bangladesh · Editorial

বাগেরহাট জাদুঘর

বাগেরহাট জেলার চমৎকারঘোনায় ষাট গম্বুজ মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে পুরাতন রূপসা রোডে বাগেরহাট জাদুঘর (Bagerhat Museum) রয়েছে। ১৯৭৩ সালে মুসলিম সংস্কৃতি ও

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বাগেরহাট জেলার চমৎকারঘোনায় ষাট গম্বুজ মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে পুরাতন রূপসা রোডে বাগেরহাট জাদুঘর (Bagerhat Museum) রয়েছে। বাসে চড়ে বাগেরহাট যাওয়ার দুইটি রুট রয়েছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
  • প্রবেশ মূল্য: গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ও শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাগেরহাট জাদুঘর খোলা থাকে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাময়িক বিরতিতে জাদুঘর বন্ধ থা

বাগেরহাট জাদুঘর

বাগেরহাট জাদুঘর সম্পর্কে

আবার ঢাকার কমলাপুর থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেসে ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যাওয়া যায়। বাগেরহাট জেলায় নারিকেল চিংড়ি একটা পরিচিত খাবার। সপ্তাহের রবিবার পূর্ণ দিবস এবং প্রতি সোমবার বেলা অর্ধ দিবসের জন্য জাদুঘর বন্ধ থাকে।

তাছাড়া সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্টে রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুযোগ রয়েছে। বাগেরহাট জাদুঘরে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। এছাড়া উল্লেখযোগ্য নিদর্শনের মধ্যে আছে নানা স্মৃতিচিহ্ন, মুদ্রা, বাসন, তৈজসপত্র, মানচিত্র এবং লিপিবদ্ধ ইতিহাস।

বাগেরহাট পৌঁছে অটো রিকশা বা লোকাল বাসে ৫.৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাগেরহাট জাদুঘরে যেতে পারবেন। মানিকগঞ্জের আরিচা ফেরিঘাট এবং ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মেঘনা, শাকুরা, দর্শনার্থী, হানিফ, সোহাগ ও ঈগল পরিবহণের বাসে চড়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন। ষাট গম্বুজ মসজিদের সাথে রয়েছে জাদুঘর ভবন নির্মাণে ইসলামি স্থাপত্য কলা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

কোথায় খাবেনবাগেরহাটে সুস্বাদু খাবারের জন্য রাধুনি ও ধানসিঁড়ি হোটেলের বেশ সুনাম রয়েছে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাময়িক বিরতিতে জাদুঘর বন্ধ থাকে। ৩টি গ্যালারি বিশিষ্ট দক্ষিণমুখী জাদুঘরে বাগেরহাটের নানা এলাকা থেকে সংগৃহীত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখার পাশাপাশি বাগেরহাটের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের সুযোগ রয়েছে।

বাস ভেদে ভাড়া লাগবে ৬৫০-৮০০ টাকা। যদিও ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা বিনামূল্যে ভেতরে যেতে পাড়ে। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর বাগেরহাট জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

কোথায় থাকবেনবাগেরহাট শহরের নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি উল্লেখযোগ্য। টিকিট মূল্য ও সময়সূচিগ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ও শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাগেরহাট জাদুঘর খোলা থাকে। সারাদেশের মসজিদ ও পুরাতাত্ত্বিক স্থাপত্যের ছবি এবং খান জাহান আলীর ইতিহাস-সমৃদ্ধ কুমিরের মমি বাগেরহাট জাদুঘরের বিশেষ আকর্ষণ।

১৯৭৩ সালে মুসলিম সংস্কৃতি ও খানজাহান আলীর স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক আবেদন জানানো হলে ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো-বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে ৫২০ বর্গ মিটার জায়গা জুড়ে এই জাদুঘরটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সার্কভুক্ত বিদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ ফি ১০০ টাকা এবং অন্যান্য সকল বিদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ ফি ২০০ টাকা।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে বাগেরহাটে যাওয়া যায়। বাগেরহাট জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাবাগেরহাটের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার, মোংলা বন্দর, চন্দ্রমহল ইকো পার্ক, দুবলার চর ও নয় গম্বুজ মসজিদ উল্লেখযোগ্য।

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ও শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাগেরহাট জাদুঘর খোলা থাকে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাময়িক বিরতিতে জাদুঘর বন্ধ থাকে। যদিও ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা বিনামূল্যে ভেতরে যেতে পাড়ে। বাগেরহাট জাদুঘরে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। সপ্তাহের রবিবার পূর্ণ দিবস এবং প্রতি সোমবার বেলা অর্ধ দিবসের জন্য জাদুঘর বন্ধ থাকে। সার্কভুক্ত বিদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ ফি ১০০ টাকা এবং অন্যান্য সকল বিদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য প্রবেশ ফি ২০০ টাকা।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে বাগেরহাটে যাওয়া যায়।

আবার ঢাকার কমলাপুর থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেসে ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যাওয়া যায়।

বাস ভেদে ভাড়া লাগবে ৬৫০-৮০০ টাকা।

বাসে চড়ে বাগেরহাট যাওয়ার দুইটি রুট রয়েছে।

মানিকগঞ্জের আরিচা ফেরিঘাট এবং ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মেঘনা, শাকুরা, দর্শনার্থী, হানিফ, সোহাগ ও ঈগল পরিবহণের বাসে চড়ে বাগেরহাট যেতে পারবেন।

বাগেরহাট পৌঁছে অটো রিকশা বা লোকাল বাসে ৫.৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাগেরহাট জাদুঘরে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাট শহরের নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্টে রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুযোগ রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

বাগেরহাটে সুস্বাদু খাবারের জন্য রাধুনি ও ধানসিঁড়ি হোটেলের বেশ সুনাম রয়েছে। বাগেরহাট জেলায় নারিকেল চিংড়ি একটা পরিচিত খাবার।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

বাগেরহাট জাদুঘর-এ প্রবেশ মূল্য কত?

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ও শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাগেরহাট জাদুঘর খোলা থাকে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাময়িক বিরতিতে জাদুঘর বন্ধ থাকে। যদিও ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চারা বিনামূল্যে ভেতরে যেতে পাড়ে। বাগেরহাট জাদুঘরে প্রবেশ টিকেটের মূল্য

বাগেরহাট জাদুঘর কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে বাগেরহাটে যাওয়া যায়। আবার ঢাকার কমলাপুর থেকে খুলনাগামী আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বা চমৎকারবন এক্সপ্রেসে ট্রেনে খুলনা হয়ে বাগেরহাট যাওয়া যায়। বাস ভেদে ভাড়া লাগবে ৬৫০-৮০০ টাকা। বাসে চড়ে বাগেরহাট যাওয়ার দুইটি রুট রয়েছে। মানিকগঞ্জের আরিচা ফেরিঘাট এবং ঢাকার গুলিজায়গা বা সায়েদ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

বাগেরহাট শহরের নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে মমতাজ হোটেল, হোটেল মোহনা, হোটেল আল আমিন, রেসিডেন্সিয়াল হোটেল, হোটেল অভি, হোটেল ফুয়াদ আবাসিক, জারিফ আবাসিক ও হোটেল ধানসিঁড়ি উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো, ষাট গম্বুজ প্রত্নতত্ব গেস্ট হাউজ ও চমৎকারবন রিসোর্টে রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুযোগ রয়েছে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.