bangladesh · Editorial

সুপ্তধারা ঝর্ণা

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে রয়েছে সুপ্তধারা ঝর্ণা (Suptadhara Waterfall) ভ্রমণ গাইড। যাওয়ার উপায়, হোটেল ও খাওয়া দাওয়া, খরচ, আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা এবং টিপস।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড (Sitakunda) উপজেলায় চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্টের চিরসবুজ বনাঞ্চলের ইকোপার্কে শোভাবর্ধন অনন্য প্রকৃতির সুপ্তধারা ঝর্ণা (Suptadhara Waterfall)। ঢাকা থেকে রাত ১১ টায় যাত্রা শুরু করে পরদিন সকাল ৬ টা থেকে ৭ টার মধ্যে ট্রেনটি সীতাকুণ্ডে পৌঁছায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

সুপ্তধারা ঝর্ণা

সুপ্তধারা ঝর্ণা সম্পর্কে

বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের দূরত্ব কেবল ৩৫ কিলোমিটার। অতি সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে হোটেল সৌদিয়া নামে একটা আবাসিক হোটেল চালু হয়েছে।

ঢাকা টু চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ঢাকা মেইল ট্রেনটিই শুধু সীতাকুণ্ড রেলস্টেশনে থামে। যদিও বর্ষাকালে সুপ্তধারা ঝর্ণা নিজেকে পূর্ণরূপে মিলে ধরে। এইসব বাসগুলো মূলত ঢাকা সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য চট্টগ্রামে চলে পৌঁছাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা লাগতে পারে। প্রায়ই বর্ষার মৌসুম ছাড়া সারাবছর এই ঝর্ণায় পানি বেশ কম থাকে।

সেখানে নানা মানের হোটেল রয়েছে। শহরের মাদারবাড়ী ও কদমতলী বাস ষ্টেশন থেকে সীতাকুণ্ড যাবার বাসগুলো ছাড়ে। মহিপাল বাসস্ট্যান্ড হতে ৫০-৮০ টাকা ভাড়ায় লোকাল বাসে সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন।

সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। যদিও সবগুলো বাসই প্রয়োজন অনুযায়ী সীতাকুণ্ডে থামে। সারাদিনের জন্য সিএনজি ভাড়া নিলে ইকো পার্ক ঘুরে বহুটা সময় বাঁচাতে পারবেন।

ঢাকা থেকে সড়ক পথে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক আসতে এস.আলম, সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক ইত্যাদি পরিবহণের নানা এসি, ননএসি বাস পাবেন। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। তাছাড়া অলঙ্কার থেকে মেক্সীতে করে সীতাকুণ্ডের ফকিরহাট যাওয়া যায়।

আর বাকি সময়টায় সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই অঞ্চলর আরো কিছু ঝর্ণা ও ঝিরি ট্রেইল দেখার সুযোগ মিলবে। সীতাকুণ্ড ইকো পার্কে যাওয়ার জন্য ঢাকা থেকে বাসে চড়ে আসলে সীতাকুন্ড বাস স্টপেজ থেকে ২ কিলোমিটার দূরে ফকিরহাট নামক জায়গায় বাস থেকে নামতে হবে। সুপ্তধারা ঝর্ণার কাছেই সহস্রধারা ঝর্ণা নামে আরো একটা জলপ্রপাত রয়েছে।

হোটেলটিতে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকায় কয়েক ধরণের রুম পাওয়া যায়। সীতাকুণ্ডে

কোথায় থাকবেন

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। সুপ্তধারা ঝর্ণা দেখতে

কীভাবে যাবেন

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কেই সুপ্তধারা ঝর্ণার অবজায়গা। তাই ভরা বর্ষায় ঝর্ণার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রত্যেক দিন শত শত ভ্রমণকারী সুপ্তধারা ঝর্ণা দেখতে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এসে ভীড় করেন। আর যদি আন্তঃনগর ট্রেনে আসতে চান যদিও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন আন্তঃনগর ট্রেনে চড়ে ফেনী স্টেশনে নেমে সেখান থেকে ১০/১৫ টাকা অটো/রিক্সা ভাড়ায় মহিপাল বাসস্ট্যান্ড আসুন।

এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। সীতাকুণ্ড থেকে সারাদিনের জন্য সিএনজি ভাড়া নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এদের মধ্যে হোটেল প‌্যারামাউন্ট, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল সাফিনা, হোটেল নাবা ইন, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কেই সুপ্তধারা ঝর্ণার অবজায়গা।

সীতাকুণ্ড থেকে সারাদিনের জন্য সিএনজি ভাড়া নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

আর যদি আন্তঃনগর ট্রেনে আসতে চান যদিও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন আন্তঃনগর ট্রেনে চড়ে ফেনী স্টেশনে নেমে সেখান থেকে ১০/১৫ টাকা অটো/রিক্সা ভাড়ায় মহিপাল বাসস্ট্যান্ড আসুন।

এইসব বাসগুলো মূলত ঢাকা সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

মহিপাল বাসস্ট্যান্ড হতে ৫০-৮০ টাকা ভাড়ায় লোকাল বাসে সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন।

চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের দূরত্ব কেবল ৩৫ কিলোমিটার।

কোথায় থাকবেন?

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। সেখানে নানা মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য চট্টগ্রামে চলে পৌঁছাতে পারবেন। সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। হোটেলটিতে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকায় কয়েক ধরণের রুম পাওয়া যায়। অতি সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে হোটেল সৌদিয়া নামে একটা আবাসিক হোটেল চালু হয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল প‌্যারামাউন্ট, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল সাফিনা, হোটেল নাবা ইন, হোটেল ল্যান্ডমার্ক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সুপ্তধারা ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কেই সুপ্তধারা ঝর্ণার অবজায়গা। সীতাকুণ্ড থেকে সারাদিনের জন্য সিএনজি ভাড়া নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আর যদি আন্তঃনগর ট্রেনে আসতে চান যদিও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন আন্তঃনগর ট্রেনে চড়ে ফেনী স্টেশনে নেমে সেখান থেকে ১০/১৫ টাকা অটো/রিক্সা ভাড়ায় মহিপাল বাসস্ট্যান্ড আসুন। এইসব বাসগুলো ম

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য তেমন কোন উন্নত মানের আবাসিক হোটেল নেই। সেখানে নানা মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য চট্টগ্রামে চলে পৌঁছাতে পারবেন। সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চ

সুপ্তধারা ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড (Sitakunda) উপজেলায় চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্টের চিরসবুজ বনাঞ্চলের ইকোপার্কে শোভাবর্ধন অনন্য প্রকৃতির সুপ্তধারা ঝর্ণা (Suptadhara Waterfall)। ঢাকা থেকে রাত ১১ টায় যাত্রা শুরু করে পরদিন সকাল ৬ টা থেকে ৭ টার মধ্যে ট্রেনটি সীতাকুণ্ডে পৌঁছায়। বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.