- অবস্থান: করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ কিমি
- পরিচিতি: ঈশা খাঁর বারো ভুঁইয়াদের দুর্গ
- নির্মাণ: ১৬শ শতক
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৯৫ কিমি
বারো ভুঁইয়াদের প্রধান নায়কের দুর্গ
বাংলার বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী এবং প্রভাবশালী ছিলেন ঈশা খাঁ। মুঘল সম্রাট আকবরের বাহিনীকে বারবার পরাজিত করেছিলেন এই বীর। তাঁর সেই দুর্গ এখনও দাঁড়িয়ে আছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে — নাম জঙ্গলবাড়ি দুর্গ। ইটের পাঁচিল, পুকুর, মসজিদ — সব মিলিয়ে এক ঐতিহাসিক পরিবেশ।
কীভাবে যাবেন
মহাখালী বা সায়েদাবাদ থেকে বাসে অথবা কমলাপুর থেকে ট্রেনে কিশোরগঞ্জ সদর।
কিশোরগঞ্জ থেকে অটো বা সিএনজিতে জঙ্গলবাড়ি দুর্গ। ৭ কিমি, ভাড়া ৫০–১০০৳।
দুর্গে কী দেখবেন
জঙ্গলবাড়ি দুর্গে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন পুরনো ইটের প্রাচীর, ঈশা খাঁর আমলের মসজিদ, বিশাল পুকুর এবং দুর্গের ভেতরে বিভিন্ন অবকাঠামোর ধ্বংসাবশেষ। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটি সংরক্ষণ করছে।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
কিশোরগঞ্জ শহরের হোটেল
সিঙ্গেল ৪০০–৮০০৳
জঙ্গলবাড়ি বাজারে খাবার
স্থানীয় রেস্টুরেন্ট
বাজেট পরিকল্পনা
জঙ্গলবাড়ি দুর্গ ও এগারসিন্দুর দুর্গ একই দিনে ঘুরে দেখতে পারেন — দুটো কাছাকাছি।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
জঙ্গলবাড়ি দুর্গ কি সংরক্ষিত?
হ্যাঁ, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আছে, তবে আরও সংস্কার প্রয়োজন।
ঈশা খাঁর সাথে এই দুর্গের সম্পর্ক কী?
জঙ্গলবাড়ি ছিল ঈশা খাঁর প্রধান ঘাঁটিগুলোর একটি। এখান থেকেই তিনি মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ পরিচালনা করতেন।
এগারসিন্দুর দুর্গ থেকে কতটুকু দূরে?
প্রায় ১৫–২০ কিমি। একই দিনে দুটো দেখা সম্ভব।
