bangladesh · Editorial

ভাসমান পেয়ারা বাজার

ঝালকাঠি, বরিশাল এবং পিরোজপুরের সিমান্তবর্তী অঞ্চলয় গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাগান। ঝালকাঠী জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভিমরুলিতে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

ঝালকাঠি, বরিশাল এবং পিরোজপুরের সিমান্তবর্তী অঞ্চলয় গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাগান। ভাসমান পেয়ারা বাজার কীভাবে যাবেনবরিশাল পানি অথবা সড়ক পথে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে যদিও পানি পথে বরিশাল যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

ভাসমান পেয়ারা বাজার

ভাসমান পেয়ারা বাজার সম্পর্কে

এছাড়া কুড়িয়ানা বাজার থেকে জনপ্রতি ১৫ টাকা অটো ভাড়ায় নারায়ণকাঠি গিয়ে সেখান থেকে আরেকটি অটোতে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় সহজে গুটিয়া মসজিদ যাওয়া যায়। বরিশাল শহরে নানা মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। খালের মধ্য দিয়ে চলার সময় চাইলে হাত বাড়িয়ে আমরা কিংবা পেয়ারা ধরতে পারবেন।

ভাসমান পেয়ারা বাজার দেখতে আগস্ট মাস সবচেয়ে উপযোগী সময়। এছাড়া রাস্তা ভাল থাকলে অটোতে করে আটঘর, কুড়িয়ানা এবং ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন। সাকুরা পরিবহনে বরিশাল যেতে জনপ্রতি বাসের টিকেট মূল্য ৫৩৫ থেকে ১২৫০ টাকা।

বাসে বরিশাল কিংবা স্বরূপকাঠি এসে উপরে উল্লেখিত উপায়ে ভাসমান পেয়ারা বাজার দেখতে যেতে পারবেন। * বাসে ভ্রমণ থেকে লঞ্চে ভ্রমণ করা বহু আরামদায়ক ও সুবিধাজনক* অবশ্যই মিষ্টি খেতে ভুলবেন না। দুপুরবেলা কুড়িয়ানা বাজারে বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে বাসে চরে বানারীপাড়ায় গুঠিয়া মসজিদ দেখতে চলে যাওয়া।

আর যদি বৃষ্টি হয় যদিও চারপাশটা আরো অপার্থিব সৌন্দর্য্যে মোহনীয় হয়ে উঠবে। * বাগান থেকে কিছু খেতে চাইলে বাগান মালিকের অনুমতি নিয়ে নিবেন। ট্যুর প্ল্যানভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণের ট্যুর প্ল্যান (১)বরিশাল বা স্বরূপকাঠি থেকে নৌকা কিংবা ট্রলার নিয়ে ব্যাকওয়াটার ও ভাসমান পেয়ারা বাজার দর্শন।

এছাড়া বরিশাল শহরের পুরান বাজার অঞ্চলর হক এর রসমালাই, রসগোল্লা কিংবা ছানা, বটতলা অঞ্চলর শশীর রসমালাই, নয়াবাজার মোড়ের নিতাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্পঞ্জ মিষ্টি, বিবির পুকুর পাড়ের কাছে চটপটি, দধি ঘোরের দই, ঘোল এবং ঘোল-মুড়ি মিক্সড খেতে পারেন। পথে কুড়িয়ানা বাজারের ঋতুপর্ণা দোকানের গরম গরম রসগোল্লার স্বাদ নিতে ভুল করবেন না আর বাজারে বৌদির হোটেলে খেতে পারেন দুপুরের খাবার। * ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণে গ্রুপ করে গেলেই ভাল।

সকাল ১১ টার পর পেয়ারা বাজারের ভীড় কমতে থাকে তাই ১১ টার আগে বাজারে যাওয়াই সবচেয়ে ভাল। সকালে ঝালকাঠি থেকে গুঠিয়া মসজিদ, দুর্গাসাগর দিঘী ঘুরে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা। যদিও উন্নত মানের হোটেলে রাত্রি যাপন করতে বরিশাল শহরে আসতে হবে।

ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণের ট্যুর প্ল্যান (২)বরিশাল বা স্বরূপকাঠি থেকে নৌকা কিংবা ট্রলার নিয়ে ব্যাকওয়াটার ও ভাসমান পেয়ারা বাজার দর্শন। যদি হাতে যথেষ্ট সময় থাকে যদিও বিবির পুকুর পাড়ে সন্ধ্যা কাটিয়ে চটপটি খেয়ে ফিরতি লঞ্চ কিংবা বাসে চরে ঢাকায় ফেরা। জুলাই, আগস্ট পেয়ারার মৌসুম হলেও মাঝে মাঝে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাজার চলে।

অথবা স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়ায় কুড়িয়ানা বাজার এসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করে কুড়িয়ানার আশপাশের বাজার আর ক্যানেল ঘুরতে পারবেন। সোনার তরী, হানিফ এবং সাকুরা পরিবহণের বাসে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। তিন দিক থেকে আসা খালের মোহনায় বসে ভিমরুলির এই ভাসমান পেয়ারা বাজার।

বাসে যেতে চাইলে : ঢাকার সদরঘাট এবং গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বেশ কিছু বাস পদ্মা সেতু হয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাসমান পেয়ারা বাজার থেকে বরিশাল আসার পথে গুঠিয়া মসজিদ ও দুর্গাসাগর দিঘী পরিদর্শন করতে পারবেন। * লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করবেন।

আবাসন সুবিধাঝালকাঠি শহরের ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউস, হালিমা এবং আরাফাত বোর্ডিং এ ১০০ থেকে ২৫০ টাকা ভাড়ায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণ পরামর্শ* পানিতে ময়লা ফেলে পানি নোংরা করবেন না। দরদাম করে নিলে ট্রলারভেদে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগবে।

এরপর বরিশাল শহরের আশেপাশে ঘুরে লঞ্চে ঢাকা ফেরা। লঞ্চে বরিশাল যেতে জনপ্রতি ডেক ভাড়া ২০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ৯০০ (নন এসি) টাকা এবং ডাবল কেবিন ভাড়া ১৭০০ (নন এসি) টাকা। গুঠিয়া মসজিদের কাছে সন্দেশ খেতে ভুলবেন না, এরপর কেবল দুই কিলোমিটার দূরে দুর্গাসাগর দিঘী দেখে বাসে বরিশাল শহরে আসা।

দুপুরবেলা কুড়িয়ানা বাজারে বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার ব্যাকওয়াটার ভ্রমণ করে ঝালকাঠিতে রাত কাটানো। কোথায় কি খাবেনভিমরুলি বাজার থেকে সাদা ও লাল মিষ্টি, কুড়িয়ানা বাজারে ঋতুপর্ণা দোকানের গরম মিষ্টি ও বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার এবং গুঠিয়ার সন্দেশ। গাবতলী থেকে সরাসরি স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাটে যাওয়ার বাস রয়েছে।

এছাড়া ব্যাকওয়াটারে ঘুরে খালের সাথে লাগোয়া ঘরবাড়ি, স্কুল, ব্রিজ এবং রাস্তার সম্মোহনী রুপ উপভোগ করতে পারেন। ঝালকাঠী জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভিমরুলিতে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভাসমান পেয়ারা বাজার (Floating Guava Market)। বরিশাল লঞ্চ ঘাট থেকে অটো বা রিক্সায় চৌরাস্তা এসে বাসে করে স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট পর্যন্ত ৫০ টাকা ভাড়া লাগবে।

লঞ্চে যেতে চাইলে : ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রত্যেক দিন বেশকিছু লঞ্চ বরিশালের পথে যাত্রা করে ভোর ৪ থেকে ৫ টার মধ্যে পৌঁছায়। যদিও ভিমরুলি গেলে ভাড়া আরো বেশি লাগবে। স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ট্রলার ভাড়া করে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢুকে আটঘর, কুড়িয়ানা, ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন।

এক্ষেত্রে একটু খোঁজ খবর করে নিন কিংবা কিছু কিছু ব্রিজ ভাঙ্গা থাকায় প্রতি ব্রিজ পর্যন্ত অটোতে এসে পায়ে হেটে ব্রিজ পার হয়ে আবার অটো নিয়ে রওনা দিতে হবে। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ

কীভাবে যাবেন?

বরিশাল পানি অথবা সড়ক পথে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে যদিও পানি পথে বরিশাল যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক।

গাবতলী থেকে সরাসরি স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাটে যাওয়ার বাস রয়েছে।

এছাড়া রাস্তা ভাল থাকলে অটোতে করে আটঘর, কুড়িয়ানা এবং ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন।

সাকুরা পরিবহনে বরিশাল যেতে জনপ্রতি বাসের টিকেট মূল্য ৫৩৫ থেকে ১২৫০ টাকা।

অথবা স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়ায় কুড়িয়ানা বাজার এসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করে কুড়িয়ানার আশপাশের বাজার আর ক্যানেল ঘুরতে পারবেন।

বরিশাল লঞ্চ ঘাট থেকে অটো বা রিক্সায় চৌরাস্তা এসে বাসে করে স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট পর্যন্ত ৫০ টাকা ভাড়া লাগবে।

কোথায় খাবেন?

ভিমরুলি বাজার থেকে সাদা ও লাল মিষ্টি, কুড়িয়ানা বাজারে ঋতুপর্ণা দোকানের গরম মিষ্টি ও বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার এবং গুঠিয়ার সন্দেশ। এছাড়া বরিশাল শহরের পুরান বাজার অঞ্চলর হক এর রসমালাই, রসগোল্লা কিংবা ছানা, বটতলা অঞ্চলর শশীর রসমালাই, নয়াবাজার মোড়ের নিতাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্পঞ্জ মিষ্টি, বিবির পুকুর পাড়ের কাছে চটপটি, দধি ঘোরের দই, ঘোল এবং ঘোল-মুড়ি মিক্সড খেতে পারেন।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

* পানিতে ময়লা ফেলে পানি নোংরা করবেন না। * লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করবেন। * বাসে ভ্রমণ থেকে লঞ্চে ভ্রমণ করা বহু আরামদায়ক ও সুবিধাজনক* অবশ্যই মিষ্টি খেতে ভুলবেন না। * বাগান থেকে কিছু খেতে চাইলে বাগান মালিকের অনুমতি নিয়ে নিবেন। * ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণে গ্রুপ করে গেলেই ভাল। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ভাসমান পেয়ারা বাজার কীভাবে যাবেন?

বরিশাল পানি অথবা সড়ক পথে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে যদিও পানি পথে বরিশাল যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক। গাবতলী থেকে সরাসরি স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাটে যাওয়ার বাস রয়েছে। এছাড়া রাস্তা ভাল থাকলে অটোতে করে আটঘর, কুড়িয়ানা এবং ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন। সাকুরা পরিবহনে বরিশাল যেতে জনপ্রতি বাসের টিকেট মূল্য ৫৩৫ থেকে ১২৫০ টাকা।

ভাসমান পেয়ারা বাজার-এর কাছে কোথায় খাবেন?

ভিমরুলি বাজার থেকে সাদা ও লাল মিষ্টি, কুড়িয়ানা বাজারে ঋতুপর্ণা দোকানের গরম মিষ্টি ও বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার এবং গুঠিয়ার সন্দেশ। এছাড়া বরিশাল শহরের পুরান বাজার অঞ্চলর হক এর রসমালাই, রসগোল্লা কিংবা ছানা, বটতলা অঞ্চলর শশীর রসমালাই, নয়াবাজার মোড়ের নিতাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্পঞ্জ মিষ্টি, বিবির পুকু

ভাসমান পেয়ারা বাজার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

ঝালকাঠি, বরিশাল এবং পিরোজপুরের সিমান্তবর্তী অঞ্চলয় গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাগান। ভাসমান পেয়ারা বাজার কীভাবে যাবেনবরিশাল পানি অথবা সড়ক পথে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে যদিও পানি পথে বরিশাল যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক। এছাড়া কুড়িয়ানা বাজার থেকে জনপ্রতি ১৫ টাকা অটো ভাড়ায় নারায়ণকাঠি গিয়ে সেখান থ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh barisal guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.