হবিগঞ্জ জেলার রাজিউড়া ইউনিয়নে পঞ্চাদশ শতাব্দীর প্রাচীন শংকরপাশা শাহী মসজিদ (Sankarpasha Shahi Masjid) রয়েছে। সুলতানী আমলের অন্যতম নিদর্শন এই মসজিদ তৈরীতে পোড়ামাটির ইট ব্যবহার করা হয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

শংকরপাশা শাহী মসজিদ সম্পর্কে
বিশেষ দিনগুলোতে মসজিদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লির সমাগম ঘটে। আর হবিগঞ্জে আড্ডা প্লাটিনাম, ফুড প্যালেস, হাংগ্রি, নূরানি রেস্তোরাঁ, রয়েল ফুড ইত্যাদি রেস্তোরাঁে বাঙ্গালী, চাইনিজ ও ফাস্টফুড সহ নানা ধরণের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। তাছাড়া বিলাসঅসংখ্যল রিসোর্টে থাকতে চাইলে চলে পৌঁছাতে পারবেন বাহুবল উপজেলায় রয়েছে দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক বা রেলপথে হবিগঞ্জ জেলায় যেতে পারবেন। এক চালা ধরণের চার গম্বুজ বিশিষ্ট শংকরপাশা শাহী মসজিদের দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থ ২১ ফুট ৬ ইঞ্চি। টেরাকোটার নকশাকৃত চমৎকার নির্মাণশৈলীর এই মসজিদ কালের বিবর্তনে এক সময় বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছিল।
প্রায় ৬ একর জায়গা জুড়ে একটা টিলার উপর স্থাপিত লাল রঙের শংকরপাশা শাহী মসজিদটি জায়গাীয়দের কাছে লাল টিলা মসজিদ হিসেবেও সুপরিচিত। এখন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমেই মসজিদটির সৌন্দর্য ম্লান হচ্ছে। তাছাড়া মসজিদের দক্ষিণ দিকে আছে একটা বড় দিঘী।
কোথায় খাবেনহবিগঞ্জ থেকে রাজিউড়া যাবার পথে পানসি, প্রাইম ও ভাই ভাই রেস্তোরাঁের মতো খাবারের হোটেল রয়েছে। হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ মোড় থেকে বাস কিংবা সিএনজি নিয়ে রাজিউড়া ইউনিয়নের শংকরপাশা মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন। মসজিদে প্রধান কক্ষের চারকোণে চারটি ও বারান্দার দুই কোণে দুইটি সহ মোট ৬টি কারুকার্যখচিত স্তম্ভ এবং ১৫টি দরজা রয়েছে।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কালনী, পারাবত, জয়ন্তিকা কিংবা উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে হবিগঞ্জ যেতে পারবেন। হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে শংকরপাশা মসজিদের অবজায়গা। আর মসজিদের সামনের বারান্দাটির প্রস্থ প্রায় ৩ ফুট।
উক্ত অঞ্চলয় জনবসতি গড়ে উঠলে চাষাবাদের প্রয়োজনে এই মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। ১৫১৩ সালে সুপরিচিত সুফি দরবেশ শাহ মজলিস আমিন (রা.) এই মসজিদের নির্মাণ শুরু করেলেও পরবর্তীতে মুসলিম স্বনামধন্য শাসনকর্তা সুলতান আলাউদ্দিন হোসাইন শাহের আমলে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কোথায় থাকবেনহবিগঞ্জ শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল রোজ গার্ডেন, আলিফ হোটেল, হোটেল আমাদ, হোটেল বনানী, হোটেল সোনার তরী এবং প্রাইম রোজ ইত্যাদি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
মসজিদের পূর্ব-উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দেয়াল প্রায় ৫ ফুট ও পশ্চিমের দেয়াল প্রায় দশ ফুট পুরুত্ব বিশিষ্ট। রাজধানীর কল্যাণপুর, ফকিরাপুল কিংবা আরামবাগ থেকে সোহাগ, আল-মোবারাকা, গ্রীণ লাইন, এনা, সৌদিয়া, হানিফ, ইউনিক বাসে উঠে সরাসরি হবিগঞ্জ অথবা সিলেটগামী বাসে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ আসতে পারবেন। হবিগঞ্জের দর্শনীয় জায়গাহবিগঞ্জের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বিথাঙ্গল বড় আখড়া, গ্রীনল্যান্ড পার্ক ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান প্রভৃতি অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক বা রেলপথে হবিগঞ্জ জেলায় যেতে পারবেন।
রাজধানীর কল্যাণপুর, ফকিরাপুল কিংবা আরামবাগ থেকে সোহাগ, আল-মোবারাকা, গ্রীণ লাইন, এনা, সৌদিয়া, হানিফ, ইউনিক বাসে উঠে সরাসরি হবিগঞ্জ অথবা সিলেটগামী বাসে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ আসতে পারবেন।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কালনী, পারাবত, জয়ন্তিকা কিংবা উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে হবিগঞ্জ যেতে পারবেন।
হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে শংকরপাশা মসজিদের অবজায়গা।
হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ মোড় থেকে বাস কিংবা সিএনজি নিয়ে রাজিউড়া ইউনিয়নের শংকরপাশা মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
হবিগঞ্জ শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল রোজ গার্ডেন, আলিফ হোটেল, হোটেল আমাদ, হোটেল বনানী, হোটেল সোনার তরী এবং প্রাইম রোজ ইত্যাদি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাছাড়া বিলাসঅসংখ্যল রিসোর্টে থাকতে চাইলে চলে পৌঁছাতে পারবেন বাহুবল উপজেলায় রয়েছে দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টে।
কোথায় খাবেন?
হবিগঞ্জ থেকে রাজিউড়া যাবার পথে পানসি, প্রাইম ও ভাই ভাই রেস্তোরাঁের মতো খাবারের হোটেল রয়েছে। আর হবিগঞ্জে আড্ডা প্লাটিনাম, ফুড প্যালেস, হাংগ্রি, নূরানি রেস্তোরাঁ, রয়েল ফুড ইত্যাদি রেস্তোরাঁে বাঙ্গালী, চাইনিজ ও ফাস্টফুড সহ নানা ধরণের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শংকরপাশা শাহী মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক বা রেলপথে হবিগঞ্জ জেলায় যেতে পারবেন। রাজধানীর কল্যাণপুর, ফকিরাপুল কিংবা আরামবাগ থেকে সোহাগ, আল-মোবারাকা, গ্রীণ লাইন, এনা, সৌদিয়া, হানিফ, ইউনিক বাসে উঠে সরাসরি হবিগঞ্জ অথবা সিলেটগামী বাসে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ আসতে পারবেন। তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কালনী, পারাবত, জয়ন
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
হবিগঞ্জ শহরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল রোজ গার্ডেন, আলিফ হোটেল, হোটেল আমাদ, হোটেল বনানী, হোটেল সোনার তরী এবং প্রাইম রোজ ইত্যাদি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাছাড়া বিলাসঅসংখ্যল রিসোর্টে থাকতে চাইলে চলে পৌঁছাতে পারবেন বাহুবল উপজেলায় রয়েছে দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টে।
শংকরপাশা শাহী মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
হবিগঞ্জ জেলার রাজিউড়া ইউনিয়নে পঞ্চাদশ শতাব্দীর প্রাচীন শংকরপাশা শাহী মসজিদ (Sankarpasha Shahi Masjid) রয়েছে। সুলতানী আমলের অন্যতম নিদর্শন এই মসজিদ তৈরীতে পোড়ামাটির ইট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ দিনগুলোতে মসজিদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লির সমাগম ঘটে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

