bangladesh · Editorial

চিংড়ি ঝর্ণা

বান্দরবানের রুমা উপজেলার বগালেক এর কাছে ও কেওক্রাডং যাবার পথে রয়েছে চিংড়ি ঝর্ণা (Chingri Jhorna) যাওয়ার উপায়, খরচ, খাবার ও রিসোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়ীকন্যা বান্দরবান ৯২ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে রয়েছে। অথবা সেইদিন বিশ্রাম নিয়ে পরদিন সকালে রওনা হতে পারেন চিংড়ি ঝর্না দেখার জন্যে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চিংড়ি ঝর্ণা

চিংড়ি ঝর্ণা সম্পর্কে

তখন ঝর্ণা গুলোতে পানিতে পরিপূর্ণ থাকে। এই ঝর্ণায় এক সময় প্রচুর চিংড়ি পাওয়া যেত বলেই ঝর্ণার এমন নামকরণ। বগালেক থেকে চিংড়ি ঝর্ণায় হেঁটে যেতে ৩০ থেকে ৪৫ সময় লাগবে।

ঝর্ণায় সময় কাটিয়ে আবার চলে আসুন বগালেকে। সেই ক্ষেত্রে চিংড়ি ঝর্ণা দর্শন বোনাস হিসেবেই পাওয়া হয়। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা।

চিংড়ি ঝর্ণার যাওয়ার উপায় সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন আমাদের বগালেক ভ্রমণ গাইড থেকে। তেমনি অপরূপ চমৎকার একটা ঝর্ণা হচ্ছে চিংড়ি ঝর্ণা (Chingri Jhorna)। প্রায়ই ১০০-২০০ টাকার খাবার প্যাকেজ পাওয়া যায়।

খুব আহামরি সুযোগ সুবিধা না থাকলেও পাহাড়ি আবহে লেকের পাশে সাজানো এই কটেজ গুলোতে রাত্রি যাপন আপনার জন্যে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ৪৪৭৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের পাহাড়ীকন্যা বান্দরবানে পাহাড় ছাড়াও রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় ঝর্ণা। বগালেকে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা আদিবাসী ঘরেই করতে হবে।

কোথায় থাকবেন

বগালেক এসে এক রাত না থাকাটা বোকামি হবে। ভাত, ডিম, আলুভর্তা, পাহাড়ি মুরগি দিয়েই হয় খাবারের আয়োজন। ঢাকার নানা জায়গা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বগালেকে সব মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, রবি ও টেলিটকের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। তাই সাথে করে কোন একটা সিম রাখুন। টিপস ও সতর্কতাঝর্ণার নিচে যাবার সময় সতর্ক থাকন, পাথর গুলো বহু পিচ্ছিল হয়ে থাকে, সাবধানে হাঁটুন।

যদিও আপনি চাইলে যে কোন সময়ই যেতে পারবেন এই ঝর্ণায়। সম্প্রতি বগালেকে গোসল করতে গিয়ে কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে, লেকে গোসল করার সময় সতর্ক থাকুন। বগালেকে থাকার জন্যে আদিবাসীদের বেশ কিছু চমৎকার কটেজ আছে।

আদিবাসীদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিয়ে নিন। লেকের পাড় ঘেঁষে মনোমুগ্ধকর আবহের এই কটেজ গুলোতে থাকতে আপনার খরচ হবে ১০০-২৫০ টাকা।

চিংড়ি ঝর্ণা কীভাবে যাবেন

দেশের যে প্রান্তেই থাকেন আপনাকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে বগালেক যাবার জন্যে। বগালেকে বিদ্যুৎ নেই, যদিও সোলার পাওয়ার এর ব্যবস্থা আছে। এক রুমের কটেজে ৫-৬ জন থাকা যাবে।

এছাড়া কাপল কিংবা মহিলাদের জন্য চাইলে আলাদা কটেজের ব্যবস্থা করা যায়। বান্দরবান থেকে বগালেকবান্দারবান থেকে চান্দের গাড়িতে বা জিপে করে রুমা বাজার আসতে হবে। বগালেক যাবার জন্যে অবশ্যই আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে, ফিরে আসার সময় ও রিপোর্ট করতে হবে।

বগালেক থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার পথে ৩০-৪০ মিনিট হাটলে চিংড়ি ঝর্ণার দেখা পাবেন। প্রায়ই দর্শনার্থীগন বগালেকে বা কেওক্রাডং এর উদ্দেশ্যেই বেড়াতে আসেন। বান্দরবান থেকে বগালেক পুরো রাস্তাই পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সতর্ক থাকুন।

আগে থেকে কোন পছন্দ থাকলে যাবার সময় গাইডকে বললে সেই ঠিক করে রাখবে কটেজ। অথবা কেওক্রাডং ভ্রমণে আপনার পথের মধ্যেই পরবে এই মায়াবী বুনো ঝর্না। কিংবা গিয়েও ঠিক করার সুযোগ পাবেন।

অতি বর্ষার বহু সময় পাহাড় ধ্বস হয়, তাই বর্ষাকালে গেলে সেই ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যাওয়াটাই ভাল। উপযুক্ত সময়যে কোন ঝর্ণার পূর্ণ রূপ পাওয়া যায় বর্ষাকালে বা তার আশপাশের সময়ে। আপনি যদি চিংড়ি ঝর্ণা দেখতে আসেন, যদিও অবশ্যই এমনভাবে পরিকল্পনা করবেন যেন বগালেকে এক রাত থাকা হয়।

কটেজ গুলোতে আছে বারবিকিউ করার ব্যবস্থা, পাহাড়ী মুরগী কিনে লেক পাড়ে বসে উপভোগ করতে পারেন ভিন্ন আবহের এই আয়োজন। এই জন্যে আগে থেকেই বলে রাখতে হবে কি খাবেন ও কত জন খাবেন। আদীবাসী মানুষের জীবন যাত্রা সমতলের মানুষের মত নয়, তাদের অসম্মান হয় এমন কিছু করবেন না।

আরও পড়তে পারেন আমাদের কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড। এছাড়া চিংড়ি ঝর্ণা যেহেতু বগালেকের আছে এবং কেওক্রাডং যাবার পথে পরে, তাই আপনি যদি বগালেক ভ্রমনে যান তাহলে একটু কষ্ট করে চিংড়ি ঝর্নাও দেখে আসতে পারেন। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।

পৌঁছেই খাবার খেতে চাইলে যাবার সময়ই গাইডের সাহায্যে বলে রাখতে পারবেন। কি খাবেনরুমা বাজারে খাবার জন্য মুটামুটি বেশকিছু হোটেল পাবেন। অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা উনারা পছন্দ নাও করতে পারে।

মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্যে সাথে করে পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারেন। নিজের নিরাপত্তার সার্থে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি সাথে রাখুন। এই অল্প সময়ের ট্রেকিং করে অ্যাডভেঞ্চার অনুভূতি যেমন পাবেন তেমনি পাহাড়ের পথে হেঁটে যেতে বেশ ভালই লাগবে।

সেখানে গাইড নিয়ে আর্মি ক্যাম্পে নাম এন্ট্রি করে রিজার্ভ জীপ/চান্দের গাড়ী অথবা লোকাল চান্দের গাড়ীতে করে বগালেক চলে আসুন। বগালেকের আর্মি ক্যাম্পে নাম এন্ট্রি করে সময় থাকলে চিংড়ি ঝর্ণার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাতে পারবেন। আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা

কীভাবে যাবেন?

দেশের যে প্রান্তেই থাকেন আপনাকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে বগালেক যাবার জন্যে।

অথবা সেইদিন বিশ্রাম নিয়ে পরদিন সকালে রওনা হতে পারেন চিংড়ি ঝর্না দেখার জন্যে।

জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা।

বগালেক থেকে চিংড়ি ঝর্ণায় হেঁটে যেতে ৩০ থেকে ৪৫ সময় লাগবে।

ঝর্ণায় সময় কাটিয়ে আবার চলে আসুন বগালেকে।

ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।

কোথায় থাকবেন?

বগালেক এসে এক রাত না থাকাটা বোকামি হবে। এছাড়া কাপল কিংবা মহিলাদের জন্য চাইলে আলাদা কটেজের ব্যবস্থা করা যায়। খুব আহামরি সুযোগ সুবিধা না থাকলেও পাহাড়ি আবহে লেকের পাশে সাজানো এই কটেজ গুলোতে রাত্রি যাপন আপনার জন্যে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বগালেকে থাকার জন্যে আদিবাসীদের বেশ কিছু চমৎকার কটেজ আছে। সেই ক্ষেত্রে চিংড়ি ঝর্ণা দর্শন বোনাস হিসেবেই পাওয়া হয়। এক রুমের কটেজে ৫-৬ জন থাকা যাবে। লেকের পাড় ঘেঁষে মনোমুগ্ধকর আবহের এই কটেজ গুলোতে থাকতে আপনার খরচ হবে ১০০-২৫০ টাকা। প্রায়ই দর্শনার্থীগন বগালেকে বা কেওক্রাডং এর উদ্দেশ্যেই বেড়াতে আসেন। আগে থেকে কোন পছন্দ থাকলে যাবার সময় গাইডকে বললে সেই ঠিক করে রাখবে কটেজ। আপনি যদি চিংড়ি ঝর্ণা দেখতে আসেন, যদিও অবশ্যই এমনভাবে পরিকল্পনা করবেন যেন বগালেকে এক রাত থাকা হয়। কিংবা গিয়েও ঠিক করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় খাবেন?

রুমা বাজারে খাবার জন্য মুটামুটি বেশকিছু হোটেল পাবেন। ভাত, ডিম, আলুভর্তা, পাহাড়ি মুরগি দিয়েই হয় খাবারের আয়োজন। পৌঁছেই খাবার খেতে চাইলে যাবার সময়ই গাইডের সাহায্যে বলে রাখতে পারবেন। বগালেকে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা আদিবাসী ঘরেই করতে হবে। প্রায়ই ১০০-২০০ টাকার খাবার প্যাকেজ পাওয়া যায়। এই জন্যে আগে থেকেই বলে রাখতে হবে কি খাবেন ও কত জন খাবেন। কটেজ গুলোতে আছে বারবিকিউ করার ব্যবস্থা, পাহাড়ী মুরগী কিনে লেক পাড়ে বসে উপভোগ করতে পারেন ভিন্ন আবহের এই আয়োজন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

ঝর্ণার নিচে যাবার সময় সতর্ক থাকন, পাথর গুলো বহু পিচ্ছিল হয়ে থাকে, সাবধানে হাঁটুন। বগালেকে সব মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, রবি ও টেলিটকের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। নিজের নিরাপত্তার সার্থে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি সাথে রাখুন। মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্যে সাথে করে পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারেন। তাই সাথে করে কোন একটা সিম রাখুন। অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা উনারা পছন্দ নাও করতে পারে। আদিবাসীদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিয়ে নিন। বগালেকে বিদ্যুৎ নেই, যদিও সোলার পাওয়ার এর ব্যবস্থা আছে। সম্প্রতি বগালেকে গোসল করতে গিয়ে কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে, লেকে গোসল করার সময় সতর্ক থাকুন। আদীবাসী মানুষের জীবন যাত্রা সমতলের মানুষের মত নয়, তাদের অ

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

চিংড়ি ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?

দেশের যে প্রান্তেই থাকেন আপনাকে প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে বগালেক যাবার জন্যে। অথবা সেইদিন বিশ্রাম নিয়ে পরদিন সকালে রওনা হতে পারেন চিংড়ি ঝর্না দেখার জন্যে। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা। বগালেক থেকে চিংড়ি ঝর্ণায় হেঁটে যেতে ৩০ থেকে ৪৫ সময় লাগবে। ঝর্ণায় সময় কা

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

বগালেক এসে এক রাত না থাকাটা বোকামি হবে। এছাড়া কাপল কিংবা মহিলাদের জন্য চাইলে আলাদা কটেজের ব্যবস্থা করা যায়। খুব আহামরি সুযোগ সুবিধা না থাকলেও পাহাড়ি আবহে লেকের পাশে সাজানো এই কটেজ গুলোতে রাত্রি যাপন আপনার জন্যে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বগালেকে থাকার জন্যে আদিবাসীদের বেশ কিছু চমৎকার কটেজ আছে। সেই ক্

চিংড়ি ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়ীকন্যা বান্দরবান ৯২ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে রয়েছে। অথবা সেইদিন বিশ্রাম নিয়ে পরদিন সকালে রওনা হতে পারেন চিংড়ি ঝর্না দেখার জন্যে। তখন ঝর্ণা গুলোতে পানিতে পরিপূর্ণ থাকে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.