- অবস্থান: এগারসিন্দুর গ্রাম, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
- পরিচিতি: ঈশা খাঁর প্রতিরোধ ঘাঁটি
- নির্মাণ: ১৬শ শতক
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৯০ কিমি
মুঘলদের আতঙ্কের আরেক নাম এগারসিন্দুর
কিশোরগঞ্জ থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক এগারসিন্দুর দুর্গ। বারো ভুঁইয়াদের নেতা ঈশা খাঁ এই দুর্গ থেকে মুঘল সম্রাটের বাহিনীকে বারবার প্রতিরোধ করেছিলেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর কাছে এই কৌশলগত অবস্থান ঈশা খাঁকে বহু বছর ধরে স্বাধীন রাখতে সাহায্য করেছিল।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী থেকে জলসিঁড়ি বা অনন্যা পরিবহনে পাকুন্দিয়া বা থানারঘাট নামুন। থেকে সিএনজিতে এগারসিন্দুর।
পাকুন্দিয়া থেকে রিকশা বা সিএনজিতে ৮ কিমি। ভাড়া ৫০–৮০৳।
দুর্গে কী দেখবেন
এগারসিন্দুর দুর্গের প্রাচীন ইটের প্রাচীর, পুকুর ও কামান রাখার স্থানগুলো এখনও আংশিকভাবে অক্ষত আছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণ করছে। শীতকালে সবুজ পরিবেশে দুর্গটি আরও মনোরম দেখায়।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
পাকুন্দিয়ায় সাধারণ আবাসিক
সিঙ্গেল ৩০০–৫০০৳
কিশোরগঞ্জ শহরে হোটেল
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
বাজেট পরিকল্পনা
এগারসিন্দুর, শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ ও জঙ্গলবাড়ি দুর্গ একসাথে প্ল্যান করলে একটাই ট্রিপে তিনটো ঐতিহাসিক স্থান কভার করা যাবে।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
এগারসিন্দুর দুর্গ দেখতে কতক্ষণ লাগবে?
প্রায় ৩০–৬০ মিনিট। সাথে আশেপাশের এলাকা ঘুরলে দেড় ঘণ্টা লাগতে পারে।
শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ এর কাছে?
দুটোই পাকুন্দিয়া উপজেলায়। একদিনে দুটোই দেখা সম্ভব।
ঢাকা থেকে সরাসরি এগারসিন্দুর যাওয়া যায়?
হ্যাঁ, মহাখালী থেকে পাকুন্দিয়াগামী বাসে থানারঘাট বা পাকুন্দিয়া নেমে সিএনজিতে যাওয়া যায়।

