লালবাগ কেল্লা (Lalbagh Fort) রাজধানী ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার লালবাগ অঞ্চলয় রয়েছে। সব ধরণের খাবার পাওয়া যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার। বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৩০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের দর্শনার্থীদের জন্যে ২০০ টাকা এবং বিদেশী দর্শনার্থীদের টি

লালবাগ কেল্লা সম্পর্কে
এছাড়াও দর্শনীয় জিনিসগুলোর মধ্যে রয়েছে লালবাগ দুর্গ মসজিদ, চমৎকার ফোয়ারা, আরো কিছু সমাধি এবং তৎকালীন সময় যুদ্ধে ব্যবহৃত কামান/তোপ। ট্যুর টিপসলালবাগ দুর্গ ভালো করে ঘুরে দেখার জন্যে অন্তত দুই ঘন্টা সময় নিয়ে রওনা দিতে হবে।
এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস (গ্রীষ্মকাল)রবিবার – সাপ্তাহিক বন্ধসোমবার – দুপুর ২:৩০টা থেকে সন্ধ্যা ৬:০০টা পর্যন্ত খোলাশুক্রবার – সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা (বিরতি: দুপুর ১২:৩০টা থেকে ০২:৩০টা)সপ্তাহের বাকি দিন – সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্ত খোলাঅক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল) রবিবার – সাপ্তাহিক বন্ধসোমবার – দুপুর ১:৩০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা পর্যন্ত খোলাশুক্রবার – সকাল ৯:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা (বিরতি: দুপুর ১২:৩০টা থেকে বিকাল ০২:০০টা)সপ্তাহের বাকি দিন – সকাল ৯:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা পর্যন্ত খোলা* সরকারি বিশেষ ছুটির দিন গুলোতে লালবাগ কেল্লা বন্ধ থাকে
লালবাগ কেল্লা কীভাবে যাবেন
ঢাকার যে কোন জায়গা থেকেই লালবাগ কেল্লা যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকার যে কোন জায়গা থেকে অটোরিকশায় করে সরাসরি লালবাগ কেল্লায় আসতে পারবেন। ঢাকার অথবা বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঢাকার নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, শাহবাগ, টিএসসি অথবা আজিমপুর এসে রিকশায় করে যেতে পারবেন লালবাগ কেল্লায়।
কেল্লার সামনেই বেশ কিছু উন্নত মানের রেস্তোরাঁ আছে। সেখান থেকে রিক্সা অথবা লেগুনাতে করে কেল্লায় যেতে পারবেন। মার্বেল পাথরে তৈরী সমাধি সৌধটি অনন্য কারুকার্যপূর্ণ এবং মূল সমাধি সৌধের উপরের তামার পাত দিয়ে মোড়ানো একটা কৃত্রিম গম্বুজটি রয়েছে।
কোথায় খাবেন
কেল্লার ভিতর খাবার খাওয়ার কোন সুযোগ নেই। শুরুতে লালবাগ কেল্লার নাম দেয়া হয়েছিল আওরঙ্গবাদ দূর্গ বা আওরঙ্গবাদ কেল্লা। সম্রাট আওরঙ্গজেব লালবাগ কেল্লা নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও তাঁর পুত্র যুবরাজ শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে লালবাগ দূর্গের নির্মাণ কাজ আরম্ভ করেন।
লালবাগ দুর্গে যাওয়ার জন্যে কয়েকটি পথ আছে, আপনার সুবিধামত রুটে আপনি আসতে পারেন। প্রবেশ পথ ধরে সোজা এগিয়ে গেলে সামনে দেখাতে পাওয়া যায় শায়েস্তা খাঁনের কন্যা পরীবিবির স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত সমাধি সৌধ। ১৮৪৪ সালে আওরঙ্গবাদ অঞ্চলটির নাম পরিবর্তন করে লালবাগ রাখা হয়।
লালবাগ কেল্লায় তিনটি ফটক থাকলেও এর মধ্যে দুইটিকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল অনুযায়ী লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনের সময়সূচি পরিবর্তিত হয়। ঢাকা অথবা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঢাকার গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার আসতে হবে।
বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৩০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের দর্শনার্থীদের জন্যে ২০০ টাকা এবং বিদেশী দর্শনার্থীদের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৪০০ টাকা। পরবর্তীতে ১৬৮৪ খিষ্টাব্দে সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখত পরীবিবি মারা যাওয়ার পর তিনি দূর্গটি তৈরির কাজ বন্ধ করে দেন। এছারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের টিকিট মূল্য ১০ টাকা ও ৫ বছরের নীচে বাচ্চাদের ভেতরে যেতে টিকেট এর প্রয়োজন নেই।
এখন সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের বাসভবন ও দরবার হল ‘লালবাগ কেল্লা জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অঞ্চলর নামের সাথে সাথে কেল্লাটির নামও পরিবর্তিত হয়ে লালবাগ কেল্লা হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। আপনার সুবিধামত বাহনে লালবাগ আসতে পারবেন।
সদরঘাট থেকে রিক্সায় বাবুবাজার ব্রীজ হয়ে লালবাগ কেল্লায় যেতে পারবেন। অনলাইন টিকেটভ্রমণকারীরা চাইলে myGOV ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসেই কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন টিকেট কিনতে পারবেন, যা মোবাইলে বা প্রিন্ট আউট করে ব্যবহারযোগ্য। ফটক দিয়ে প্রবেশের সাথে সাথে মনোমুগ্ধকর বাগান মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
এছাড়াও সকল বিশেষ সরকারী ছুটির দিনে লালবাগ কেল্লা বন্ধ থাকে। দুর্গ ঘুরে দেখার পাশাপাশি আপনি চাইলে কাছাকাছি রয়েছে আরও কিছু সুপরিচিত জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন। লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনের
সময়সূচী
লালবাগ কেল্লা রবিবার বন্ধ থাকে এবং সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য বন্ধ থাকে। লালবাগ কেল্লা ভ্রমণ গাইডপ্রবেশ টিকেট মূল্যলালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার। সমাধি সৌধটি বর্গাকৃতির এবং এর প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ২০.২ মিটার।
লালবাগ কেল্লা থেকে সহজেই আহসান মঞ্জিল, তারা মসজিদ, আর্মেনিয়ান চার্চ, হোসেনি দালান, সদরঘাট, শোয়ারীঘাট অথবা ঢাকা ইউনিভার্সিটি অঞ্চল ঘুরে দেখতে পারেন।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার। বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৩০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের দর্শনার্থীদের জন্যে ২০০ টাকা এবং বিদেশী দর্শনার্থীদের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৪০০ টাকা। এছারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের টিকিট মূল্য ১০ টাকা ও ৫ বছরের নীচে বাচ্চাদের ভেতরে যেতে টিকেট এর প্রয়োজন নেই। অনলাইন টিকেটভ্রমণকারীরা চাইলে myGOV ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসেই কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন টিকেট কিনতে পারবেন, যা মোবাইলে বা প্রিন্ট আউট করে ব্যবহারযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার যে কোন জায়গা থেকেই লালবাগ কেল্লা যাওয়া যায়।
ঢাকার অথবা বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঢাকার নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, শাহবাগ, টিএসসি অথবা আজিমপুর এসে রিকশায় করে যেতে পারবেন লালবাগ কেল্লায়।
লালবাগ দুর্গে যাওয়ার জন্যে কয়েকটি পথ আছে, আপনার সুবিধামত রুটে আপনি আসতে পারেন।
সেখান থেকে রিক্সা অথবা লেগুনাতে করে কেল্লায় যেতে পারবেন।
আপনার সুবিধামত বাহনে লালবাগ আসতে পারবেন।
ঢাকা অথবা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঢাকার গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার আসতে হবে।
কোথায় খাবেন?
কেল্লার ভিতর খাবার খাওয়ার কোন সুযোগ নেই। কেল্লার সামনেই বেশ কিছু উন্নত মানের রেস্তোরাঁ আছে। সব ধরণের খাবার পাওয়া যায়।
ট্রাভেল টিপস
লালবাগ দুর্গ ভালো করে ঘুরে দেখার জন্যে অন্তত দুই ঘন্টা সময় নিয়ে রওনা দিতে হবে। দুর্গ ঘুরে দেখার পাশাপাশি আপনি চাইলে কাছাকাছি রয়েছে আরও কিছু সুপরিচিত জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন। লালবাগ কেল্লা থেকে সহজেই আহসান মঞ্জিল, তারা মসজিদ, আর্মেনিয়ান চার্চ, হোসেনি দালান, সদরঘাট, শোয়ারীঘাট অথবা ঢাকা ইউনিভার্সিটি অঞ্চল ঘুরে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
লালবাগ কেল্লা-এ প্রবেশ মূল্য কত?
লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার। বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ৩০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের দর্শনার্থীদের জন্যে ২০০ টাকা এবং বিদেশী দর্শনার্থীদের টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ৪০০ টাকা। এছারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের টিকিট মূল্য ১০ টাকা ও ৫ ব
লালবাগ কেল্লা কীভাবে যাবেন?
ঢাকার যে কোন জায়গা থেকেই লালবাগ কেল্লা যাওয়া যায়। ঢাকার অথবা বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঢাকার নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, শাহবাগ, টিএসসি অথবা আজিমপুর এসে রিকশায় করে যেতে পারবেন লালবাগ কেল্লায়। লালবাগ দুর্গে যাওয়ার জন্যে কয়েকটি পথ আছে, আপনার সুবিধামত রুটে আপনি আসতে পারেন। সেখান থেকে রিক্সা অথবা লেগু
লালবাগ কেল্লা-এর কাছে কোথায় খাবেন?
কেল্লার ভিতর খাবার খাওয়ার কোন সুযোগ নেই। কেল্লার সামনেই বেশ কিছু উন্নত মানের রেস্তোরাঁ আছে। সব ধরণের খাবার পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
