- অবস্থান: ইটনা উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- নির্মাণকাল: মোগল আমল
- স্থাপত্য: তিন গম্বুজ, মোগল ধাঁচ
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: কিশোরগঞ্জ সদর থেকে ৩৫ কিমি
হাওরের বুকে মোগল মসজিদ
হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশির মাঝে দাঁড়িয়ে আছে ইটনা শাহী মসজিদ — মোগল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় অবস্থিত এই মসজিদটি গায়েবি মসজিদ নামেও পরিচিত স্থানীয়দের কাছে। তিনটি গম্বুজ, সূক্ষ্ম পোড়ামাটির কারুকাজ এবং চারটি মিনার এই মসজিদকে স্থাপত্যিকভাবে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
কীভাবে যাবেন
মহাখালী বা সায়েদাবাদ থেকে বাস, বা কমলাপুর থেকে ট্রেনে কিশোরগঞ্জ সদর।
কিশোরগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলারে ইটনা বাজার। সেখান থেকে রিকশায় মসজিদ।
মসজিদের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য
ইটনা শাহী মসজিদ মোগল স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। ইটের তৈরি মসজিদের গায়ে টেরাকোটার কারুকাজ এবং খিলান নির্মাণে সূক্ষ্মতা লক্ষ্য করা যায়। হাওরের পটভূমিতে প্রাচীন এই মসজিদটির দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম।
কোথায় থাকবেন
ইটনায় সাধারণ আবাসিক
সিঙ্গেল ২০০–৪০০৳
কিশোরগঞ্জ সদরে ভালো হোটেল
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
আশেপাশে কী দেখবেন
ইটনায় আসলে ইটনা হাওরও দেখে নিন — নৌকায় হাওর ভ্রমণের ব্যবস্থা আছে। দুটো একসাথে করলে একটা পূর্ণাঙ্গ দিন কাটানো যাবে।
বাজেট পরিকল্পনা
ইটনা শাহী মসজিদ ও ইটনা হাওর একদিনেই ঘুরে নেওয়া সম্ভব। বর্ষায় গেলে হাওরের দৃশ্য আলাদাই সুন্দর।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ইটনা শাহী মসজিদ গায়েবি মসজিদ নামে পরিচিত কেন?
স্থানীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, মসজিদটি রাতারাতি নির্মিত হয়েছিল বলে এই নাম।
ইটনায় যাওয়ার উপায় কী?
কিশোরগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে নৌকা বা ট্রলারে ইটনা যাওয়া যায়।
মসজিদে প্রবেশ ফি আছে?
না, প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। নামাজের সময় সতর্কভাবে প্রবেশ করুন।
