সিলেটের শ্রীপুর অঞ্চলয় রয়েছে সীমান্তবর্তী নদী ‘রাংপানি’ (Rangpani)। ফলে রাংপানি এখন তার হারানো রূপ ফিরে পাচ্ছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

রাংপানি সম্পর্কে
উচ্চ আদালতের নির্দেশে এবং জায়গাীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে এই নদী থেকে সব ধরনের যান্ত্রিক ও অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। সারা দিনের জন্য সিএনজি ভাড়া করলে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ পরবে। এছাড়া জৈন্তা হিল রিসোর্টে সব ধরনের বাংলা খাবার পাওয়া যায়।
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন।
কোথায় থাকবেন
রাংপানিতে থাকার জন্য এখনও তেমন কোন আবাসন ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। রাংপানির স্বচ্ছ জল মেঘালয়ের জৈন্তা পাহাড়ের রানহংকং জলপ্রপাত থেকে উৎপন্ন হয়েছে। পর্যটনের অপার সম্ভাবনার এই জায়গাটি অসংখ্য বছর অবহেলার কারণে জনসাধারণের কাছ থেকে আড়ালে থেকে যায়।
জৈন্তাপুর বাজার থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে শ্রীপুর চা বাগান। যাওয়ার উপায়রাংপানি’র সৌন্দর্য্য দেখতে হলে আপনাকে সিলেট আসতেই হবে। এছাড়াও হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে থাকতে পারবেন।
এক সময় পাথর উত্তোলনের কারণে শ্রীপুর তার প্রকৃতির অপরূপ রূপ হারাবে বলে মনে করা হলেও, এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। নাঈম-শাবনাজ জুটির প্রথম চলচ্চিত্র ‘চাঁদনী’র জনপ্রিয় গান ‘ও আমার জান, তোর বাঁশি যেন জাদু জানে রে’ ছাড়াও বেশ কিছু দৃশ্য শ্রীপুরের নানা জায়গাে চিত্রায়ন করা হয়েছিল। সিলেট শহর থেকে সিলেট-তামাবিল সড়কে বাস, লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা অথবা ব্যক্তিগত গাড়িতে করে যাওয়া যায় জৈন্তাপুরের শ্রীপুরে।
রাংপানি ও পুঞ্জির আশেপাশের অঞ্চলয় ৮০-৯০ দশকে বহু বাংলা চলচ্চিত্রের দৃশ্য ধারণ করা হতো। এই প্রজন্মের দর্শনার্থীদের কাছে এটি ধীরে ধীরে একটা প্রিয় ‘অফবিট’ গন্তব্য হয়ে উঠছে। ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায় জানতে পোস্টটি পরে দেখুন।
এছাড়া দর্শনার্থীরা রাতে থাকার জন্য সিলেটেই ফিরে আসেন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশের টহলও নিয়মিত থাকে এই অঞ্চলয়। বহুের কাছে এটি ‘শ্রীপুর পাথর কোয়ারি’ নামেও পরিচিত।
খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি নামেই ডাকে। রাংপানি নদীর তীরে খাসিয়াদের মোকামপুঞ্জি গ্রাম রয়েছে। এখন জায়গাীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় দর্শনার্থীদের জন্য গাইডের ব্যবস্থা রয়েছে।
মোকামপুঞ্জির প্রবেশদ্বার থেকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় গাইড নিয়ে রাংপানি ঘুরে দেখা যায়। জায়গাীয় বারকি নৌকা ভাড়া নিয়ে নদী পার হতে পারবেন। নৌকার ভাড়া দরদাম করে আগেই ঠিক করে নিন।
তাই রাতে থাকতে চাইলে জৈন্তা হিল রিসোর্টে থাকতে পারেন।
কোথায় খাবেন
খাবারের জন্য জৈন্তাপুর বা মোকামপুঞ্জির জায়গাীয় ছোট হোটেলগুলোয় দেশি খাবার পাওয়া যায়। আপনি যদি সিলেটের জৈন্তাপুর শ্রীপুরের পর্যটন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে হেঁটে মোকামপুঞ্জি অঞ্চলয় যান, তার কেবল আধা কিলোমিটার সামনেই রাংপানির দেখা মিলবে। এর উল্টো দিক ধরে সরু পথ পাড়ি দিলেই রাংপানি নদী।
পাহাড়ি সরু রাস্তা ধরে নিচে নামলেই দেখা মিলবে দুই পাশে কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য (শরৎকালে) এবং স্বচ্ছ নীল জলরাশির। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই, পালকি অথবা রয়্যাল ডাইন ও গ্র্যান্ড বাফেটে পছন্দমতো খাবার খেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
রাংপানিতে থাকার জন্য এখনও তেমন কোন আবাসন ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। এছাড়া দর্শনার্থীরা রাতে থাকার জন্য সিলেটেই ফিরে আসেন। তাই রাতে থাকতে চাইলে জৈন্তা হিল রিসোর্টে থাকতে পারেন। লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়াও হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
খাবারের জন্য জৈন্তাপুর বা মোকামপুঞ্জির জায়গাীয় ছোট হোটেলগুলোয় দেশি খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া জৈন্তা হিল রিসোর্টে সব ধরনের বাংলা খাবার পাওয়া যায়। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই, পালকি অথবা রয়্যাল ডাইন ও গ্র্যান্ড বাফেটে পছন্দমতো খাবার খেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাংপানিতে থাকার জন্য এখনও তেমন কোন আবাসন ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। এছাড়া দর্শনার্থীরা রাতে থাকার জন্য সিলেটেই ফিরে আসেন। তাই রাতে থাকতে চাইলে জৈন্তা হিল রিসোর্টে থাকতে পারেন। লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়াও হ
রাংপানি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সিলেটের শ্রীপুর অঞ্চলয় রয়েছে সীমান্তবর্তী নদী ‘রাংপানি’ (Rangpani)। ফলে রাংপানি এখন তার হারানো রূপ ফিরে পাচ্ছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এবং জায়গাীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে এই নদী থেকে সব ধরনের যান্ত্রিক ও অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
