ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। মাঘ মাসে এই মেলায় আসেন হাজার হাজার মানুষ — মাটির পুতুল, বাঁশের বাঁশি, নাগরদোলা, লাঠিখেলা, সার্কাস — সব মিলিয়ে এক আলাদা জগৎ।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনে মানিকখালী স্টেশনে নামুন। সময় লাগবে প্রায় ২ ঘণ্টা।
স্টেশন থেকে রিকশায় বা হেঁটে কুড়িখাই মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় কী পাবেন
কুড়িখাই মেলায় গ্রামীণ হস্তশিল্পের পসার — মাটির খেলনা, বাঁশ ও বেতের তৈরি জিনিস, দেশীয় মিষ্টি, মুড়ি-মুড়কি, নানান ধরনের পিঠা। লোকসঙ্গীত, যাত্রাপালা এবং কবিগানও মেলার অংশ। শহরের ছেলেমেয়েদের জন্য এটা হবে গ্রামবাংলার এক অনন্য পরিচয়।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
কিশোরগঞ্জ শহরে হোটেল
সিঙ্গেল ৪০০–৮০০৳
মেলায় খাবার স্টল
পিঠা, ভাজাপোড়া, মিষ্টি
বাজেট পরিকল্পনা
কুড়িখাই মেলা সাধারণত মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহে বসে। যাওয়ার আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে সঠিক তারিখ জেনে নিন।
মেলায় ভিড় অনেক বেশি থাকে। ব্যাগ ও মূল্যবান জিনিস সাবধানে রাখুন।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুড়িখাই মেলা কখন বসে?
সাধারণত মাঘ মাসে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) বছরে একবার বসে।
মেলায় কি শিশুদের নিয়ে যাওয়া ভালো?
হ্যাঁ, শিশুরা নাগরদোলা, পুতুল ও লোকশিল্প দেখে আনন্দ পাবে। তবে ভিড়ে চোখে চোখ রাখুন।
মেলা থেকে কী কিনতে পারি?
মাটির পুতুল, বাঁশের তৈরি বাঁশি, হাতের কাজের পণ্য ও দেশীয় মিষ্টি ভালো স্মারক।