bangladesh · Editorial

চর হেয়ার

বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা নির্জন সৌন্দর্যের দ্বীপ চর হেয়ার ভ্রমণ গাইড। ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায়, লোকাল যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, খরচ ও প্রয়োজনীয় টিপস জানতে পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বরিশালের সাগরকন্যা খ্যাত জেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের একেবারে কোল ঘেঁষে জেগে ওঠে দ্বীপ চর হেয়ার। জায়গাীয়দের কাছে এটি দীর্ঘদিন ধরে কলাগাছিয়ার চর (Kalagachia Char) নামে পরিচিত থাকলেও এখন দর্শনার্থীদের কাছে চর হেয়ার (Char Hare) নামেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

চর হেয়ার

চর হেয়ার সম্পর্কে

তাই এখানে থাকার জন্য কোন রিসোর্ট বা হোটেল-কটেজ নেই। কোথায় থাকবেনচর হেয়ার ভ্রমণ মুলত অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী দর্শনার্থীদের জন্য। এই চরের পূর্ব পাশে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনভূমি সোনারচর, পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগারদ্বীপ আর এর পাশেই চর কাশেম।

চরমন্তাজ থেকে প্রত্যেক দিন দুপুর ১টার সময় লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এই লঞ্চগুলো তুলনামূলকভাবে খুব বেশি লাক্সারিয়াস না হলেও যারা সরাসরি চরাঞ্চলে যেতে চান, তাদের জন্য এটিই সর্বাধিক কার্যকর উপায়। চরমন্তাজ পৌঁছানোর পর সেখান থেকে চর হেয়ারে যেতে হয় সম্পূর্ণ নদী ও সাগরপথে।

সময় ও রুট বিবেচনায় চরমন্তাজ হয়ে যাত্রা ঢাকা থেকে চর হেয়ার ভ্রমণের সর্বাধিক সুবিধাজনক উপায়। শীত মৌসুমে সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকায় এই সময়ে যাতায়াত নিরাপদ। কোথায় খাবেনচর হেয়ার ভ্রমনে সম্পূর্ণ লোকাল বা জায়গাীয় খাবার খেতে হবে।

প্রায়ই ট্রলারের আকার ও ধারণক্ষমতার ওপর ভাড়া নির্ভর করে প্রায় ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। আছে শুধু নির্জনতা, প্রকৃতি আর খোলা দিগন্ত। চারপাশে অবারিত জলরাশি, দূরদিগন্তজোড়া আকাশ, অতিথি পাখির কোলাহল আর সবুজ ম্যানগ্রোভ বন সব মিলিয়ে চর হেয়ার যেন প্রকৃতির হাতে আঁকা এক নীরব শিল্পকর্ম।

তাই আবহাওয়া বিবেচনা করে যাত্রা পরিকল্পনা করে নিবেন। আর হোমস্টে করার জন্য প্রতি রাতে ভাড়া লাগবে ১,০০০ টাকা থাকা যাবে একসাথে ৪ জন। প্রত্যেক দিন ঢাকা সদরঘাট থেকে রাত পৌনে ৯ টার সময় তিনটি লঞ্চ রেডসান, পুবালি ও আসা-যাওয়া চরমন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

গুগল আর্থের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০৩ হেক্টর আয়তনের এই চরে রয়েছে চার কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে এর দূরত্ব ৩৫.১৯ কিলোমিটার, আর রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে কেবল ১০ কিলোমিটার। চরমন্তাজ থেকে চর হেয়ার পৌঁছাতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লাগে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে চর হেয়ার যেতে সর্বাধিক সহজ ও সরাসরি উপায় হলো লঞ্চে করে চরমন্তাজ পৌঁছানো। চরের ভেতরে আছে হাতেগোনা কয়েকটি পরিবারের বসতবাড়ি, কৃষিজমি আর মাছের ঘের। তাঁবু সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন অথবা ভাড়া নিলে ৩০০-৪০০ টাকা লাগবে।

জায়গাীয়ভাবে এখানে সহজেই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোট পাওয়ার সুযোগ আছে যেগুলো দর্শনার্থীদের চর হেয়ারে নিয়ে যায়। যদিও গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে সমুদ্র উত্তাল হয়ে যায় তখন এই রুটে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এখানে থাকতে হবে তাঁবুতে অথবা জায়গাীয় উদ্যোগে পরিচালিত হোমস্টে সার্ভিস নিয়ে।

যার কারণে এখানে শহরের মত কোলাহল নেই, নেই কোন অতিরিক্ত আলোকসজ্জা। চরমন্তাজ পৌঁছে পরদিন সেখান থেকেই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে করে চর হেয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া বিকল্পভাবে পটুয়াখালী হয়ে আসার সুযোগ রয়েছে।

যদিও এর জন্য আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে রাখতে হবে কি খেতে চান। প্রায়ই জায়গাীয়ভাবে রান্না করা খাবার ডিম, ডাল, খিচুড়ি, সামুদ্রিক মাছ (যদি পাওয়া যায়) হাঁস, মুরগি ইত্যাদি পাওয়া যাবে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে চর হেয়ার যেতে সর্বাধিক সহজ ও সরাসরি উপায় হলো লঞ্চে করে চরমন্তাজ পৌঁছানো।

জায়গাীয়ভাবে এখানে সহজেই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোট পাওয়ার সুযোগ আছে যেগুলো দর্শনার্থীদের চর হেয়ারে নিয়ে যায়।

তাই আবহাওয়া বিবেচনা করে যাত্রা পরিকল্পনা করে নিবেন।

শীত মৌসুমে সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকায় এই সময়ে যাতায়াত নিরাপদ।

প্রত্যেক দিন ঢাকা সদরঘাট থেকে রাত পৌনে ৯ টার সময় তিনটি লঞ্চ রেডসান, পুবালি ও আসা-যাওয়া চরমন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

চরমন্তাজ পৌঁছে পরদিন সেখান থেকেই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে করে চর হেয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সুযোগ রয়েছে।

কোথায় থাকবেন?

চর হেয়ার ভ্রমণ মুলত অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী দর্শনার্থীদের জন্য। তাই এখানে থাকার জন্য কোন রিসোর্ট বা হোটেল-কটেজ নেই। এখানে থাকতে হবে তাঁবুতে অথবা জায়গাীয় উদ্যোগে পরিচালিত হোমস্টে সার্ভিস নিয়ে। তাঁবু সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন অথবা ভাড়া নিলে ৩০০-৪০০ টাকা লাগবে। আর হোমস্টে করার জন্য প্রতি রাতে ভাড়া লাগবে ১,০০০ টাকা থাকা যাবে একসাথে ৪ জন।

কোথায় খাবেন?

চর হেয়ার ভ্রমনে সম্পূর্ণ লোকাল বা জায়গাীয় খাবার খেতে হবে। যদিও এর জন্য আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে রাখতে হবে কি খেতে চান। প্রায়ই জায়গাীয়ভাবে রান্না করা খাবার ডিম, ডাল, খিচুড়ি, সামুদ্রিক মাছ (যদি পাওয়া যায়) হাঁস, মুরগি ইত্যাদি পাওয়া যাবে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

চর হেয়ার কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে চর হেয়ার যেতে সর্বাধিক সহজ ও সরাসরি উপায় হলো লঞ্চে করে চরমন্তাজ পৌঁছানো। জায়গাীয়ভাবে এখানে সহজেই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোট পাওয়ার সুযোগ আছে যেগুলো দর্শনার্থীদের চর হেয়ারে নিয়ে যায়। তাই আবহাওয়া বিবেচনা করে যাত্রা পরিকল্পনা করে নিবেন। শীত মৌসুমে সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকায় এই

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

চর হেয়ার ভ্রমণ মুলত অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী দর্শনার্থীদের জন্য। তাই এখানে থাকার জন্য কোন রিসোর্ট বা হোটেল-কটেজ নেই। এখানে থাকতে হবে তাঁবুতে অথবা জায়গাীয় উদ্যোগে পরিচালিত হোমস্টে সার্ভিস নিয়ে। তাঁবু সাথে নিয়ে পৌঁছাতে পারবেন অথবা ভাড়া নিলে ৩০০-৪০০ টাকা লাগবে। আর হোমস্টে করার জন্য প্রতি রাতে ভাড়া লাগ

চর হেয়ার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বরিশালের সাগরকন্যা খ্যাত জেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের একেবারে কোল ঘেঁষে জেগে ওঠে দ্বীপ চর হেয়ার। জায়গাীয়দের কাছে এটি দীর্ঘদিন ধরে কলাগাছিয়ার চর (Kalagachia Char) নামে পরিচিত থাকলেও এখন দর্শনার্থীদের কাছে চর হেয়ার (Char Hare) নামেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠছে। তাই এখানে থাকার জন্য

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh barisal guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.

— ট্যুর প্যাকেজ —

এই রুটে আমাদের প্যাকেজ