পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ার উত্তরে বুড়িরচর গ্রামের আকন বাড়িতে কাঠের কারুকার্যমণ্ডিত মমিন মসজিদ (Momin Masjid) অন্যতম এক স্থাপত্য নিদর্শন। এছাড়া বরিশাল থেকেও সহজে মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদে যাওয়া যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ সম্পর্কে
মঠবাড়ীয়ার টিএন্ডটি রোড দিয়ে তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের কিছুটা সামনে এগুলেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ মমিন মসজিদ দেখতে পাওয়া যায়। কোথায় খাবেনমঠবাড়িয়ায় গাজী হোটেল, ক্যাফে আড্ডা, আফজাল হোটেল, মোঘল, রাজবাড়িয়া প্রভৃতি ভালমানের কিছু রেস্তোরা রয়েছে। বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোর মধ্যে শতবর্ষের প্রাচীন মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদের অবজায়গা ২৩তম এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার এককেবল কাঠের তৈরি মুসলিম স্থাপত্যশিল্প।
দর্শনীয় জ্যামিতিক নকশা ও আরবি ক্যালিগ্রাফির জন্য বহু ভ্রমণকারী দূরদূরান্ত থেকে এই মসজিদটি দেখতে আসেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক বা নৌপথে পিরোজপুর পৌঁছানো যায়। মঠবাড়িয়া থেকে মমিন মসজিদের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। মসজিদের কারুকার্যখচিত প্রবেশদ্বার ও মেহরাবে বিদ্যমান ক্যালিগ্রাফি সর্বাধিক বেশি দর্শনীয়।
বরিশাল শহরের রুপাতলি বাসস্ট্যান্ড থেকে মঠবাড়িয়াগামী বাসে তুষখালি নেমে সেখান থেকে রিক্সায় মমিন মসজিদ পৌঁছানো যায়। ঢাকার গাবতলী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সাকুরা, ঈগল, দোলা, হামিম এবং বনফুল পরিবহনের বাসে মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর পৌঁছানো যায়। প্রায় ৭ বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ১৯২০ সালে ইন্দো-পারসিক আর ইউরোপীয় স্থাপত্যের মিশ্রণে তৈরি মমিন মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
কোথায় থাকবেনমঠবাড়িয়ায় হোটেল কুটুম বাড়ি, জেলা পরিষদের ডাক বাংলো আর পিরোজপুরে হোটেল রজনী, হোটেল নিরালা, হোটেল রিল্যাক্স, পদ্মা হোটেল এবং হোটেল ছায়ানীড় সহ নানা আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। প্রবেশদ্বারের উপরের বাম দিকে আরবি অক্ষরে ইসলামের চার খলিফার নাম ও মাঝখানে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর নাম অলংকৃত করা হয়েছে। ১৯১৩ সালে মৌলভী মমিন উদ্দিন আকন তৎকালীন বরিশাল জেলার স্বরূপকাঠি থেকে নিয়ে আসা ২১ জন কারিগরের সাহায্যে নিজ বাড়িতে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
দুষ্প্রাপ্য লোহাকাঠ ও বার্মা সেগুন কাঠের ওপর প্রকৃতির রঙ ব্যবহার করে মমিন মসজিদ তৈরি করা হয়েছে। মসজিদের উত্তর-দক্ষিণে ২টি এবং পূর্ব-পশ্চিমে ৪টি করে সর্বমোট ১২টি জানালা। মমিন আকনের নাতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ মমিন মসজিদের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে “মমিন মসজিদ: স্মৃতি বিস্মৃতির খাতা” নামক একটা বই রচনা করেন।
মসজিদের চারপাশের বেড়া ৩টি অংশে বিভক্ত। মসজিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর নির্মাণে কোন লোহা বা তারকাটা ব্যবহার করা হয়নি। আর নৌপথে, ঢাকার সদরঘাট থেকে রাজদূত, আচল, হিমাচল ও পারাবত লঞ্চে পিরোজপুরের হুলারহাট ঘাটে পৌঁছানো যায়।
সুযোগ থাকলে পিরোজপুরের দুলালের দধি ভান্ডারের রসগোল্লা, রসমালাই এবং ঋতুপর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডারের রসমঞ্জুরি খেয়ে দেখতে পারেন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে মসজিদের সংস্কার কাজে লোহা ব্যবহার করে মসজিদের মূল ডিজাইনে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। টিন শেড চৌচালা বিশিষ্ট মমিন মসজিদের দৈর্ঘ্য ২৪ ফুট ও প্রস্থ ১৮ ফুট।
মসজিদের কাঠের দেয়ালে অসাধারণ নান্দ্যনিকতায় ইসলামিক সংস্কৃতি, ক্যালিগ্রাফি, নানা ফুল, পাতা ও ফলের দর্শনীয় নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদয়তারা বুড়িরচর গ্রামের মূল সড়কটি মমিন মসজিদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। ফলে ২০০৩ সালে মসজিদটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
পিরোজপুর থেকে যেকোন জায়গাীয় পরিবহণে মঠবাড়িয়া যেতে পারবেন। ঢাকা সদরঘাট থেকে তুষখালীর উদ্দ্যেশ্যে কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে যায়। পিরোজপুর জেলার দর্শনীয় জায়গাপিরোজপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে হরিণপালা রিভার ভিউ ইকোপার্ক, ভান্ডারিয়া শিশু পার্ক, ডিসি পার্ক ও রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক বা নৌপথে পিরোজপুর পৌঁছানো যায়।
মঠবাড়ীয়ার টিএন্ডটি রোড দিয়ে তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের কিছুটা সামনে এগুলেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ মমিন মসজিদ দেখতে পাওয়া যায়।
বরিশাল শহরের রুপাতলি বাসস্ট্যান্ড থেকে মঠবাড়িয়াগামী বাসে তুষখালি নেমে সেখান থেকে রিক্সায় মমিন মসজিদ পৌঁছানো যায়।
এছাড়া বরিশাল থেকেও সহজে মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদে যাওয়া যায়।
মঠবাড়িয়া থেকে মমিন মসজিদের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার।
ঢাকার গাবতলী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সাকুরা, ঈগল, দোলা, হামিম এবং বনফুল পরিবহনের বাসে মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
মঠবাড়িয়ায় হোটেল কুটুম বাড়ি, জেলা পরিষদের ডাক বাংলো আর পিরোজপুরে হোটেল রজনী, হোটেল নিরালা, হোটেল রিল্যাক্স, পদ্মা হোটেল এবং হোটেল ছায়ানীড় সহ নানা আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
মঠবাড়িয়ায় গাজী হোটেল, ক্যাফে আড্ডা, আফজাল হোটেল, মোঘল, রাজবাড়িয়া প্রভৃতি ভালমানের কিছু রেস্তোরা রয়েছে। সুযোগ থাকলে পিরোজপুরের দুলালের দধি ভান্ডারের রসগোল্লা, রসমালাই এবং ঋতুপর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডারের রসমঞ্জুরি খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক বা নৌপথে পিরোজপুর পৌঁছানো যায়। মঠবাড়ীয়ার টিএন্ডটি রোড দিয়ে তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের কিছুটা সামনে এগুলেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ মমিন মসজিদ দেখতে পাওয়া যায়। বরিশাল শহরের রুপাতলি বাসস্ট্যান্ড থেকে মঠবাড়িয়াগামী বাসে তুষখালি নেমে সেখান থেকে রিক্সায় মমিন মসজিদ পৌঁছানো যায়। এছাড়া বরিশাল থ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মঠবাড়িয়ায় হোটেল কুটুম বাড়ি, জেলা পরিষদের ডাক বাংলো আর পিরোজপুরে হোটেল রজনী, হোটেল নিরালা, হোটেল রিল্যাক্স, পদ্মা হোটেল এবং হোটেল ছায়ানীড় সহ নানা আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়ার উত্তরে বুড়িরচর গ্রামের আকন বাড়িতে কাঠের কারুকার্যমণ্ডিত মমিন মসজিদ (Momin Masjid) অন্যতম এক স্থাপত্য নিদর্শন। এছাড়া বরিশাল থেকেও সহজে মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদে যাওয়া যায়। মঠবাড়ীয়ার টিএন্ডটি রোড দিয়ে তেলিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের কিছুটা সামনে এগুলেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ মমিন ম
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
