গান্ধী আশ্রম (Jamalpur Gandhi Ashram) জামালপুর জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাশহাটিয়া গ্রামে রয়েছে। জামালপুর সদর উপজেলা থেকে কাপাসহাটিয়া যেতে খরচ পড়বে জনপ্রতি ৭০-১০০ টাকা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

গান্ধী আশ্রম, জামালপুর সম্পর্কে
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনে জামালপুর পৌঁছানো যায়। এছারাও এই আশ্রম থেকে চরকায় সুতা তৈরি, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ, লেখাপড়া ও শরীরচর্চা কার্যক্রম চালানো হত। নতুন প্রজন্ম ও ভ্রমণকারীর মনে ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশপ্রেম, সংগ্রামের সাহস ও প্রেরণা।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে করে জামালপুর পৌঁছানো যায়। ১৯৩৪ সালে মহাত্মা গান্ধিজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এ আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন জামালপুর মহকুমা কংগ্রেসের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরকার। কোথায় খাবেনগান্ধী আশ্রম অঞ্চলয় বেশ কিছু ছোট রেস্তোরা পাবেন সেখানে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার খেতে পারবেন।
পাশাপাশি জামালপুর শহরে হোটেল, সম্রাট, তাজ হোটেল নামক কয়েকটি রেস্তোরা সহ বহু ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে, যেখানে আপনি জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী খাবার পাবেন। রাস্তা সরু হওয়ায় মাইক্রোবাস নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও বড় বাস নিয়ে যাওয়া যাবে না। কোথায় থাকবেনগান্ধী আশ্রম অঞ্চলয় থাকার কোনো সুব্যবস্থা গড়ে উঠেনি।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর এ আশ্রমের কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে জায়গাীয়দের উদ্যোগে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে পুনরায় চালু করা হয় আশ্রমটির কার্যক্রম। এই আশ্রমে তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিচিত্র কর্মপরিকল্পনা করা হত।
ট্রেনের আসনভেদে ভাড়া লাগবে ১৭৫ টকা থেকে ৪০৩ টকা পর্যন্ত। জায়গাীয় সরকার ও জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধায়নে এখানে একটা দ্বিতল মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রাম জাদুঘর ভবন (Freedom Struggle Museum) ও অডিটরিয়াম তৈরি করা হয়েছে। ব্রিটিশ শাসন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, মুক্তি সংগ্রামের বিচিত্র ছবি ও মুক্তিযুদ্ধে জামালপুরের নানা স্মৃতিচিহ্ন এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাতে থাকার জন্য জামালপুরের আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সেফির, হোটেল রওশন ইন, হোটেল রাইয়ান ইন.(রিস), হোটেল আল সামাদ ও হোটেল চমৎকারবন উল্লেখযোগ্য। ঢাকা থেকে বাসে করে জামালপুর যেতে চাইলে মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে মহানগর, এনা কিংবা রাজীব পরিবহণের বাসে ৫০০ টকা থেকে ৬০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন। এক একর জমির ওপর স্থাপিত জামালপুরের এই গান্ধী আশ্রম ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর হাজারো ভ্রমণকারীর ইতিহাস চেতনাকে করছে সমৃদ্ধ।
যদিও জামালপুর যাওয়ার জন্য ট্রেন সর্বাধিক সুবিধাজনক উপায়। এই আশ্রম তখন পরিণত হয়েছিল ঐ এলাকাের মুক্তিকামী মানুষের মিলনমেলায়। জামালপুর জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাজামালপুর জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে মালঞ্চ মসজিদ, শাহ জামালের মাজার, দয়াময়ী মন্দির, লুইস ভিলেজ রিসোর্ট এন্ড পার্ক, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে করে জামালপুর পৌঁছানো যায়।
জামালপুর সদর উপজেলা থেকে কাপাসহাটিয়া যেতে খরচ পড়বে জনপ্রতি ৭০-১০০ টাকা।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনে জামালপুর পৌঁছানো যায়।
ট্রেনের আসনভেদে ভাড়া লাগবে ১৭৫ টকা থেকে ৪০৩ টকা পর্যন্ত।
ঢাকা থেকে বাসে করে জামালপুর যেতে চাইলে মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে মহানগর, এনা কিংবা রাজীব পরিবহণের বাসে ৫০০ টকা থেকে ৬০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন।
যদিও জামালপুর যাওয়ার জন্য ট্রেন সর্বাধিক সুবিধাজনক উপায়।
কোথায় থাকবেন?
গান্ধী আশ্রম অঞ্চলয় থাকার কোনো সুব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। রাতে থাকার জন্য জামালপুরের আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সেফির, হোটেল রওশন ইন, হোটেল রাইয়ান ইন.(রিস), হোটেল আল সামাদ ও হোটেল চমৎকারবন উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
গান্ধী আশ্রম অঞ্চলয় বেশ কিছু ছোট রেস্তোরা পাবেন সেখানে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার খেতে পারবেন। পাশাপাশি জামালপুর শহরে হোটেল, সম্রাট, তাজ হোটেল নামক কয়েকটি রেস্তোরা সহ বহু ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে, যেখানে আপনি জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী খাবার পাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গান্ধী আশ্রম, জামালপুর কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে করে জামালপুর পৌঁছানো যায়। জামালপুর সদর উপজেলা থেকে কাপাসহাটিয়া যেতে খরচ পড়বে জনপ্রতি ৭০-১০০ টাকা। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনে জামালপুর পৌঁছানো যায়। ট্রেনের আসন
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
গান্ধী আশ্রম অঞ্চলয় থাকার কোনো সুব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। রাতে থাকার জন্য জামালপুরের আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড সেফির, হোটেল রওশন ইন, হোটেল রাইয়ান ইন.(রিস), হোটেল আল সামাদ ও হোটেল চমৎকারবন উল্লেখযোগ্য।
গান্ধী আশ্রম, জামালপুর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গান্ধী আশ্রম (Jamalpur Gandhi Ashram) জামালপুর জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাশহাটিয়া গ্রামে রয়েছে। জামালপুর সদর উপজেলা থেকে কাপাসহাটিয়া যেতে খরচ পড়বে জনপ্রতি ৭০-১০০ টাকা। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিস্তা এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, জামালপুর এক্সপ্রে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
