পার্বত্য চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ জীববিচিত্র ও নয়নাভিরাম প্রকৃতির অপরূপ রূপ সবসময় অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের অসাধারণ সম্মোহনে কাছে টেনে নেয়। ঝুপড়ি হতে ৭-৮ মিনিট হাঁটার পরই পানির ছড়া পাবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চালন্দা গিরিপথ সম্পর্কে
খাওয়া দাওয়াচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় ভাতঘর, ঢাকা হোটেল, মওয়ের দোকান সহ বেশকিছু সুলভ মূল্যে খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়। দলগতভাবে ভ্রমণ করুন এবং চলাচলের সময় প্রত্যেকে লাঠি ব্যবহার করুন। গিরিপথের ভেতরে প্রবেশের সাথে সাথে হিমশীতল অনুভূতি শরীরকে ছুঁয়ে যায়।
তাই সঠিক পথে যাচ্ছেন কিনা এ বেপারে সজাগ থাকুন। অথবা চট্টগ্রামের বটতলী রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে চড়ে ক্যাম্পাসে চলে আসুন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ঝুপড়ির পাশের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণার উৎপত্তিস্থল বা ছড়ার পানি ধরে পশ্চিম দিকে ঘন্টা খানিক হেঁটে গেলে প্রকৃতির বিস্ময় চালন্দা গিরিপথের দর্শন পাওয়ার সুযোগ আছে।
চালন্দা গিরিপথের প্রতিটি পদক্ষেপে অদ্ভুত শিহরণজাগানিয়া রোমাঞ্চ অনুভব করার সুযোগ রয়েছে। চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সাথে স্বচ্ছ পানির ধারার মনে প্রশান্ত করে। প্রয়োজনীয় ভ্রমণ পরামর্শ:ছড়ার পানি ধরে যাওয়ার সময় দুইটি পথ পাবেন।
কোথায় থাকবেনচট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ১৭’শ ৫৩ একর আয়তনের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরে আছে নানা রোমাঞ্চকর জায়গা। নিজেদের সাথে শুকনো খাবার ও প্রয়োজন মত পানি পরিবহণ করুন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এসে সেখান থেকে টমটমে করে কলা অনুষদের ঝুপড়ি-তে চলে যান। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য। চাইলে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে এসেও প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন।
পাহাড়ের ঢালে ঢালে প্রকৃতির বর্নীল চিত্র যেন অজানা রহস্যের গোলকধাঁধা। ছড়া ধরে ঘন্টাখানেক হাটলেই চালন্দা গিরিপথ পৌঁছে যাবেন। এদের মধ্যে একটা চালন্দায় যাওয়ার পথ এবং অন্যটি সীতাকুণ্ড যাওয়া পথ।
প্রকৃতির নিপুণ হাতে সাজানো পাহাড়-অরণ্যে ঘেরা চট্টগ্রামের এক বৈচিত্র্যময় ভ্রমণ গন্তব্যের নাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। চালন্দা গিরিপথ (Chalanda Giripath) তেমনি এক অসাধারণ অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ জায়গা। বহু উপকার পাবেন।
দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রকৃতির তৈরী রাস্তায় এগিয়ে যেতে সমানভাবে হাত পায়ের ব্যবহার করতে হয়। কোন প্রকার ময়লা ফেলে গিরিপথ নোংরা করবেন না।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়।
ঝুপড়ি হতে ৭-৮ মিনিট হাঁটার পরই পানির ছড়া পাবেন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এসে সেখান থেকে টমটমে করে কলা অনুষদের ঝুপড়ি-তে চলে যান।
অথবা চট্টগ্রামের বটতলী রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে চড়ে ক্যাম্পাসে চলে আসুন।
ছড়া ধরে ঘন্টাখানেক হাটলেই চালন্দা গিরিপথ পৌঁছে যাবেন।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
ট্রাভেল টিপস
ছড়ার পানি ধরে যাওয়ার সময় দুইটি পথ পাবেন। এদের মধ্যে একটা চালন্দায় যাওয়ার পথ এবং অন্যটি সীতাকুণ্ড যাওয়া পথ। তাই সঠিক পথে যাচ্ছেন কিনা এ বেপারে সজাগ থাকুন। নিজেদের সাথে শুকনো খাবার ও প্রয়োজন মত পানি পরিবহণ করুন। বহু উপকার পাবেন। দলগতভাবে ভ্রমণ করুন এবং চলাচলের সময় প্রত্যেকে লাঠি ব্যবহার করুন। কোন প্রকার ময়লা ফেলে গিরিপথ নোংরা করবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চালন্দা গিরিপথ কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়। ঝুপড়ি হতে ৭-৮ মিনিট হাঁটার পরই পানির ছড়া পাবেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এসে সেখান থেকে টমটমে করে কলা অনুষদের ঝুপড়ি-তে চলে যান। অথবা চট্টগ্রামের বটতলী রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
চালন্দা গিরিপথ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পার্বত্য চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ জীববিচিত্র ও নয়নাভিরাম প্রকৃতির অপরূপ রূপ সবসময় অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের অসাধারণ সম্মোহনে কাছে টেনে নেয়। ঝুপড়ি হতে ৭-৮ মিনিট হাঁটার পরই পানির ছড়া পাবেন। খাওয়া দাওয়াচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় ভাতঘর, ঢাকা হোটেল, মওয়ের দোকান সহ বেশকিছু সুলভ মূল্যে খাবা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
