পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ নদী ও আন্ধারমানিক নদীর মোহনায় পায়রা সমুদ্র বন্দর (Payra Sea Port) রয়েছে। ২০১৩ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই বন্দরটি এখন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

পায়রা সমুদ্রবন্দর সম্পর্কে
এছারা নৌপথে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা খেপুপাড়া (কলাপাড়া) গামী লঞ্চে পৌঁছাতে পারবেন। সেখান থেকে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে করে পায়রা বন্দর অঞ্চলয় পৌঁছানো যায়। এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় বাসে করে যেতে কেবল ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে।
উন্নত মানের হোটেল বা লাক্সারি রিসোর্টে থাকতে চাইলে কুয়াকাটায় থাকা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। কলাপাড়া ঘাটে নেমে রিকশা বা টমটমে করে বন্দরে পৌঁছানো যায়। এখানে বাঁশ ও গোলপাতা দিয়ে তৈরি নান্দনিক আবহে হালকা নাস্তা ও দেশি খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে।
দক্ষিণবঙ্গের এই নতুন পর্যটন রত্নটি আপনাকে দেবে এক রোমাঞ্চকর ও বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার হাতছানি। কোথায় খাবেনবন্দর সংলগ্ন অঞ্চলয় ছোটখাটো খাবারের দোকান বা ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে যেখানে জায়গাীয় মাছ ও দেশি খাবার পাওয়া যায়। সাকুরা পরিবহনসহ বেশ কিছু বাস এই রুটে নিয়মিত চলাচল করে।
যান্ত্রিকতা এড়িয়ে রাবনাবাদ চ্যানেলের নীল জলরাশি আর উন্নয়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ একসাথে দেখতে আজই পরিকল্পনা করুন পায়রা বন্দর ভ্রমণের। এটি বেশ আরামদায়ক ভ্রমণ। পায়রা বন্দর অঞ্চলটি এখন আর শুধু পণ্য খালাসের কেন্দ্র নয়, বরং একে ঘিরে গড়ে উঠছে বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা, বিমানবন্দর ও ডকইয়ার্ডের মতো আধুনিক অবকাঠামো।
বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে প্রায় ৬০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই সামুদ্রিক বন্দরটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃদেশীয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তাছাড়া বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে বন্দরের প্রশাসনিক ভবন এবং পাশেই রয়েছে দেশের বৃহত্তম পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখার সুযোগ রয়েছে। কোথায় থাকবেনপায়রা বন্দর অঞ্চলয় থাকার জন্য বড় কোনো হোটেল বা রিসোর্ট নেই।
সেখান থেকে দিনে দিনেই বন্দর অঞ্চল ঘুরে আসা যায়।
কীভাবে যাবেন
বাসে ঢাকা থেকে (সায়েদাবাদ বা গাবতলী) কুয়াকাটাগামী যেকোনো বাসে উঠে কলাপাড়ায় নামতে হবে। এছারা পায়রা বন্দর থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত খুব কাছে (প্রায় ১৫-২০ কিমি)। কলাপাড়া উপজেলা সদরে বেশ কিছু মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল ও ডাকবাংলো রয়েছে।
বিশেষ করে বিকেলবেলা আন্ধারমানিক নদীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং বন্দরের চার লেনের প্রশস্ত সড়কের পাশ দিয়ে ঘুরে বেড়ানো দর্শনার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। আপনি যদি শিল্পায়ন ও প্রকৃতির অপরূপ রূপের মেলবন্ধন দেখতে চান যদিও পায়রা বন্দর হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণের আদর্শ গন্তব্য। পায়রা বন্দরে দর্শনার্থীদের জন্য দর্শনীয় একটা জায়গা হলো বাঁশবাড়ী ঝিল।
অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাপটুয়াখালীর দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, চর বিজয়, রাবনাবাদ চ্যানেল, বাঁশবাড়ী ঝিল, গঙ্গামতির চর, রাখাইন পল্লী, সীমা বৌদ্ধ মন্দির, পানি জাদুঘর, সোনারচর ও ফাতরার চর উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
বাসে ঢাকা থেকে (সায়েদাবাদ বা গাবতলী) কুয়াকাটাগামী যেকোনো বাসে উঠে কলাপাড়ায় নামতে হবে।
সাকুরা পরিবহনসহ বেশ কিছু বাস এই রুটে নিয়মিত চলাচল করে।
এছারা নৌপথে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা খেপুপাড়া (কলাপাড়া) গামী লঞ্চে পৌঁছাতে পারবেন।
সেখান থেকে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে করে পায়রা বন্দর অঞ্চলয় পৌঁছানো যায়।
এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় বাসে করে যেতে কেবল ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে।
এটি বেশ আরামদায়ক ভ্রমণ।
কোথায় থাকবেন?
পায়রা বন্দর অঞ্চলয় থাকার জন্য বড় কোনো হোটেল বা রিসোর্ট নেই। উন্নত মানের হোটেল বা লাক্সারি রিসোর্টে থাকতে চাইলে কুয়াকাটায় থাকা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এছারা পায়রা বন্দর থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত খুব কাছে (প্রায় ১৫-২০ কিমি)। কলাপাড়া উপজেলা সদরে বেশ কিছু মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল ও ডাকবাংলো রয়েছে। সেখান থেকে দিনে দিনেই বন্দর অঞ্চল ঘুরে আসা যায়।
কোথায় খাবেন?
বন্দর সংলগ্ন অঞ্চলয় ছোটখাটো খাবারের দোকান বা ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে যেখানে জায়গাীয় মাছ ও দেশি খাবার পাওয়া যায়। পায়রা বন্দরে দর্শনার্থীদের জন্য দর্শনীয় একটা জায়গা হলো বাঁশবাড়ী ঝিল। এখানে বাঁশ ও গোলপাতা দিয়ে তৈরি নান্দনিক আবহে হালকা নাস্তা ও দেশি খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পায়রা সমুদ্রবন্দর কীভাবে যাবেন?
বাসে ঢাকা থেকে (সায়েদাবাদ বা গাবতলী) কুয়াকাটাগামী যেকোনো বাসে উঠে কলাপাড়ায় নামতে হবে। সাকুরা পরিবহনসহ বেশ কিছু বাস এই রুটে নিয়মিত চলাচল করে। এছারা নৌপথে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা খেপুপাড়া (কলাপাড়া) গামী লঞ্চে পৌঁছাতে পারবেন। সেখান থেকে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে করে পায়রা বন্দর অঞ্চলয় পৌঁ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
পায়রা বন্দর অঞ্চলয় থাকার জন্য বড় কোনো হোটেল বা রিসোর্ট নেই। উন্নত মানের হোটেল বা লাক্সারি রিসোর্টে থাকতে চাইলে কুয়াকাটায় থাকা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এছারা পায়রা বন্দর থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত খুব কাছে (প্রায় ১৫-২০ কিমি)। কলাপাড়া উপজেলা সদরে বেশ কিছু মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল ও ডাকবাংলো রয়েছে। সেখ
পায়রা সমুদ্রবন্দর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ নদী ও আন্ধারমানিক নদীর মোহনায় পায়রা সমুদ্র বন্দর (Payra Sea Port) রয়েছে। ২০১৩ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই বন্দরটি এখন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যি
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

